ফজলুল হক হলের ঘটনায় ছাত্রদলের বিচার চায় ছাত্রশিবির
Why this classification
This incident was classified as political violence in Dhaka. It involved BNP against Jamaat. Reported casualties: 0 killed and 6 injured. Reported by 5 sources.
Killed
0
Injured
3
Summary
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। সংঘর্ষটি প্রভোস্টের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলাকালীন ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, তদন্তে কমিটি
ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, তদন্তে কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ২১:১৪ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে হল সংসদের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার মধ্যরাতে দু’পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যার পর ডাকসুর কয়েকজন নেতা ও অমর একুশে হল সংসদের শিবির নেতারা ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট ড. ইলিয়াস আল মামুনকে হল অফিসে অবরুদ্ধ করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন। তবে তিনি পদত্যাগে রাজি হননি। পরে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা ফজলুল হক হল অফিসের সামনে জড়ো হন। একই সময়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে এক শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। অভিযোগ উঠেছে হলের খেলাধুলার বাজেট নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট শেয়ার করায় শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিমকে প্রভোস্টের অফিসে ডেকে নিয়ে ফোন চেক করা হয়। এ ছাড়া হলের সিট বাতিলের হুমকি দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়াসহ মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। ছাত্রদলের নেতারা বলেন, ছাত্রশিবির বিভিন্ন হল থেকে নেতাকর্মী এনে হলে মব সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের নেতারা সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল ‘নির্যাতক প্রভোস্টের পক্ষ’ নিয়েছে। ঘটনাস্থলে ছাত্রশিবিরের অমর একুশে হলের এজিএস ওবায়দুর রহমান হাসিবকেও দেখা যায়। তাঁর হাতে একটি ছোট বস্তায় কয়েক জোড়া জুতা ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। মো. ইব্রাহিম বলেন, প্রথমে হলের শিক্ষার্থীরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চেয়েছিলেন। ফুটেজ দেখানো হলে প্রভোস্টের অফিসে দরজা বন্ধ করে তাঁকে হেনস্তা করার প্রমাণ শিক্ষার্থীরা পেতেন। রাত ২টা পেরিয়ে গেলেও ফুটেজ দেখানো হয়নি। পরে ঘটনাটি ‘চিরাচরিত প্রথা’ অনুযায়ী ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দ্বন্দ্বে রূপ নেয়। উভয় পক্ষই অন্য হল থেকে নিজেদের লোকজন নিয়ে আসে। এতে মূল ঘটনার বিচার থেকে তিনি বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। রাত ৩টার দিকে প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় হল অফিস থেকে প্রভোস্টকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে এ ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রক্টরকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছেন। ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে প্রভোস্টকে রক্ষার অভিযোগ করা হয়েছে। ছাত্রদল বলছে, ছাত্রশিবির বিচার দাবির বিষয়টি পাশ কাটিয়ে হলের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রক্টরের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ফজলুল হক হল ছাত্রদল। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রভোস্টের পদত্যাগ ও শাস্তি, অভিযুক্ত কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা, হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্যাম্পাসে কোনো ছাত্রসংগঠন যাতে প্রশাসনের হয়ে পেশিশক্তি ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের লিখিত নিশ্চয়তা দাবি করা হয়েছে। এসব দাবি তুলে ধরতে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এ সময় ঢাবি শাখার সভাপতি মহিউদ্দিন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। - বিষয় : - ঢাবি
ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, তদন্তে কমিটি
বাংলাদেশ ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, তদন্তে কমিটি × বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ২১:১৪ - অ + ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে হল সংসদের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার মধ্যরাতে দু’পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যার পর ডাকসুর কয়েকজন নেতা ও অমর একুশে হল সংসদের শিবির নেতারা ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট ড. ইলিয়াস আল মামুনকে হল অফিসে অবরুদ্ধ করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন। তবে তিনি পদত্যাগে রাজি হননি। পরে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা ফজলুল হক হল অফিসের সামনে জড়ো হন। একই সময়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে এক শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। অভিযোগ উঠেছে হলের খেলাধুলার বাজেট নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট