আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াত নেতাকে মারধর, অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This incident qualifies as violence because it involves documented physical assault—a Jamaat leader was beaten and had his microphone forcibly taken by BNP activists at a public gathering on 7 October 2026. Video evidence and eyewitness accounts confirm the beating occurred, making this a clear case of political violence within the 14-day recency window.

Reported by:Prothom AloJugantorCorroborated · 2 sources
07/10/26•Upazila Parishad Milonaytan (উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন), Srinagar

Killed

0

Injured

1

Summary

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে ৭ অক্টোবর (বুধবার) বিকেলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সভায় উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির নুরুজ্জামান মীরকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। ঘটনায় তার হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং তাকে পেছন থেকে ঘুষি মারা হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Victim side

Jamaat

Other actors

Nurul Jaman Mir (Upazila Jamaat Acting Amir)Hafizul Islam Khan (BNP Upazila General Secretary)Mo. Abdullah (MP, Munshiganj-1)Hasibur Rahman (UNO)Jewel Mia (OC, Srinagar Thana)

Tags

Party ClashPolitical Assault

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 06/06/26open original ↗

শ্রীনগরে প্রবাসীকে পেটাল পুত্রবধূ ও সন্তান

জমি লিখে না দেওয়ায় শ্রীনগরে প্রবাসীকে পেটাল পুত্রবধূ ও সন্তান Advertisement শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শ্রীনগর উপজেলার কেয়টখালী গ্রামে জমি ও বাড়ি লিখে না দেওয়ায় প্রবাস ফেরত মজনু খালাসী (৫৫) নামক এক ব্যক্তিকে ঘরের ভেতর আটকে রেখে বেদম মারধর করেছে তার ছেলে, পুত্রবধূ ও নিজের স্ত্রী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রবাস ফেরত ওই ব্যক্তির ভাতিজা রবিন হোসেন তার চাচার পক্ষে বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার সকালে শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের কেয়টখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী প্রবাস ফেরত মজনু খালাসী জানায়, সে সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরবে পর্যায়ক্রমে প্রায় ২৬ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে ৬ মাস আগে দেশে আসেন। দেশে আসার পর ছেলে ইয়াসিন সাগরকে ১৫ লাখ টাকা ও স্ত্রী মুক্তা বেগমের কাছে প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালংকার বুঝিয়ে দেন। সম্প্রতি তার ছেলে ও স্ত্রী তার নামে থাকা ঢাকার বাড়ি এবং দেশের জমির লিখে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে চাপ সৃষ্টি করে। এতে সে রাজি না হওয়ায় শুক্রবার সকালে ছেলে ইয়াসিন সাগর, স্ত্রী মুক্তা বেগম ও পুত্রবধূ জেসমিনা আক্তার মিলে তাকে একটি রুমে আটকে রেখে, হাত-পা বেঁধে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। একপর্যায়ে তার নাক মুখে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে।

