ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
Why this classification
This is classified as political violence because it involves organized aggressive resistance, vandalism, and arson by a large group of people against state enforcement authorities carrying out an official duty.
Killed
0
Injured
1
Summary
রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের হোপ মার্কেট এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানের সময় হকারদের হামলায় সিটি করপোরেশনের দুটি গাড়ি ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় গণমাধ্যমকর্মী ও আনসার সদস্যদের ওপরও হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ হকাররা।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া মিরপুর ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানের সময় হকারদের হামলা ও ভাঙচুর। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সিটি করপোরেশনের গাড়ি (ছবি-মাহবুব হোসেন নবীন) সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৫৫ | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২:২৬ রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের হোপ মার্কেট এলাকায় ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানের সময় হামলা ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হকাররা জানান, সকালে সিটি করপোরেশনের লোকজন ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করতে আসেন। হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করতে গিয়ে সেখানে বিদ্যুতের তার থেকে আগুন ধরে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন হকাররা। পরে সিটি করপোরেশনের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন তারা। সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল পৌনে ১১টার দিকে হোপ মার্কেটের দিক থেকে দৌড়ে মিরপুর ১৩ নম্বরের দিকে যাচ্ছেন কিছু আনসার সদস্য। ২০ থেকে ৩০ জন লোক তাদের দিকে লাঠি ও ইটপাটকেল ছুঁড়ে মারছেন। হোপ মার্কেটের সামনে গিয়ে দেখা যায়, বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের পশ্চিম পাশের একটি জায়গায় আগুন জ্বলছে। এ সময় মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে পুলিশের পিক-আপ গেলে হকাররা সেটিকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তার কয়েক মিনিট পরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি গাড়ি যায় আগুন নেভাতে। প্রায় ১৫-২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। সেখানে বিভিন্ন মালামাল ছিল বলে জানান হকাররা। এ সময় কয়েকশ হকার সেখানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সিটি করপোরেশনের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে ছবি ও ভিডিও তুলতে গেলে বাধা দেন তারা। এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও বাধা দেওয়া হয়। এ সময় আগুনে পোড়া গাড়ির ছবি তুলতে গেলে সমকালের আলোকচিত্রী মাহবুব হোসেন নবীনের ওপর হামলা চালায় হকাররা। ঘটনার সময় কোনো পুলিশ সদস্যকে সেখানে দেখা যায়নি।
মিরপুরে ডিএনসিসির গাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ: প্রশাসক বললেন—উচ্ছেদ চলবে
রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও ফুটপাত মুক্ত করার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আজ বুধবার মিরপুর-১০ নম্বরের দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, উচ্ছেদ অভিযানে বাধা সৃষ্টি ও হামলার ঘটনা সত্ত্বেও নগরবাসীর নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ করে দিতে সিটি করপোরেশনের ফুটপাত উদ্ধারের এই অভিযান থেমে থাকবে না। ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, আজ উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার পর বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এ সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযানে ব্যবহৃত একটি ভেকু (খননযন্ত্র) ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। অভিযান চলাকালে ডিএনসিসির পরিবহনকর্মী, পেশাগত দায়িত্বে নিয়োজিত সাংবাদিক ও উপস্থিত কিছু পুলিশ কর্মকর্তার ওপরও হামলা চালানো হয়। ডিএনসিসি প্রশাসক অভিযোগ করে বলেন, ‘ফুটপাত দখল করে রাখা ফ্যাসিবাদের দোসররা এবং তাদের ইন্ধনদাতারা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। অরাজকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা মসজিদেও আগুন দেয়।’ তবে স্থানীয় সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বলে জানান তিনি। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ। প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, এ ঘটনার পর পুলিশের পাশাপাশি ডিএনসিসির পক্ষ থেকেও পৃথক মামলা করা হবে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ডিএনসিসির তিন গাড়িতে আগুন ভবিষ্যতে কারও ইন্ধনে আবারও ফুটপাত দখলের চেষ্টা চালানো হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। মিরপুরের সাধারণ মানুষ যে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে চান, বুধবারের ঘটনার মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেন ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের চাহিদা অনুযায়ী ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং তাদের নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করা সিটি করপোরেশনের একটি নৈতিক দায়িত্ব। অভিযান পরিচালনায় সহায়তা ও সমর্থন দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশাসক পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ফুটপাত পুনরুদ্ধারে ডিএনসিসির এই কার্যক্রম নিয়মিত চলমান থাকবে।
ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চলবে : ডিএনসিসি প্রশাসক
নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে রাজধানীর মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে কাউকে ফুটপাত দখল করতে দেওয়া হবে না। উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়া, হামলা ও অরাজকতা সৃষ্টির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজও মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল করে রাখা ব্যক্তিরা এবং তাদের ইন্ধনে সিটি কর্পোরেশনের পরিবহন, সাংবাদিক ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ‘পরে স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি, নগরসেবার জন্য আমার প্রিয় নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত উদ্ধারের যে কর্মসূচি রয়েছে, তা চলমান থাকবে,’ বলেন তিনি। অভিযানে বাধা ও হামলার ঘটনায় মামলা করার কথা জানিয়ে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, যারা এ অরাজকতার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হবে। ডিএনসিসির পক্ষ থেকেও মামলা করা হবে। তদন্ত করে তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি বলেন, অবৈধভাবে কাউকে এখানে ফুটপাত দখল করতে দেব না। আজকে প্রমাণ হয়েছে মিরপুরের সাধারণ জনগণ ফুটপাত দখলমুক্ত চায়। কারও ইন্ধনে আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন ডিএনসিসি প্রশাসক। মিরপুরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটি সিটি কর্পোরেশনের নৈতিক দায়িত্ব। দায়িত্ববোধ থেকেই অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, মিরপুর-১০ গোলচত্বর ও ফুটওভারব্রিজ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শেষে সেখানে গাছ লাগানো হয়েছে, যাতে জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা করতে পারেন। একইভাবে আজকের উচ্ছেদ করা জায়গাতেও পরিকল্পনা অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে। উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করায় স্থানীয় সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজকে সাংবাদিক বন্ধুরা আপনারা নির্যাতিত হয়েছেন। আপনারা দেখেছেন, নগরবাসীর সেবার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন প্রতিনিয়ত এই উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আপনাদের পাশে আছে। আপনারা জনগণের কাতার থেকে এই উচ্ছেদ অভিযানে অংশগ্রহণ করবেন। উচ্ছেদ অভিযানের সময় পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, অভিযানের জন্য পুলিশ আসার কথা থাকলেও সেখানে একজন পুলিশ সদস্যকেও পাওয়া যায়নি। এরপরও নিয়ম অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তার অভিযোগ, হামলাকারীরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এসএএ/জেডএস
আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর
মার্কেটের ভাড়া আদায় নিয়ে বিরোধ আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর বিএনপি নেতাসহ ৬৪ জনের নামে মামলা যুগান্তর প্রতিবেদন, ঢাকা উত্তর প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ তাহফিজুল কোরআনিল কারিম ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় সশস্ত্র হামলা ও সম্পত্তি দখলচেষ্টার ঘটনায় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মঙ্গলবার শ্রমিক দল নেতা ইমাম হাসান, ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন, বিএনপির কর্মী শুটার মামুন ও শুটার কালুসহ ১৪ জনের নাম একহাজারে উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ জনকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। জানা যায়, আসামিরা মাদ্রাসার জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার মাদ্রাসায় হামলা চালায়। এ সময় অফিসের লকার ভেঙে ২০ লাখ টাকা, দুটি ল্যাপটপ ও ১০টি কম্পিউটার মনিটরসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যায় আসামিরা। এ হামলায় বাধা দেওয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে মাদ্রাসার ১২ জন ছাত্র আহত হয়েছেন। মাদ্রাসার প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালক সৈয়দ সানজিদ সোমবার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন-ইমাম হাসান, গাজীরচট এলাকার জাকির হোসেন, সুবন্দী এলাকার মামুন দেওয়ান ওরফে শুটার মামুন, কন্ডা এলাকার শুটার কালু, মো. রুবেল, মারুফ হোসেন মুকুল, ডাক্তার সালেউদ্দিন সাঈদ, ফজলুল কবির, মো. বাবু, রফিক দেওয়ান, হাবিবুর, কানা মনির, শামীম ও মো. দিপু। বাদী জানান, মাদ্রাসার মালিকানাধীন মার্কেটের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কেটের ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
