বিএনপি নেতার বাধায় বন্ধ সংযোগ সড়কের কাজ
Why this classification
A local BNP leader and his associates forcibly uprooted construction guide poles and repeatedly blocked road work over a claimed land dispute, which counts as vandalism. The article also reports unverified claims of payments and material theft, but no deaths or injuries were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
কুড়িগ্রামের রৌমারীর বাওয়াইরগ্রামে বিএনপি নেতা শাহাজাহান মণ্ডল ও তাঁর সহযোগীরা জমির দাবিতে সেতুর সংযোগ সড়কের মাটি ফেলতে বাধা দিয়ে ঠিকাদারের বসানো গাইডওয়ালের খুঁটি জোর করে তুলে ফেলেছেন। এতে কয়েক গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সেতু ব্যবহার করতে পারছেন না।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
65% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/01/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিএনপি নেতার বাধায় বন্ধ সংযোগ সড়কের কাজ
বিএনপি নেতার বাধায় বন্ধ সংযোগ সড়কের কাজ রৌমারীর বাওয়াইরগ্রাম এলাকায় সেতুর সংযোগ সড়কের কাজ শুরু না করায় ভোগান্তি সমকাল জিতেন চন্দ্র দাস, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৪১ | প্রিন্ট সংস্করণ কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাওয়াইরগ্রাম এলাকায় প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক জটিলতা। স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বাধার মুখে কাজ বন্ধ থাকায় কয়েক গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সেতুটি ব্যবহার করতে পারছেন না। উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাওয়াইরগ্রাম এলাকায় নির্মিত এই সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের জুন মাসে। কিন্তু যাদুরচর ইউনিয়নের গোলাবাড়ি এলাকার বিএনপি নেতা শাহাজাহান মণ্ডল ও তাঁর সহযোগীরা সড়কের মাটি ফেলতে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের দাবি, সংযোগ সড়কের জায়গায় তাদের ব্যক্তিগত জমি রয়েছে। এর ফলে সেতুর কাজ শেষ হওয়ার ৫ মাস পার হলেও সংযোগ সড়ক হয়নি। ঠিকাদারের বসানো গাইডওয়ালের খুঁটি জোর করে তুলে ফেলা হয়েছে। অটোচালক, কৃষক ও শিক্ষার্থীরা সেতুটি ব্যবহার করতে পারছেন না। ঠিকাদার সামসুদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, এই সেতুটি নির্মাণ করতে গিয়ে তাঁকে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। বিএনপি নেতা শাহাজাহান মণ্ডলকে ৪ লাখ টাকা এবং অন্য এক ব্যক্তিকে ৩ লাখ টাকা দিতে হয়েছে। স্থানীয় এক সাবেক ইউপি সদস্যকে ঘর তুলে দিতে হয়েছে। মালপত্র চুরি হয়েছে ১০-১৫ লাখ টাকার। এখন সংযোগ সড়কের মাটি কাটতে গেলেই বাধা দেওয়া হচ্ছে। টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে যাদুরচর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি শাহাজাহান মণ্ডল বলেন, ‘সেতুর জায়গায় আমাদের রেকর্ড করা প্রায় এক বিঘা জমি চলে গেছে। জমির দাম না দিলে মাটি ফেলতে দেব না।’ ঠিকাদারের থেকে টাকা নেওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি ৩০ লাখ টাকা নিয়েছি, তাতে কার কী?’ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলেন, স্কুলের ছেলেমেয়েরা মই বা সিঁড়ি বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হচ্ছে। এতে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অটোভ্যান চালক নুরুজ্জামান ও বাদশা মিয়া জানিয়েছেন, সড়ক না থাকায় তারা যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। ফলে তাদের আয় কমে গেছে। কৃষিপণ্য পরিবহনে কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে উপজেলার কর্তিমারী জিসি ভায়া বড়াইবাড়ি বিওপি ক্যাম্প সড়কে ৬০.০৬ মিটার আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। কাজটি পান জামালপুরের মেলানহদ এমসিই এমবিই জেভী নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সামসুদ্দিন হায়দার। ওই বছরই প্রায় ৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে এই গার্ডার সেতুর কাজ শুরু হয়। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালে। কিন্তু নানা জটিলতায় তা ২০২৫ সালের জুন মাসে শেষ হয়। সেতু নির্মাণ কাজের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর বলেন, সেতুর পাশে দুই মিটার পুরাতন সড়কের পাশ দিয়ে শাহাজাহান মণ্ডলের খাল রয়েছে। কাজের শুরুতে শাহাজাহান খালটি ভরাট করে দিতে বললে ঠিকাদার রাজি হন। এর পরও কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা অনভিপ্রেত। উপজেলা প্রকৌশলী মুনছুরুল হক জানিয়েছেন, জনস্বার্থে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। - বিষয় : - সেতু