শেয়ার করায় শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিমকে প্রভোস্টের অফিসে ডেকে নিয়ে ফোন চেক করা হয়। এ ছাড়া হলের সিট বাতিলের হুমকি দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়াসহ মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। ছাত্রদলের নেতারা বলেন, ছাত্রশিবির বিভিন্ন হল থেকে নেতাকর্মী এনে হলে মব সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের নেতারা সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল ‘নির্যাতক প্রভোস্টের পক্ষ’ নিয়েছে। ঘটনাস্থলে ছাত্রশিবিরের অমর একুশে হলের এজিএস ওবায়দুর রহমান হাসিবকেও দেখা যায়। তাঁর হাতে একটি ছোট বস্তায় কয়েক জোড়া জুতা ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। মো. ইব্রাহিম বলেন, প্রথমে হলের শিক্ষার্থীরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চেয়েছিলেন। ফুটেজ দেখানো হলে প্রভোস্টের অফিসে দরজা বন্ধ করে তাঁকে হেনস্তা করার প্রমাণ শিক্ষার্থীরা পেতেন। রাত ২টা পেরিয়ে গেলেও ফুটেজ দেখানো হয়নি। পরে ঘটনাটি ‘চিরাচরিত প্রথা’ অনুযায়ী ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দ্বন্দ্বে রূপ নেয়। উভয় পক্ষই অন্য হল থেকে নিজেদের লোকজন নিয়ে আসে। এতে মূল ঘটনার বিচার থেকে তিনি বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। রাত ৩টার দিকে প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় হল অফিস থেকে প্রভোস্টকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে এ ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রক্টরকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছেন। ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে প্রভোস্টকে রক্ষার অভিযোগ করা হয়েছে। ছাত্রদল বলছে, ছাত্রশিবির বিচার দাবির বিষয়টি পাশ কাটিয়ে হলের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রক্টরের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ফজলুল হক হল ছাত্রদল। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রভোস্টের পদত্যাগ ও শাস্তি, অভিযুক্ত কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা, হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্যাম্পাসে কোনো ছাত্রসংগঠন যাতে প্রশাসনের হয়ে পেশিশক্তি ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের লিখিত নিশ্চয়তা দাবি করা হয়েছে। এসব দাবি তুলে ধরতে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এ সময় ঢাবি শাখার সভাপতি মহিউদ্দিন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিষয় : ঢাবি আরও পড়ুন রাজশাহীর সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সরকারি চাকরি জনগণের সেবা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ: আইনমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের মতো শুরু ‘এবং বই বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা’ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী সর্বশেষ মোহামেডানে স্প্যানিশ কোচ সান্তিয়াগো ভারেলা সিনেমা নির্মাণে ২৫ লাখ টাকার অনুদান, যেভাবে পাওয়া যাবে ইরান সংকটে পড়ে ট্রাম্পের নজর আবার কেন কিমের দিকে পড়াতে পড়াতে শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষকের মৃত্যু রাজশাহীর সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সরকারি চাকরি জনগণের সেবা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ: আইনমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের মতো শুরু ‘এবং বই বুক রিভিউ প্রতিযোগিতা’ মূত্রথলি থেকে বের হলো ৩.১ কেজির ‘দানবাকৃতির’ পাথর, রেকর্ডের দাবি আরও পড়ুন ×
ফজলুল হক হলের ঘটনায় ছাত্রদলের বিচার চায় ছাত্রশিবির
রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের ঘটনায় ফৌজদারি আইনে ছাত্রদলের বিচার চেয়েছে ছাত্রশিবির। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তারা। গতকাল (সোমবার) ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান বলেন, ফজলুল হক মুসলিম হলের সাম্প্রতিক ঘটনাটি ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি। মহিউদ্দিন খান অভিযোগ করেন, হলের খাবারের মান নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনামূলক পোস্ট দেওয়ার পর এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্ট তার কার্যালয়ে ডেকে নেন। সেখানে ওই শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে হলের কয়েকজন কর্মচারীর সহায়তায় তাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিকভাবে হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে ছাত্রত্ব ও হলের সিট বাতিল এবং সাইবার মামলার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ১৬ আগস্ট রাতে প্রভোস্টকে কার্যালয় থেকে বের করে নেওয়াকে কেন্দ্র করে শিবিরের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে ফজলুল হক মুসলিম হলের ভিপি আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসান, পাঠকক্ষ সম্পাদক মো. তায়েফসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ছাত্রদলের ভূমিকার সমালোচনা করে মহিউদ্দিন খান বলেন, একজন শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর ছাত্রসংগঠন হিসেবে ছাত্রদলের