Source 2: Prothom Alo · 08/10/26open original ↗

আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াত নেতাকে মারধর, অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক ও আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াত নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার বিকেলেছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক ও আইনশৃঙ্খলা সভায় উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির নুরুজ্জামান মীরকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসিবুর রহমান ও শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিয়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ নুরুজ্জামান মীরকে সভাকক্ষ থেকে সরিয়ে নেয়। উপজেলার ৮৫টি পূজামণ্ডপের সভাপতি–সাধারণ সম্পাদকসহ উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতাদের উপস্থিতিতে বিকেল পাঁচটার দিকে সভা শুরু হয়। একপর্যায়ে উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির নুরুজ্জামান মীরকে মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়। ওই ঘটনার একটি ভিডিও প্রথম আলোর হাতে এসেছে। এতে দেখা যায়, নুরুজ্জামান মীর মাইক্রোফোন হাতে বক্তব্য দিচ্ছেন। এ সময় মঞ্চে ও মঞ্চের পাশে থাকা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে পাশ থেকে এক ব্যক্তি নুরুজ্জামান মীরের হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেন। কালো শার্ট পরা এক ব্যক্তি পেছন থেকে নুরুজ্জামান মীরকে ঘুষি মারেন। এ সময় মঞ্চে হট্টগোল শুরু হয়। পরে পুলিশের এক কর্মকর্তা নুরুজ্জামান মীরকে আগলে ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। ইউএনও হাসিবুর রহমান উত্তেজিত লোকজনকে থামানোর চেষ্টা করেন। এ সম্পর্কে শ্রীনগর থানার ওসি জুয়েল মিয়া আজ বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ভুল-বোঝাবুঝির কারণে কিছুটা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যায়। সবার মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে ঘটনার কোনো মীমাংসা হয়নি বলে দাবি করেছেন জামায়াত নেতা নুরুজ্জামান মীর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের পরিচয় জেনেই অনুষ্ঠানে ইউএনও দাওয়াত করেছিলেন। মঞ্চেও বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতার কারণে প্রথমে বক্তব্য দিতে চাইলে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি। বিএনপির নেতারা আমাকে না চেনার বাহানা করে হলরুম থেকে অপমান করে বের করে দেন। বাইরে নিয়ে আমাকে পেছন থেকে কিল-ঘুষি দেওয়া হয়।’ নুরুজ্জামান মীর আরও বলেন, ‘ইউএনও সাহেব আমাকে ডেকে এনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন। তখন বিএনপি নেতা হাফিজুল ইসলাম খানের বক্তব্যের নিন্দা জানাতেই সংসদ সদস্যের সামনে তাঁর লোকজন আবার ঘুষি ও ধাক্কা দেন। দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।’ এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সভায় হাফিজুল ইসলাম খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, সংসদের ভেতরে ও বাইরে কিছু দল বিএনপিকে ব্যর্থ দেখতে চায়। একদল ডিসেম্বরের কথা বলছে, আরেক দল জাতীয় সংসদে বিএনপির পাশে থেকেও সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়। সব মিলিয়ে চারদিক থেকে সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা চলছে। আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে দেশকে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে জন্য বিএনপি অতন্দ্রপ্রহরীর মতো সজাগ আছে। পরে সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে পেছন থেকে নুরুজ্জামান মীর বক্তব্য দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে চিনতে না পারার কথা বলে ধাক্কা দিয়ে হলরুম থেকে বের করে দেন। পরে ইউএনও ও অন্যরা তাঁকে হলরুমে ডেকে এনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন। নুরুজ্জামান মীর মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে হাফিজুল ইসলাম খানের বক্তব্যের ওই অংশের প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে আখ্যা দেন। একপর্যায়ে তাঁর হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়া হয়। মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে আইনশৃঙ্খলা সভায় পুলিশের এক কর্মকর্তা জামায়াত নেতাকে আগলে ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেনছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা তাঁকে (নুরুজ্জামান মীর) এর আগে কেউ দেখিনি। তাঁকে চিনিও না। তাঁর বক্তব্য দেওয়ার থাকলে আমার বক্তব্যের পরপরই তিনি বক্তব্য দিতে পারতেন। যখন আমাদের সংসদ সদস্য বক্তব্য দিতে আসেন, তখন তিনি বক্তব্য দিতে চান। যা কোনো শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।’ মারধর ও হেনস্তার বিষয়ে হাফিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘জামায়াতের ওই নেতাকে ধাক্কা দিয়ে স্টেজ (মঞ্চ) থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। মারধরের বিষয়টি আমার জানা নেই। সেখানে হিন্দু নেতৃবৃন্দ ও আমাদের নেতা-কর্মীরা ছিলেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সেটি স্পষ্ট করে বলতে পারছি না।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মুন্সিগঞ্জবিএনপিসভাঢাকা বিভাগজামায়াতমারধর