মিরপুরে গুলিতে ইউসুফের মৃত্যু, হাফিজের লক্ষ্যবস্তু
Why this classification
The article reports a recent (24 July) shooting that resulted in a death and injuries, involving BNP youth members and accusations of political rivalry, meeting the definition of political violence. Therefore it is classified as political violence.
Killed
1
Injured
2
Summary
২৪ জুলাই মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলিতে যুবদল কর্মী ইউসুফ নিহত হন, দুইজন গুরুতর আহত হন। হাফিজুল ইসলাম বাবু দাবি করেন তিনি মূল লক্ষ্য এবং ঘটনায় ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের ভূমিকা রয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে শুটার ভাড়া করেন সিএনজি হাফিজ: ডিবিপ্রধান
কাফরুলে যুবদলকর্মী হত্যা ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে শুটার ভাড়া করেন সিএনজি হাফিজ: ডিবিপ্রধান ময়লা বাণিজ্য ও ফুটপাত দখল নিয়ে বিরোধে যুবদল নেতা বাবুকে হত্যার ছক ফাইল ফটো সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ১৫:৪০ | আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ১৬:২৬ রাজধানীর কাফরুলে যুবদলকর্মী মো. ইউসুফকে গুলি করে হত্যায় জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর বিভাগ ও কাফরুল থানা পুলিশ। ডিবি বলছে, কাফরুল থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজের পরিকল্পনায় এ ঘটনা ঘটে। কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে তিনি ২৫ লাখার চুক্তিতে শুটার ভাড়া করে আনেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নাহিদ হাসান, শাফিন আহমেদ, জিয়ারুল মোল্লা, আলী হোসেন, জিহাদ মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ ও আবির হাওলাদার। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ময়লার টেন্ডার, ফুটপাত দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে বাবুকে হত্যার পরিকল্পনা করে হাফিজ। তবে ঘটনাচক্রে অস্ত্রধারীদের গুলিতে যুবদল কর্মী ইউসুফ নিহত হন এবং দুজন গুরুতর আহত হন। ডিবি প্রধান জানান, হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৪ শুটারসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যার মিশনে ১১ জন অংশ নেয়। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন হাফিজুর। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানান, সিএনজি হাফিজ যুবদল নেতা বাবুকে হত্যার জন্য তাদের ভাড়া করেন। ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। ঘটনার দিন চঞ্চল নামে এক শুটারকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। ডিবি সূত্রে জানা যায়, ২৪ জুলাই রাত সোয়া ১১টার দিকে কাফরুলের ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশে লিংক রোডের মাথায় কয়েকজন অস্ত্রধারীর ছোড়া গুলিতে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ, সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইউসুফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নালাম সরদার ও মনির হোসেন চিকিৎসাধীন। এদিকে ঘটনার সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় স্থানীয় জনতা অস্ত্রসহ এক সন্ত্রাসীকে আটক করে কাফরুল থানায় সোপর্দ করে। পরে পুলিশ তার দেহ তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত ইউসুফের বড় ভাই বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পরপরই ডিএমপির গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগ ও কাফরুল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ২৫ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগের একটি দল মিরপুর এলাকা থেকে নাহিদ হাসান ও শাফিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া এলাকা থেকে জিয়ারুল এবং মিরপুর এলাকা থেকে আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে, কাফরুল থানা পুলিশ শরীয়তপুর থেকে জিহাদ মোল্লা এবং যশোরের বাগারপাড়া এলাকা থেকে মাসুম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত আবির হাওলাদারকে গণপিটুনির পর স্থানীয়রা কাফরুল থানায় সোপর্দ করেছিল। ডিবি সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায় মূল পরিকল্পনাকারী হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজের প্রতিপক্ষ হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেশাদার খুনি ভাড়া করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। গত ২৯ জুন পেশাদার খুনি হাসান, জিয়ারুল, চঞ্চল, জিহাদসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন ঢাকায় এসে সিএনজি হাফিজের সঙ্গে বৈঠক করে। তারা মিরপুর-১০ এলাকার বৈশাখী হোটেলের ৭১৪ নম্বর কক্ষে অবস্থান নেয় এবং পরে সিএনজি হাফিজের গ্যারেজে একত্রিত হয়। এ সময় আবির হাওলাদারের কাছ থেকে হাফিজের ম্যানেজার নাহিদ দুটি পিস্তল গ্যারেজে নিয়ে আসে। হাফিজ অস্ত্রে গুলি ভরার সময় একটি পিস্তল থেকে আকস্মিকভাবে মিসফায়ার হলে ওই দিনের হত্যার পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়। তবে অভিযুক্তরা হাফিজুল ইসলাম বাবুর অফিসের আশপাশে গিয়ে তাকে শনাক্ত করে এবং সিএনজি হাফিজের কাছ থেকে অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যায়। পরবর্তীতে ২২ জুলাই হাফিজের নির্দেশে তারা পুনরায় ঢাকায় আসে এবং মিরপুর-২ এলাকার সোনালী হোটেলের ৬০৮ নম্বর কক্ষে অবস্থান নেয়। এরপর ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সবাই আবার সিএনজি হাফিজের গ্যারেজে একত্রিত হয়। সেখানে নাহিদের কাছ থেকে জিহাদ দুটি লোড করা পিস্তল নিয়ে একটি জিয়ারুল এবং অপরটি চঞ্চলের কাছে হস্তান্তর করে। পরে জিয়ারুল, চঞ্চল, হাসান, জিহাদ, মাসুম বিল্লাহসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার অফিসের সামনে অবস্থান নেয়। সিএনজি হাফিজের কর্মচারী শাফিন এবং জিয়ারুলের আত্মীয় আলী হোসেন ঘটনাস্থল রেকি, আসামিদের পালিয়ে যেতে সহায়তা এবং ঘটনার পর পুলিশের তৎপরতা ও এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য সরবরাহের দায়িত্ব পালন করে। ডিবি আরও জানায়, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১১টায় হাফিজুল ইসলাম বাবু তার কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে অবস্থানের সময় অপরিচিত কয়েকজন ব্যক্তিকে সন্দেহ হলে তাদের পরিচয় জানতে চান। একপর্যায়ে তাদের দেহ তল্লাশি করার চেষ্টা করলে অভিযুক্তদের একজন পিস্তল বের করে গুলি চালায়। এতে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। - বিষয় : - কাফরুল - গুলি করে হত্যা - গ্রেপ্তার - ডিবি
