আলফাডাঙ্গায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামি গ্রেপ্তার
Why this classification
This is a specific, recent incident in which three men allegedly gang-raped a 23-year-old woman in Kotrakandi village, Faridpur, on 22 April 2026. The article reports a real violent crime with named suspects, and the arrests followed the rape rather than being a simple arrest without violence, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামে ২২ এপ্রিল ২০২৬ রাতে এক ২৩ বছরের তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মামলার পর বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পুলিশ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে এবং শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
আলফাডাঙ্গায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামি গ্রেপ্তার
আলফাডাঙ্গায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামি গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি ফরিদপুর অফিস ও আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬:২৯ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ২৩ বছরের তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামের মো. লিটন মোল্লা (৩৩), একই ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামের সবুজ মোল্লা (২৩) ও টাবনী গ্রামের আলী শরীফ (২০)। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ বছরের ওই তরুণীর সঙ্গে মো. লিটন মোল্লার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে লিটন মোল্লা বিয়ের কথা বলে ওই তরুণীকে মোটরসাইকেলে করে সবুজ মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে ওই তরুণীকে লিটন, সবুজ ও আলী শরীফ মিলে ধর্ষণ করেন। আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে ওই তরুণী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই তিন ব্যক্তিকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর বৃহস্পতিবারই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
হাতকড়াসহ পালানো সেই আ.লীগ নেতা ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া চর হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কবির খানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচন্ডি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চরভদ্রাসনের চর সালেপুর মুন্সিরচর বাজার এলাকায় গ্রেপ্তারের পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে কবিরকে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তার স্বজন ও অনুসারীরা। ওই ঘটনার ২৯ ঘণ্টার মাথায় তিনি ফের পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন। কবির খান চরভদ্রাসন উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এলাকায় তিনি ‘ভূমিদস্যু’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ আগের দুটি মামলা রয়েছে চরভদ্রাসন থানায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা জেলার দোহার থানা পুলিশের সহায়তায় আজ দুপুরে হরিচন্ডি গ্রামে অভিযান চালায়। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চরভদ্রাসন থানায় আনা হয়। চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক খান বলেন, কবির খানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগে থেকেই দুটি মামলা ছিল। গতকাল (মঙ্গলবার) পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এসআই মো. রফিকুজ্জামান বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেছেন। নতুন ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে চরভদ্রাসন উপজেলার চর সালেপুর মুন্সিরচর বাজারে পাঁচ পুলিশ সদস্যের একটি দল কবির খানকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরায়। তাকে মোটরসাইকেলে তোলার সময় কবিরের ভাই সূর্য খান ও তার ১০-১৫ জন অনুসারী পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে এসআই রফিকুজ্জামানের ডান হাত জখমসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয় এবং কবির হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়। পরে কবিরের ফেলে যাওয়া হাতকড়াটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ থানায় জমা দেয়। জহির হোসেন/আরকে
পালিয়ে যাওয়া আ.লীগ নেতা ফের গ্রেফতার
চরভদ্রাসনে পুলিশের ওপর হামলা পালিয়ে যাওয়া আ.লীগ নেতা ফের গ্রেফতার Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চরভদ্রাসনে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা কবির খানকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার হরিচন্ডি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্থানীয়ভাবে ‘ভূমিদস্যু’ হিসাবে পরিচিত কবির খান চর হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এর আগে মঙ্গলবার সকালে চরভদ্রাসনের চর সালেপুর মুন্সিরচর বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সে সময় তার স্বজন ও অনুসারীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দুটি মামলা ছিল। মঙ্গলবার আসামি ছিনতাই ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আরও একটি মামলা হয়েছে। নতুন এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কবিরের ভাগ্নে আলমগীরকে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
