বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ঘটনাটি সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা এবং বিজিবির বাধা সংক্রান্ত, যা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ। এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে কারণ এতে সীমান্ত ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জড়িত।

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
20/06/26•রৌমারী সীমান্ত, গয়টাপাড়া, ভন্দুরচর, বুড়িপোতা খালপাড়া, পাটগ্রাম

Killed

0

Injured

0

Summary

মেহেরপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের একাধিক চেষ্টা হয়েছে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় এসব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, তবে কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় পাঁচজন আটকে আছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 3

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Law Enforcement

Other actors

লে. কর্নেল নাজমুল হাসানবিজিবি সদস্যস্থানীয় লোকজন

Tags

Border ClashPush-in Attempt

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 24/06/26open original ↗

শূন্যরেখায় পাঁচজন, আরও পুশইনের চেষ্টা

শূন্যরেখায় পাঁচজন, আরও পুশইনের চেষ্টা রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা দম্পতিকে বাড়ি ফেরার অনুমতি রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ভন্দুরচর সীমান্তের শূন্যরেখায় টানা ১৩২ ঘণ্টা ধরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বিএসএফের পুশইনের চেষ্টার শিকার পাঁচ যুবক সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬ | ০৮:১৮ | আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ | ০৮:২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ মেহেরপুর ও লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের সাতজনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বিজিবি। কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা বিল্লাল ও সুমিকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দিয়েছে বিজিবি। তবে সেখানে এখনও পাঁচজন আটকে আছে। মেহেরপুরে শুক্রবার ভোরে চারজনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। জানা গেছে, ভোরে শূন্যরেখার ওপারে চার ব্যক্তিকে দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরে বিজিবি ও সীমান্তের অধিবাসীদের ধাওয়া খেয়ে ভারতের তারকাঁটার কাছে চলে যায় তারা। এরপর তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তারা যেখানে বসে ছিল সেখানে কয়েকটি কাপড় পড়ে আছে। বিজিবি সদস্য ও স্থানীয় লোকজন আশপাশে খোঁজ করে আর তাদের দেখতে পায়নি। চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা খালপাড়া সীমান্ত দিয়ে শুক্রবার ভোরে বিএসএফ চারজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। বিজিবি সতর্ক পাহারা দিচ্ছে। পাটগ্রাম সীমান্তে তিনজনকে পুশইনের ব্যর্থ চেষ্টা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির তৎপরতায় তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে কালিরহাট সীমান্ত-সংলগ্ন ভারতের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা থানার মিলরাপা সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশইনের চেষ্টা করা হয়। তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি ও স্থানীয়দের সহায়তায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বাড়ি ফেরার অনুমতি পেলেন দম্পতি  কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তে শূন্যরেখায় চার দিন আটকে থাকার পর বুধরার রাতে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিল্লাল ও সুমি দম্পতি তাদের দুই শিশুসন্তানসহ বাড়ি ফেরার অনুমতি পেয়েছেন। ওই পরিবারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিজিবি তাদের গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেয়। বাড়ি ফেরার অনুমতি পাওয়া ছয়জন হলেন– ভালুকা উপজেলার বিরুনীয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামের বিল্লাল হোসেন, তাঁর স্ত্রী সুমি আক্তার, তাদের ৫ মাসের শিশুকন্যা সুমাইয়া ও ৪ বছরের শিশুকন্যা ফাতেমা এবং বকশিবাড়ি গ্রামের সজীব মিয়া ও হিমেল মিয়া। বিরুনীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন সরকার বলেন, পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, ওই ছয়জন আপাতত নিজ বাড়িতে না এসে আত্মীয়ের বাড়িতে যাবেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে পরে বাড়ি আসবেন। ইউএনও মো. ফিরোজ হোসেন জানান, উল্লিখিত ছয়জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের বুধবার শেষরাতে নিজ এলাকায় ফিরে আসার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি তিনি অবহিত। পাঁচ দিনের বেশি শূন্যরেখায় পাঁচজন কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় পাঁচ দিনেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে পাঁচ ব্যক্তি। আন্তর্জাতিক ১০৬০ নম্বর মেইন পিলারের ১ নম্বর সাব-পিলার এলাকা দিয়ে দুজন এবং ভন্দুরচর সীমান্তের ১০৬৫ নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে তিনজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। গত রোববার সকালে তাদের পুশইনের চেষ্টা করা হয়। এ বছর রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, জামালপুর, সিলেট, যশোর, ঝিনাইদহ, নেত্রকোনা, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এর আগে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে ২০২৫ সালে দুই হাজার ৩৫৬ জনকে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে পুশইন করা হয়। (সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য)

Source 2: Jugantor · 22/06/26open original ↗

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা আটক

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা আটক Advertisement রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম কুড়িগ্রামের রৌমারীতে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় জাকির হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে দেশীয় অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করেছেন গ্রামবাসী। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এদিকে অপরাধীকে পুলিশে হস্তান্তরের সময় তার ফাঁসির দাবিতে এলাকায় তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। রোববার (২১ জুন) গভীর রাতে উপজেলার পূর্বকাউয়ারচর এলাকায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটে। আটক জাকির হোসেন স্থানীয় যুবলীগের নেতা হিসেবে পরিচিত। তবে তার পদবি জানা যায়নি। এছাড়া তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বকাউয়ারচর এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মালদ্বীপে কর্মরত রয়েছেন। তার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে একই এলাকার যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন প্রায় রাতেই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল এবং উত্ত্যক্ত করত। রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে জাকির হোসেন সুযোগ বুঝে ওই প্রবাসীর বাড়ির বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশ করে এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন। তারা যুবলীগ নেতা জাকিরকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং হাত-পা বেঁধে মারপিট করেন। খবর পেয়ে রৌমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে। গণধোলাইয়ে আহত জাকিরকে প্রথমে রৌমারী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ যখন জাকিরকে আটক করে থানায় নিয়ে যাচ্ছিল, তখন শত শত এলাকাবাসী জড়ো হয়ে তার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকেন। স্থানীয়দের দাবি, আটক জাকির হোসেন এলাকায় একজন চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে খুন, মাদক ব্যবসা ও ধর্ষণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি বর্তমানেও তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে বলে জানা গেছে। রৌমারী থানার ওসি কাওছার আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।