ইউসুফ নয়, ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় হত্যার টার্গেট ছিল বাবু
রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনার নেপথ্যে এলাকার আধিপত্য ও বিভিন্ন ব্যবসার দ্বন্দ্বের কথা জানিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ সংবাদ সম্মেলন ডেকে ভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন নিজেকে ভুক্তভোগী ও নিরাপত্তাহীন হিসেবে উল্লেখ করা কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু। ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাপোষণে এই হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে তিনিই ছিলেন মূল টার্গেট। ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান বলে দাবি করেন তিনি। তার দাবি, ওই ঘটনায় কাফরুল থানার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতা। আবির, হাফিজ, জিয়ারুল এই তিন ঘাতকেরসঙ্গে সাব্বির দেওয়ান জনির ছবি পাওয়া গেছে। তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব বের হয়ে আসবে। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচা বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) আয়োজিত পল্লবীতে যুবদল নেতা ইউসূফ হত্যার সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন হাফিজুল ইসলাম বাবু। বাবু বলেন, গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় এক নারকীয় গুলির ঘটনা ঘটে। এই হামলায় নিহত হন কাফরুল থানা যুবদলের কর্মী ইউসুফ এবং গুলিতে গুরুতর আহত হন আরও দুজন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি বলেন, ওই হামলার মূল লক্ষ্যই ছিলাম আমি। আমাকে চিরতরে সরিয়ে দিতে ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে শুটার নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু আমি অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই। গত সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই মামলা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, ময়লার টেন্ডার, ফুটপাতের দোকান, ডিস-ইন্টারনেট ব্যবসা কিংবা জমি দখলকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই বক্তব্যের সঙ্গে প্রকৃত সত্যের কোনো মিল নেই বলে দাবি করেন হাফিজুল ইসলাম বাবু। কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব দাবি করা বাবু বলেন, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আমি কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম। আমার এই প্রার্থিতার আগ্রহই আমার ও আমার সহকর্মীদের জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারি, সেই উদ্দেশ্যে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার নীল নকশা তৈরি করা হয়। মূল চক্রান্তকারী নিজে আড়ালে থেকে হাফিজুর রহমান হাফিজকে (সিএনজি হাফিজ) সামনে রেখে এই কিলিং মিশন পরিচালনা করেছে। মূল ঘটনা ও অপরাধীদের আড়াল করতে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও আধিপত্যের গল্প সাজিয়ে পুরো বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। পরে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া গ্রেপ্তার আসামিদের সঙ্গে কাফরুল থানার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনির বেশ কয়েকটি ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, হাফিজকে সামনে রেখে মূল ঘাতককে আড়াল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পায়তারা চলছে। এতক্ষণ যে ছবিগুলো দেখেছি তিনজন ঘাতকের সঙ্গে একই নেতার ছবি। তাহলে কি সেই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করাটা আইনের দায়িত্ব নয়? এখনো কি আইন সেই নেতাকে জিজ্ঞেস করেছে? সেই নেতাকে জিজ্ঞেস না করে আইন কি করলো? হাফিজকে মূল আসামি করে প্রেস ব্রিফিং করে দিল। হাফিজ তো গ্রেপ্তারও হলো না এখনো। তাহলে এতো তড়িঘড়ি করে প্রেস ব্রিফিং এর মানে কি বলে প্রশ্ন তোলেন হাফিজুল ইসলাম বাবু। নিজের জীবনের শঙ্কা প্রকাশ করে ভুক্তভোগী বাবু বলেন, আমি এখনো শঙ্কিত আছি। তিনি বলেন, এখন এমন এক সিচুয়েশনে পড়েছি, হত্যাকারীর নাম মুখে আনাটাও আমার জন্য নাকি অপরাধ। আমি অবশ্যই আমার জীবন নিয়ে আমি শঙ্কায় আছি। রাষ্ট্রের কাছে এবং প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তার জোর দাবি জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, কাফরুল থানার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতা বলে আমি ধারণা করছি। আবির, হাফিজ, জিয়ারুল এই তিন ঘাতকেরসঙ্গে সাব্বির দেওয়ান জনির ছবি পাওয়া গেছে। আপনাদের তদন্তে অবশ্যই বের হয়ে আসবে অন্যান্য ঘাতকদের সঙ্গে ছবি আছে কিনা। মূল নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে বিচার দাবি করেন ও এই ঘটনায় যে বা যারাই জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটা কাউন্সিলর নির্বাচন ইস্যু না। তাছাড়া এলাকায় আরও ৭/৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন। কে মনোনয়ন পাবেন সেটা তো এখনি বলা সম্ভবও না। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্ত চলছে, তদন্তে যার নাম আসবে সেই অপরাধী হিসেবে বিচারের আওতায় আসবে। আমার নাম আসলে দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে যে সাজা হয় তা মেনে নিতে আমি প্রস্তুত। আমি তো দেশেই আছি। আমার দাবি একটাই-যার অপরাধ বা যে অপরাধী সেই শাস্তি পাক। জেইউ/এমএসএ
