কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভাঙচুর-লুটপাট
Why this classification
The article reports a specific incident of vandalism and looting at a freedom fighters' office, which constitutes a destructive act.
Killed
0
Injured
0
Summary
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। এ ঘটনায় কার্যালয়ের আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Muktijoddha Sangsad
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভাঙচুর-লুটপাট
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পৌর সদরে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিনগত রাতের আঁধারে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। এ ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসদরের ডাকবাংলো সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়টি অবস্থিত। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ের টিনশেডের দুটি কক্ষ ভাঙচুর করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের বসার অফিস কক্ষটির তালা ভেঙে ভেতরের চেয়ার-টেবিল, আলমারি ভাঙচুর এবং টেলিভিশন ও ফ্যান খুলে নিয়ে যায়। এছাড়াও আলমারিতে থাকা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ-২(পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন ও পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন মজনু বলেন, শুক্রবার ভোরে একজনের মাধ্যমে কার্যালয় ভাঙচুরের খবর পাই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ধ্বংসস্তূপ দেখতে পাই। কে বা কারা রাতের আঁধারে এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে আমরা জানি না। অফিস কক্ষের ফ্যান, টিভি এবং আলমারি ভেঙে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লুট করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তিনি আরও বলেন, এই জায়গা সরকারের। আমরা ১৯৭২ সাল থেকে এটি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করে আসছি। এই জায়গা নিয়ে জেলা পরিষদের সঙ্গে মামলা চলছে। এর মধ্যেই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা সকল মুক্তিযোদ্ধারা বসে মামলা এবং পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করব। পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্বস্ত করেছি এবং লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। জড়িত যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। পরিদর্শনে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জড়িতদের খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। এসএইচএ
অফিস কক্ষে অধ্যক্ষকে অচেতন করে টাকা নিয়ে পালানোর সময় প্রতারক আটক
অফিস কক্ষে অধ্যক্ষকে অচেতন করে টাকা নিয়ে পালানোর সময় প্রতারক আটক Advertisement কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪১ পিএম প্রতারক ইমরান হাওলাদার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আতাউর রহমানকে অচেতন করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সময় ইমরান হাওলাদার (৩৮) নামে এক প্রতারককে আটক করে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে কটিয়াদী সরকারি কলেজে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আটক ব্যক্তি ইমরান হাওলাদার বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী এলাকার মো. সোহরাব হাওলাদারের ছেলে বলে জানান। কটিয়াদী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মানিক চান কর বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে আমরা কয়েকজন শিক্ষক অধ্যক্ষের কক্ষে বসেছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি এসে অনুমতি নিয়ে আমাদের পাশে বসেন। আলাপকালে তিনি বলেন- ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় তার কুমির ও সাপের খামার আছে। এছাড়াও তিনি কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নে ৬ একর জমিতে একটি বেজির খামার প্রকল্প করেছেন। খামারটি পরিদর্শনের জন্য প্রিন্সিপাল স্যারকে দাওয়াত দিতে এসেছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে অধ্যক্ষের কক্ষে থাকা শিক্ষকদের তিনি বাইরে যেতে অনুরোধ করেন। তার অনুরোধে আমরা পাশের রুমে চলে যাই। এরপর প্রায় আধঘণ্টা ধরে প্রিন্সিপাল স্যার ও লোকটির মাঝে একান্তে কথা চলে। প্রতারক ইমরান অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে প্রতারণা করে কিছু হাতিয়ে নিয়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আমরা বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে তাকে আটক করে অধ্যক্ষের কক্ষে নিয়ে যাই। এ সময় শিক্ষকরা অধ্যক্ষের কাছ থেকে কোনো টাকা নিয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি সঠিক কোনো জবাব দিতে পারছিলেন না। এমতাবস্থায় প্রতারক ইমারান হাওলাদারকে কিছু উত্তম-মাধ্যম দিলে তিনি অধ্যক্ষের কাছ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকা নিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। এ ঘটনাটি কটিয়াদী মডেল থানার ওসিকে অবহিত করি। পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। এমতাবস্থায় অসুস্থ অধ্যক্ষকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কলেজে নিয়ে আসি। অন্যদিকে কটিয়াদী থানা পুলিশ প্রতারক ইমরান হাওলাদারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে যান। কটিয়াদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আতাউর রহমান যুগান্তরকে জানান, ডায়াবেটিস চিরতরে ভালো হয়ে যাওয়ার জন্য আমাকে কস্তূরী দিয়ে তৈরি দুটি ট্যাবলেট খেতে দেয়। ট্যাবলেট দুটি সেবনের পর আমি অন্যমনস্ক হয়ে পড়ি। এ সময় তিনি আমার সঙ্গে থাকা ৪ হাজার ২০০ টাকা হাতিয়ে নিয়ে যান। কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা শেষে এখন আমি সুস্থ বোধ করছি। কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান মিলন জানান, কটিয়াদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আতাউর রহমান ও থানা পুলিশ কর্তৃক নিয়ে আসা ইমরান হাওলাদারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুইজনই এখন আশঙ্কামুক্ত। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, কটিয়াদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে চেতনানাশক কিছু সেবন করিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ইমরান হাওলাদার নামে এক প্রতারককে আটক করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