উচিত ছিল তার পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু তারা একজন প্রভোস্টকে রক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে শিবিরের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো— ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনকে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, শিক্ষার্থীর মোবাইল কেড়ে নেওয়া ও গায়ে হাত তোলার অভিযোগে জড়িত হল কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা, সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পর্যালোচনা করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ও ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির ক্ষেত্রে কোনো ছাত্রসংগঠন যেন পেশিশক্তি প্রয়োগ করে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করতে না পারে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের লিখিত নিশ্চয়তা দেওয়া। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষের কক্ষে এক শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক লিখিত বক্তব্য নেওয়ার অভিযোগ উঠলে গতকাল রাতে প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে কার্যালয় অবরুদ্ধ করা হয়। প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধারে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলায় হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম ও জিএস ইমামুল হাসানসহ অন্তত ছয়জন আহত হন বলে জানিয়েছে ছাত্রশিবির। সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এজেডআর/আরএফ/এনএফ
ঢাবির ফজলুল হক হল অফিসে তালা
ঢাবির ফজলুল হক হল অফিসে তালা ছাত্রদল-শিবিরের পালটাপালটি অভিযোগ Advertisement ঢাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এবং এর প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পালটাপালটি বক্তব্য দিয়েছে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। এর মধ্যে হল অফিস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ছাত্রদলের অভিযোগ : উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে ফজলুল হক মুসলিম হল শাখা ছাত্রদল প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি জানিয়েছে। স্মারকলিপিতে বলা হয়, এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্টের কার্যালয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিকভাবে হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোর করে লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে আন্দোলনের নামে বিভিন্ন হল থেকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের এনে হল অফিসের সামনে ‘মব’ তৈরি ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ করেছে ছাত্রদল। এসব ঘটনারও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে তারা। চার দফা দাবি শিবিরের : প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনকে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সংগঠনটির অভিযোগ, ফেসবুকে হলের খাবারের মান নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট দেওয়ায় এক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্টের কক্ষে ডেকে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে প্রভোস্টের কর্মচারীদের মাধ্যমে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। ছাত্রত্ব ও সিট বাতিল এবং সাইবার মামলার ভয় দেখিয়ে তাকে লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর করানো হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিবিরের দাবি, পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করানো হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে হল সংসদের ভিপি খন্দকার মো. আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসান, পাঠকক্ষ সম্পাদক মো. তায়েফসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন বলে দাবি করেছে শিবির। ডাকসুর দাবি : প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও পদত্যাগ দাবি করেছে ডাকসু। এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, প্রভোস্টের কক্ষে এক শিক্ষার্থী ও কর্মচারীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। জিএস এসএম ফরহাদ সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ, নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি দাবি করেন। তিন দফায় হল অফিস বন্ধ : শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ, অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বহিষ্কারসহ ব্যবস্থা এবং ফুটেজ মুছে ফেলা হলে অভিযোগ সত্য ধরে নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনা। হলের শিক্ষার্থী আবু নাঈম জানান, কোনো সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় হল অফিস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ও উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হবে। