জাদুকাটায় বালুধসে শ্রমিক নিহত, লাশ গুমের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

A worker was killed on 29 March 2026 when sand collapsed during illegal river sand digging in Tahirpur, Sunamganj, and two others were injured. The body was reportedly moved secretly by the gang organising the work so that police would not be informed, and police later recovered it. Because the death was linked to an alleged crime and a concealed body, it was counted as a violence incident.

Reported by:JugantorSingle source
29/03/26•জাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়, তাহিরপুর

Killed

1

Injured

2

Summary

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে জাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু তোলার সময় ২৯ মার্চ ভোররাতে বালুধসে শ্রমিক লিয়াকত আলী নিহত এবং আরও দুইজন আহত হন। অভিযোগ, প্রভাবশালী চক্রের লোকজন থানা পুলিশকে না জানিয়ে গোপনে লাশ ট্রলারে করে সরিয়ে ফেলে, পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

80% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

লিয়াকত আলী (নিহত শ্রমিক)মুসালম (চাঁনমিয়ার ছেলে, চক্রের নেতৃত্বে)শ্রমিক সর্দার জাহাঙ্গীরশ্রমিক সর্দার নাদিমএসআই পংকজ দাশ, তাহিরপুর থানাসহকারী পুলিশ সুপার প্রণয় রায়, তাহিরপুর সার্কেল

Affected infrastructure

জাদুকাটা নদীর পাড়ছোট স্টিলবডি ট্রলার

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 29/03/26open original ↗

জাদুকাটায় বালুধসে শ্রমিক নিহত, লাশ গুমের অভিযোগ

জাদুকাটায় বালুধসে শ্রমিক নিহত, লাশ গুমের অভিযোগ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন,তাহিরপুর প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম নিহত শ্রমিক লিয়াকত। ফাইল ছবি। জাদুকাটায় বালুধসে লিয়াকত আলী নামে এক শ্রমিক নিহতের পর লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সীমান্ত নদী জাদুকাটার পশ্চিমতীর (পাড়) কেটে খনিজ বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করতে গিয়ে বালুধসে ওই শ্রমিক নিহত হন। নিহত শ্রমিক লিয়াকত জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাটের সিরাজপুর বাগগাঁও গ্রামের মৃত কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে। সহকারী পুলিশ সুপার (তাহিরপুর সার্কেল) প্রণয় রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একই ঘটনায় জাদুকাটা নদী তীরের বালুধসে আরও দুই শ্রমিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রোববার দুপুরে নিহতের পরিবার, জাদুকাটা নদী তীরের স্থানীয় লোকজন ও থানা পুলিশ জানায়, সীমান্ত নদী জাদুকাটার পশ্চিম পাড়ে (বাঁশ বাগান) ইজারাবহির্ভূত নদী পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলার ঘাগটিয়ার চাঁনমিয়ার ছেলে মুসালমের নেতৃত্বে একই গ্রামের মাছুম, গড়কাটি ও লাউরগড়ের পাঁচ থেকে সাতজনের একটি প্রভাবশালী চক্র শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত অর্ধশতাধিক শ্রমিক নিয়োজিত করে রাতের আঁধারে নদীর পাড় কেটে খনিজ বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করতে থাকে। উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামের ইদ্রিছের ছেলে শ্রমিক সর্দার জাহাঙ্গীর একই গ্রামের ছাদেকের ছেলে শ্রমিক সর্দার নাদিমের মাধ্যমে ওই সব শ্রমিকদের দিয়ে ছোট ছোট স্টিলবডি ট্রলার লোড করে খনিজ বালু উত্তোলন করাতে থাকে। এ সময় ভোররাতে আকস্মিক নদীপাড়ের বালুধসে পড়ে। এতে জাদুকাটা নদীর পশ্চিম পাড়েই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শ্রমিক লিয়াকত নিহত হন। আহত হন আরও দুই শ্রমিক। এদিকে তড়িঘড়ি করে থানা পুলিশকে অবহিত না করেই মুসালম চক্রের সমঝোতায় গোপনে লাশ ট্রলারে করে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় শ্রমিক সর্দার জাহাঙ্গীর ও নাদিমচক্র। বিষয়টি জাদুকাটা নদী তীরবর্তী মানুষজন টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। দুপুরের দিকে তাহিরপুর থানার এসআই পংকজ দাশ বিশ্বম্ভরপুরের সিরাজপুর বাগগাঁও গ্রামে গিয়ে নিহত শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে মুসালম বলেন, আমি বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। কী হয়েছে, কে নিহত হয়েছে- এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। রোববার সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ আলম তুলিপ বলেন, জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে দরিদ্র শ্রমিকদের অবৈধভাবে জাদুকাটা নদীর পাড় কাটতে রাতের আঁধারে নিয়োজিত করা, শ্রমিকের বালিধসে মৃত্যু ও পরবর্তী সময়ে গোপনে লাশ সরিয়ে ফেলা এটি আইনের দৃষ্টিতে হত্যাকাণ্ডের শামিল। সঠিক আইন প্রয়োগ করা হলে নদীর পাড় কেটে খনিজ বালু চুরিসহ এ ধরনের মৃত্যু প্রতিরোধ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও জানান তিনি।