‘ওরা ৫ বোন মিলে আমার মেয়ে-জামাই আর নাতি-নাতনিকে হত্যা করছে’
Why this classification
This is a specific, recent incident in which four members of one family were killed by having their throats cut in their home in Bahadurpur village, Naogaon, on the night of Monday 20 April 2026. Police and perpetrators are not yet identified, and the mother's allegations against her in-laws are unverified.
Killed
4
Injured
0
Summary
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) মধ্যরাতে বসতবাড়িতে হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী পপি সুলতানা, ছেলে পারভেজ ও মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। নিহত পপির মা সাবিনা বেগম ননদ ও তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে জমিসংক্রান্ত হিংসা ও দীর্ঘদিনের নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 4
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ওরা ৫ বোন মিলে আমার মেয়েকে হত্যা করেছে, মায়ের অভিযোগ
নওগাঁয় চার খুন ওরা ৫ বোন মিলে আমার মেয়েকে হত্যা করেছে, মায়ের অভিযোগ নিহতের স্বজনদের আহাজারি। ছবি-সমকাল নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫:০৭ | আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫:৪১ নওগাঁর নিয়ামতপুরের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ডাকাতির উদ্দেশ্যে হত্যার কথা বললেও, নিহত পপি সুলতানার মায়ের অভিযোগে সামনে এসেছে দীর্ঘদিনের পারিবারিক নির্যাতন ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি। সোমবার মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করে। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন—নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার। পুলিশ জানায়, হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। আর শিশু পারভেজ ও সাদিয়াকে হত্যা করা হয় মাথায় আঘাত করে। স্থানীয়রা জানান, হাবিবুর রহমান পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। ঘটনার দিন মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে তিনি বাড়ি ফেরেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই টাকা লুটের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ডাকাতির পর পরিচয় ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। এ সময় স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে তারা। তবে নিহত পপি সুলতানার মা সাবিনা বেগম এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, 'বিয়ের পর থেকে আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। ওরা ৫ বোন মিলে আমার মেয়ে-জামাইকে মেরে ফেলেছে।' তিনি জানান, শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়ের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। কয়েকদিন আগেও পপিকে মারধরের ঘটনা ঘটে এবং তা নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়। সাবিনা বেগম বলেন, 'ননদ শিরিনা, তার স্বামী ভুটি এবং তাদের পরিবারের লোকজন মিলে আমার মেয়েকে মারধর করে। গ্রামে সালিশ হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।' জমি নিয়ে বিরোধের অভিযোগ হাবিবুর রহমান তার বাবার একমাত্র ছেলে। সম্প্রতি তার বাবা পাঁচ মেয়েকে ১০ কাঠা করে জমি দেন। হাবিবুরকে দেন বাড়িভিটাসহ প্রায় ১০ বিঘা জমি। এই জমি বণ্টনকে কেন্দ্র করে ভাই-বোনদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সাবিনা বেগম বলেন, 'আমার জামাইকে ১০ বিঘা জমি দেওয়াতে তারা হিংসা শুরু করে, এই পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। ডালিমা, শিরিনা, সুফি, সাহানারা ও কমেলা— এই পাঁচ বোন এবং তাদের স্বামীরা মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।' মেয়ের সঙ্গে শেষ কথোপকথনের স্মৃতিচারণ করে সাবিনা বেগম বলেন, 'রাতেও কথা হয়েছে। সে বলেছিল- মা, তোমার নাতি পিঠা খাবে। আমি বললাম বানিয়ে দিও। সে বললো- মা, রাত হয়ে গেছে, কাল বানাবো।' নিয়ামতপুর থানার কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ডাকাতির বিষয়টি সামনে এলেও পারিবারিক বিরোধসহ সবদিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। এক সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই পরিবারের চারজনকে এভাবে হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কও দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। - বিষয় : - নওগাঁ - নিহত - জমি নিয়ে বিরোধ - হত্যা
‘ওরা ৫ বোন মিলে আমার মেয়ে-জামাই আর নাতি-নাতনিকে হত্যা করছে’