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি : রোববারের ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতনকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. শান্টু বড়ুয়া, ড. এনামুল হক সজীব ও মীর মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন আলী। ফজলুল হক মুসলিম হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষক ড. মো. আল আমীন সিকদার সদস্যসচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঢাবিতে প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ ও বের করা নিয়ে ছাত্রশিবির–ছাত্রদলের মারামারি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে মারামারি। গতকাল রোববার গভীর রাতেছবি: সংগৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করা ও বের করে আনাকে কেন্দ্র করে গতকাল রোববার গভীর রাতে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে হলের এক শিক্ষার্থীকে তাঁর কক্ষে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করেছেন। গতকাল দুপুরে তাঁর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে তাঁকে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মী, ডাকসু ও হল সংসদের নেতা–কর্মীরা তাঁকে অবরুদ্ধ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে প্রাধ্যক্ষকে সেখান থেকে বের করে নিতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা যান। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম ও জিএস ইমামুল হাসান রয়েছেন। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, আহত শিক্ষার্থীদের অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রাধ্যক্ষকে কার্যালয় থেকে বের করে নিতে রাতে সেখানে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল প্রাং এবং কয়েকজন সহকারী প্রক্টর। একপর্যায়ে তাঁদেরও প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে দুই সহ-উপাচার্য সেখান থেকে বের হয়ে যান। এ সময় প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ের গেটে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল প্রাংয়ের সঙ্গে হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসানসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। সে সময় প্রক্টর ও প্রাধ্যক্ষকে সেখান থেকে বের করে নিতে চাইলে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে শিবিরের ও হল সংসদের নেতা–কর্মীদের হাতাহাতি হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল প্রাং ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান। পরে ছাত্রদলের একদল নেতা-কর্মী প্রক্টর ও প্রাধ্যক্ষকে তাঁর কার্যালয় থেকে বের করে নিয়ে যান বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে মারামারি। গতকাল রোববার গভীর রাতেছবি: সংগৃহীত ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি তামি সাংবাদিকদের বলেন, অন্যান্য হল থেকে শিবিরের নেতা-কর্মীরা সেখানে এসেছিলেন। পরে ভিপি-জিএসদের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সেখানে যান। ছাত্রদলের নেতৃত্বে প্রাধ্যক্ষকে বের করে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা ভেতরে যাইনি। হল ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সেখানে গিয়েছিল।’ ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ অভিযোগ করেন, ছাত্রদল একপক্ষীয় হামলা চালিয়েছে। ছাত্রদলের এই হামলাকে ‘মারামারি’ হিসেবে জাস্টিফাই করাটা অন্যায় বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যখন প্রভোস্টের কাছে জবাব চাইতে গেছেন বা সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার করতে গেছেন, তখন ছাত্রদল ছাত্রলীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় এবং তাঁদের ওপর হামলা করে। প্রভোস্টকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল প্রাং বলেন, ‘হয়তো কোনো পক্ষ চাইছিল একটা ধাক্কাধাক্কি বা ঝামেলা তৈরি হোক। একজন মানুষ চাইলে অনেক কিছুই করতে পারে, তাই এখানে উদ্দেশ্যটা দেখতে হবে। তবে সবকিছু মিলিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, এটা সুস্থ ধারার কোনো দাবি আদায়ের প্রক্রিয়া নয়। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া হতে পারে না।’ এ বিষয়ে তদন্ত করতে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আরও পড়ুন ফেসবুক পোস্ট ঘিরে শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ১৬ আগস্ট ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে তাঁকে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানো, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া এবং জোরপূর্বক লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন। তিনি বলেছেন, ওই শিক্ষার্থী তাঁর সম্পর্কে ‘সঠিক নয়’—এমন কিছু কথা ফেসবুকে লিখেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে হল সংসদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁকে ডেকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষার্থী কথোপকথন রেকর্ড করছিলেন বুঝতে পেরে ফোনটি বের করতে বলা হয় এবং পরে রেকর্ড করা বিষয়টি শিক্ষার্থী নিজেই মুছে দেন। প্রাধ্যক্ষের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীকে বুঝিয়ে বলেছেন এবং পরে নাশতা করিয়ে তাঁকে চলে যেতে দিয়েছেন। দরজা বন্ধ করে আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ঘটনাটি দিনের বেলা তাঁর কার্যালয়ে ঘটেছে এবং সেখানে হলের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ইসলামী ছাত্রশিবিরছাত্রদল
