ছাত্রদল নেতার কফিশপে হামলা, লুটের অভিযোগ
Why this classification
This incident was classified as political violence in Netrokona. It involved BNP against BNP. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
মোহনগঞ্জে ছাত্রদল নেতার কফিশপে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯ আগস্ট রাতে এই ঘটনায় কফিশপের পরিচালককে মারধর করে নগদ ৩ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা লুট করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ছাত্রদল নেতার কফিশপে হামলা, লুটের অভিযোগ
ছাত্রদল নেতার কফিশপে হামলা, লুটের অভিযোগ নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬ | ০৯:০৬ | প্রিন্ট সংস্করণ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে উপজেলা বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ছাত্রদলর নেতার কফিশপে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। কফিশপের পরিচালক শাকিল মিয়াকে মারধর করে নগদ তিন লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা লুট করা হয়েছে। এই ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের ছোট পাইকুরা গ্রামের ‘বাগান বিলাস কফি হাউজে’ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগে মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম সংগ্রাম, তাঁর ভাই মামুন মিয়া, মোবারক, মুখলেছ, মাসুদ মিয়া, তাঁর ছেলে নাঈম মিয়া, সোহেল মিয়া ও অজ্ঞাতপরিচয় ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। হামলাকারী সবাই মোহনগঞ্জ উপজেলার বাহাম গ্রামের বাসিন্দা। কফিশপটির মালিক উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি নোমান আহমেদ। এটি পরিচালনা করেন তাঁরই ভাগনে শাকিল মিয়া। জানা গেছে, গত বুধবার রাত ৯টার দিকে পেরীরচর গ্রামের অন্তর মিয়া তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ‘বাগান বিলাস কপি হাউজে’ যান। সেখানে অন্তরের স্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন নাঈম মিয়া। এতে অন্তর মিয়ার সঙ্গে নাঈমের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। কফিশপের পরিচালক শাকিল মিয়া পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও এক পর্যায়ে অন্তর মিয়া তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে সেখান থেকে চলে যান। অভিযোগে বলা হয়, কিছু সময় পর নাঈম তাঁর বাবা মাজারুল ইসলাম সংগ্রাম, চাচা মাসুদ, মুখলেছ আরও ২০-২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে কফিশপে যান। সেখানে অন্তরকে না পেয়ে শাকিলের ওপর হামলা চালান তারা। কফিশপের লাইট, চেয়ার, দোলনাসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এ সময় ক্যাশ কাউন্টারে বাড়ির ছাদ ঢালাইয়ের জন্য রাখা তিন লাখ ১৬ হাজার টাকা এবং ওই দিনের বিক্রির ১৪ হাজার ৭০০ টাকা নিয়ে যান হামলাকারীরা। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম সংগ্রামের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ছোট ভাই পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ মিয়া বলেন, কপিশপের মালিক পক্ষের অভিযোগ তাঁর ভাতিজা নাঈমসহ তিনজন ইভটিজিং করেছে। কিন্তু বিষয়টি অভিভাবকদের কাছে না জানিয়ে নাঈমসহ কয়েকজনকে মারধর করেন। খবর পেয়ে তারা ওই কফিশপে গেলে এক কর্মীর বাজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হয়। অন্যসব অভিযোগ মিথ্যা। মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - লুটপাট
ছাত্রদল নেতার কফিশপে বিএনপি নেতার হামলা
মোহনগঞ্জে নারীকে উদ্দেশ করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ছাত্রদল নেতার কফিশপে বিএনপি নেতার হামলা Advertisement নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মোহনগঞ্জে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদল নেতার মালিকানাধীন কফিশপে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কফিশপের পরিচালক শাকিল মিয়াকে মারধর করে অচেতন করে ফেলা এবং নগদ ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটসহ প্রায় ২ লাখ ৪ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ করা হয়েছে। বুধবার রাতে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের ছোট পাইকুরা গ্রামের বাগান বিলাস কফি হাউজে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শাকিল মিয়া বৃহস্পতিবার দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কফিশপটির মালিক উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নোমান মিয়া এবং তার ভাগনে শাকিল মিয়া এটি পরিচালনা করেন। জানা যায়, ঘটনার আগে পার্শ্ববর্তী পেরীরচর গ্রামের বাসিন্দা অন্তর মিয়া তার স্ত্রীকে নিয়ে কফিশপটিতে যান। সেখানে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম সংগ্রামের ছেলে নাঈম মিয়া অন্তরের স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এ নিয়ে অন্তর মিয়ার সঙ্গে নাঈমের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। কিছু সময় পর নাঈম তার বাবা, চাচাসহ ২০-২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে কফিশপে গিয়ে বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করে। এ সময় অন্তর মিয়াকে না পেয়ে শাকিল মিয়াকে মারধর করা হয়। পাশাপাশি ক্যাশ কাউন্টারে রাখা টাকা নিয়ে যায়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম সংগ্রাম এবং তার ভাই মুখলেছ মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
