জামানত হারালেন ৬৮% প্রার্থী

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Chittagong. Parties reported: Jamiatul Islam, Enstitute of Political Science. Reported casualties: 0 killed and 78 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Ajker PatrikaSingle source
16/02/26•Jamtala

Killed

0

Injured

78

Summary

চট্টগ্রামের জেলার ১১৫ প্রার্থীর ৭৮ জন প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে পারেননি। এ ঘটনায় বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ৬৮ শতাংশই জামানত হারিয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 68

Perpetrator side

Jamiatul IslamEnstitute of Political Science

Victim side

Enstitute of Political Science

Tags

Political Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 78

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jamiatul Islam, Enstitute of Political Science

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Enstitute of Political Science

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Ajker Patrika · 15/02/26open original ↗

জামানত হারালেন ৬৮% প্রার্থী

- জেলার ১১৫ প্রার্থীর ৭৮ জনই জামানত রক্ষা করতে পারেননি - জামানত বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির প্রার্থীও - নিয়ম অনুযায়ী এসব প্রার্থীর জামানতের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে সবুর শুভ, চট্টগ্রাম     আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮: ০২ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১৫ প্রার্থীর মধ্যে জামানত রাখতে পারেননি ৭৮ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। বিএনপির কেউ জামানত না হারালেও জামানত বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থীও জামানত রক্ষা করতে পারেননি। সব মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ৬৮ শতাংশই জামানত হারিয়েছেন। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন জানান, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জামানত রাখতে হয়। নির্বাচনে নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট পেলে পরবর্তী সময়ে সেই জামানতের টাকা আবার সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু জামানত বাজেয়াপ্ত হলে প্রার্থীরা আর ওই টাকা ফেরত পান না; যা পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার সরবরাহ করা ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই জামানত হারান। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে আটজন প্রার্থী ভোটের মাঠে ছিলেন। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর মধ্যে। এই আসনের প্রদত্ত ভোট হচ্ছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১৩। প্রার্থীদের মধ্যে ৬ জন জামানত রক্ষা করতে পারেননি। ২৭ হাজার ৯৩৯ ভোট করে পেলে ওই ৬ জনের জামানত রক্ষা পেত। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে চারজনের মধ্যে ভোটের লড়াই হয়। এখানে মূল লড়াই বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর হয়। তবে অন্য দুই প্রার্থী তাঁদের জামানত খোয়ান। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপি, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীসহ ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে সাতজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে কাঙ্ক্ষিত ভোট স্বল্পতায়। ভোটের অনুপাতে তাঁদের জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৭ হাজার ৩২৭ ভোট। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) প্রতিদ্বন্দ্বী চারজন প্রার্থীর মধ্যে একজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মূল লড়াইটা হয় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে। উল্লিখিত প্রার্থীদের মধ্যে পাঁচজন জামানত হারিয়েছেন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) ছয় প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন তিনজন। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে ১০ জন প্রার্থীর আটজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের হাসান মারুফ রুমি ১ হাজার ৪০টি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে মাত্র ১ ভোট পেয়েছিলেন। ওই সময় তিনি নিজের ভোটও দিতে পারেননি। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৯ জনের মধ্যে সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১১ প্রার্থীর ৯ জনই জামানত হারান। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে আট প্রার্থীর ছয়জনের জামানত বাতিল হয়। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থীও জামানত হারান। তিনি চট্টগ্রামে জামায়াতের একমাত্র প্রার্থী ছিলেন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে সাত প্রার্থীর চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে আট প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের জামানত বাতিল হয়। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে প্রদত্ত ৩ লাখ ২০ হাজার ৫১১ ভোটের মধ্যে ৪০ হাজার ৬৩ ভোট পাননি একজন প্রার্থী। এই আসনে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও চারজন জামানত হারান। পঠিত সর্বশেষ ১ ২ ৩ ৪ ৫ খুঁজুন বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও শেখ হাসিনার সরকারের শেষ কয়েক সপ্তাহের ঘটনা নিয়ে নির্মিত আল-জাজিরা ইংলিশের অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা: ৩৬ ডেইজ ইন জুলাই’। প্রামাণ্যচিত্রটি ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল এমি অ্যাওয়ার্ডস’-এ মনোনয়ন পেয়েছে। ৭ ঘণ্টা আগে গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা টোটাল এনার্জির একটি এলএনজি কার্গো বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের টার্মিনালে নোঙর করতে পারছিল না। প্রায় ২৪ ঘণ্টায় তিনবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর এলএনজি সরবরাহ ঘণ্টায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে যায়। ৮ ঘণ্টা আগে নিউইয়র্কে চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯ ঘণ্টা আগে প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ের উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বক্তব্যে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে। ১১ ঘণ্টা আগে