উখিয়ায় গুলি করে রোহিঙ্গা যুবককে হত্যা
Why this classification
This is a valid incident because a Rohingya man, Mohammad Kamal (35), was shot dead on 6 May 2026 near the Rohingya camp in Ukhia, Cox's Bazar, in a dispute over territorial control. Police confirmed the shooting and that he died at Cox's Bazar Sadar Hospital, though the attackers remain unidentified.
Killed
1
Injured
0
Summary
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ০৬ মে ২০২৬ দুপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদ কামাল (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা নাগরিককে গুলি করে হত্যা করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয় এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
উখিয়ায় গুলি করে রোহিঙ্গা যুবককে হত্যা
উখিয়ায় গুলি করে রোহিঙ্গা যুবককে হত্যা প্রতীকী ছবি কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬ | ১৯:৪৯ | আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ | ২০:০২ কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদ কামাল (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা নাগরিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। জানা গেছে, নিহত কামাল হোসেন আলোচিত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের ছোট ভাই। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কামাল উখিয়ার বালুখালী পানবাজার এলাকার ৮ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা মুসা আহম্মদের ছেলে। নিহতের স্বজনরা জানান, জোহরের নামাজ পড়ে ইজিবাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে কামালকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। নিহতের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুবের দাবি, আরএসও সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে পালিয়ে গেছে। ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর অধিনায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান গুলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি কামালকে গুলি করে পালিয়ে যায়। তার বুকে ও মাথায় গুলি করা হয়েছে। কারা এই কাজ করেছে, তা বলা মুশকিল। তিনি আরও বলেন, ‘আগের ঘটনার জেরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। কামালকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।’ পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ওই এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য নায়েক সাইফুল ইসলাম জানান, ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামালকে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। - বিষয় : - কক্সবাজার - রোহিঙ্গা ক্যাম্প - গুলি করে হত্যা
৫০ হাজার টাকার জন্য রোহিঙ্গা শিশুকে হত্যা, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
কক্সবাজারের উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চার বছরের শিশু মোহাম্মদ ওমাইরকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় রোহিঙ্গা দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে এপিবিএন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওমাইর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা আবুল হামিদের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- একই ক্যাম্পের ডি/১৩ ব্লকের বাসিন্দা আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগম। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিল ওমাইর। এ ঘটনা তার পরিবার পুলিশকে জানালে শিশুটিকে উদ্ধারে অনুসন্ধান শুরু করেন জামতলী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা। পরদিন ৯ অক্টোবর শিশুটির বাবা আবুল হামিদ অভিযোগ করেন—আব্দুর রহমান তার ছেলেকে অপহরণ করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছেন। এ অভিযোগের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও রোহিঙ্গা মাঝিদের সহযোগিতায় শনিবার দুপুর ১টার দিকে আব্দুর রহমানকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী আনসার বেগমের দেখানো স্থান থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্প-১৫-এর ডি/১৩ ব্লকে আব্দুর রহমানের বসতঘরসংলগ্ন এলাকায় একটি ময়লার ট্যাংকির পাশে টিনের বেড়ার ভেতর থেকে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে লুকিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে। জামতলী পুলিশ ক্যাম্প-১৫ এর পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর উখিয়া থানা-পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান ও আনসার বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইফতিয়াজ নুর নিশান/আরএআর
৫০ হাজার টাকার জন্য রোহিঙ্গা শিশুকে হত্যা
৫০ হাজার টাকার জন্য রোহিঙ্গা শিশুকে হত্যা দম্পতি গ্রেফতার Advertisement কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ছবি: সংগৃহীত কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিখোঁজের দুদিন পর ওমাইর নামে চার বছর বয়সি এক শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবার অভিযোগ, অপহরণের পর তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় রোহিঙ্গা দম্পতি আব্দুর রহমান ও আনসার বেগমকে গ্রেফতার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শনিবার রাতে ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-১৩ ব্লকে ময়লার ট্যাংকির পাশে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওমাইর ওই ক্যাম্পের ডি-১ ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের ছেলে। গ্রেফতার দম্পতিও ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, ৮ অক্টোবর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা ও ব্লক হেড মাঝি বিষয়টি পুলিশকে জানান। শিশুটিকে উদ্ধারে অনুসন্ধান শুরু করে জামতলী পুলিশ ক্যাম্প। ৯ অক্টোবর শিশুটির বাবা পুলিশকে জানান, আব্দুর রহমান তার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় রোহিঙ্গা মাঝিদের সহযোগিতায় শনিবার আব্দুর রহমানকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুর রহমান শিশুটিকে অপহরণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের বসতঘর সংলগ্ন ময়লার ট্যাংকির পাশে টিনের বেড়ার ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্বামী-স্ত্রী মিলে শিশু ওমাইরকে অপহরণ করেন। পরে শিশুটির পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না পেয়ে তারা শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। তাদের আদালতে পাঠানো হয়। জামতলী পুলিশ ক্যাম্প-১৫-এর পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, লাশ উদ্ধারের পর উখিয়া থানা-পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ওই রোহিঙ্গা দম্পতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হত্যার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।