‘১৩-১৪ বছর আগে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। একটা ছেলে আর একটা মেয়ে হয়েছে। ছেলেটা মাদরাসায় পড়ে। মাদরাসায় পড়বে না দেখে ৮ দিন আগে বাড়িতে চলে আসে। বিয়ে দেওয়ার পর থেকে ননদরা আমার মেয়ের সঙ্গে অশান্তি করে। এক বাচ্চা হওয়ার পরে মেয়ে যখন বেড়াতে যায় তখন মেয়েকে তালাক পাঠায়। তখন বলি আমার মেয়েকে সংসার করাব না এখানে। এরা বোনরা মিলে গন্ডগোল করে কিন্তু আমার জামাইয়ের একই কথা আমি নেব, সংসার করব। আমার জামাইয়ের ওপর ভরসা করে মেয়েকে আবারও পাঠাই। আমার মেয়েকে তারা বহুদিন থেকে নির্যাতন করতেছে। ওরা ৫ বোন মিলেই আমার মেয়ে-জামাই, নাতি-নাতনিকে মেরে ফেলছে।’ এভাবে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আহাজারি করে ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদকের সামনে কথাগুলো বলছিলেন নিহত পপি সুলতানার মা সাবিনা বেগম। সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে পপি সুলতানাসহ তার পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সাবিনা বেগম আরও বলেন, বিয়ের পর থেকেই ওরা আমার মেয়েকে নির্যাতন করে। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ের ননদ শিরিনা তার স্বামী ভুটি এবং তার ছেলের বউ মিলে আমার মেয়েকে ধরে মারধর করে। তখন তারা থানায় যায়। থানা অদের অভিযোগ নিলেও আমার জামাইয়ের কোনো অভিযোগ নেয়নি। থানা থেকে ঘুরে এসে গ্রামের মানুষের কাছে বিচার দেয়। গ্রামের মানুষ তখন আপস মিমিংসা করে দেয়। তারপর কোর্টে মামালা করে। জমি যখন আমার জামাইকে দেয় তখন তার ৫ বোনকেও আড়াই বিঘা করে জমি লিখে দেয়। আর আমার জামাইকে বাড়ি ভিটা মিলে ১০ বিঘা জমি দেয়। আমার জামাই তার বাবার একমাত্র ছেলে। আমার জামাইকে ১০ বিঘা জমি দেওয়াতেই তাদের মূল সমস্যা। এইটা নিয়েই তাদের হিংসা শুরু হয়। তখন থেকেই তারা এর বংশকে নির্বংশ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। আমার মেয়েকে তারা বহুদিন থেকে নির্যাতন করে। ওরা ৫ বোন মিলেই আমার মেয়ে-জামাইকে মেরে ফেলছে। তিনি আরও বলেন, রাতে নাতি আর বেটির সঙ্গে কথা বলেছি। প্রতিদিনই কথা বলি। মেয়ে আমাকে জানায় মা তোমার নাতি পিঠা খাবে। তখন মেয়েকে বলি বানাইয়ে দেও তাহলে, বলে মা রাত হয়ে গেছে কালকে বানায়ে দেব। মেয়ের সঙ্গে কথা না বলে ঘুমাই না। প্রতিদিন ওদের সঙ্গে কথা বলি। ডালিমা, শিরিনা, সুফি, সাহানারা আর কমেলা আর এদের স্বামীরা মিলে আমার মেয়ের পরিবারকে শেষ করে দিল। আমি এদের সবার ফাঁসি চাই। উল্লেখ্য, এ ঘটনা নিহতরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং ৩ বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার। সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে বসতবাড়ি থেকে তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মনিরুল ইসলাম শামীম/আরকে
ভগিনীপতির বাড়িতে আগুন দিল গ্রামবাসী
একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা ভগিনীপতির বাড়িতে আগুন দিল গ্রামবাসী Advertisement নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যায় জড়িত আব্দুস সামাদ নামের একজনের বাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। বুধবার দুপুরে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আব্দুস সামাদ নিহত হাবিবুর রহমানের ভগিনীপতি। হাবিবুর, তার স্ত্রী ও তাদের দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আব্দুস সামাদ ও তার ছেলে সবুজ রানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকাবাসী জানায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আব্দুস সামাদ ও তার ছেলে সবুজ রানা (হাবিবুরের ভাগিনা) সোমবার মধ্যরাতে হাবিবুর, তার স্ত্রী পপি সুলতানা, ৯ বছর বয়সি ছেলে পারভেজ হোসেন ও ৩ বছর বয়সি মেয়ে সাদিয়াকে গলা কেটে হত্যা করে। পুলিশের কাছে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা দায় স্বীকার করেছেন। দায় স্বীকারের ঘটনা জানাজানি হলে বুধবার সকাল ১০টার দিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আব্দুস সামাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এসময় ওই বাড়িতে কেউ ছিল না। আগুনে মাটি ও টিনের চালার একতলা বাড়িটির ঘরের ভেতরের আশবাবপত্র পুড়ে গেছে। নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জড়িত থাকার বিষয়টি এলাকাবাসী জানতে পারলে উত্তেজিত হয়ে তারা ঘাতকের বাড়িতে আগুন দিয়েছে। ঘটনাটি জানার পর পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিয়ামতপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সাহাদাত জানান, বুধবার তারা ঘটনাস্থলে যান এবং এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে বাড়ির প্রাচীর ও ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এদিকে চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে নিয়ামতপুর থানার ওসি জানান, মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