মিরপুরে হামলা–ভাঙচুর–অগ্নিসংযোগের এই কাজ ফ্যাসিজমের দোসরেরা করেছে: ডিএনসিসি প্রশাসক
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানছবি: প্রথম আলো রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত। ফুটপাতের ব্যবসায়ী ও হকাররা সরে গেছেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খানসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা এলাকায় মিছিল-স্লোগান দিয়ে ‘শোডাউন’ দিচ্ছেন। আজ বুধবার বেলা ১টার দিকে মিরপুরের হোপ মার্কেট এলাকায় যান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা পরিকল্পিত। ফ্যাসিজমের দোসরেরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আরও পড়ুন মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ৩ ঘণ্টা আগে শফিকুল ইসলাম বলেন, আজকের ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবেই ঘটানো হয়েছে। যারা ঘটিয়েছে, তাদের আগেই প্রস্তুতি ছিল। ফ্যাসিজমের দোসরেরা এই কাজ করেছে। ডিএনসিসির প্রশাসক বলেন, ‘আমি মিরপুরের সন্তান। জন্ম আমার এখানে। কারা কী করে, আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না। তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী, জনসেবার দায়িত্ব নিয়েছি।’ এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, অভিযান শুরুর একপর্যায়ে ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা ডিএনসিসির গাড়িতে হামলা চালান। গাড়ি ভাঙচুর করেন। গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকেরা আহত হন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, নগরবাসীর নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। ডিএনসিসির প্রশাসক বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আজও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল করে রেখেছিল যারা, তারা ও তাদের ইন্ধনে আজ সিটি করপোরেশনের পরিবহন, সাংবাদিকসহ কিছু পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা হয়েছে। পরে স্থানীয় সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে হামলাকারীরা সরে যেতে বাধ্য হন। শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি, নগরসেবার জন্য, আমার প্রিয় নগরবাসীর নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য ফুটপাত উদ্ধারের যে কর্মসূচি আছে, তা চলমান থাকবে।’ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে ফ্যাসিজমের দোসরেরা মসজিদে আগুন দিয়ে অরাজকতার সৃষ্টি করেছে।’ হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ডিএনসিসির প্রশাসক। তিনি বলেন, যারা এই অরাজকতার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আজ মামলা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হবে, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও মামলা হবে। তদন্ত করে তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। অবৈধভাবে কাউকে এখানে ফুটপাত দখল করতে দেওয়া হবে না। শফিকুল ইসলাম বলেন, মিরপুরের সাধারণ মানুষ ফুটপাত দখলমুক্ত চায়। ভবিষ্যতে কারও ইন্ধনে ফুটপাত দখলের চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিরপুরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে প্রশাসক বলেন, কয়েক দিন ধরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। জনগণের চাহিদা অনুযায়ীই এ কাজ করা হচ্ছে। শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ববোধ থেকে আমাদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন।’ সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ হামলায় সাংবাদিকেরা আহত হওয়ায় তাঁদের পাশে থাকার কথা জানান প্রশাসক। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে পুলিশের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশ এল। কিন্তু তাঁরা এসে একজন পুলিশ সদস্যকেও পাননি। তাহলে পুলিশের প্রস্তুতি কোথায় ছিল? সাধারণ উচ্ছেদ অভিযানের মতো করেই আজকের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু হামলাকারীরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের অনেকে ইতিমধ্যে চিহ্নিত হয়েছেন বলে দাবি করেন প্রশাসক। তিনি বলেন, পুলিশ তদন্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। ঘটনাস্থলে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন প্রশাসক। তিনি বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে তারা স্লোগান দিচ্ছিল। সরকারের বিরুদ্ধে কারা স্লোগান দেয়? যারা ফ্যাসিজমের দোসর।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজধানী থেকে আরও পড়ুন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনআইন ও বিচারহামলাউচ্ছেদমিরপুরফুটপাতঅভিযান
