গুদামে দখলে এসে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে হামলা
Why this classification
This is a specific physical clash on 18 April 2026 in Patharghata, Barguna, in which seven people from both families were injured. Attackers also demolished part of a pan warehouse and threw its goods into a pond, and chili powder was reportedly sprayed on people.
Killed
0
Injured
7
Summary
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) সকাল ১১টার দিকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের সাতজন আহত হন। অভিযোগ অনুযায়ী হামলাকারীরা একটি পানের গুদামের অংশ ভেঙে মালপত্রসহ পুকুরে ফেলে দেয় এবং বাধা দিতে এলে মরিচের গুঁড়া ছিটায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 7
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
গুদামে দখলে এসে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে হামলা
গুদামে দখলে এসে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে হামলা পাথরঘাটায় উভয়পক্ষের সাতজন আহত গুদামের মালপত্র পুকুরে ফেলে দিচ্ছে হামলাকারীরা। শনিবার সকালে পাথরঘাটা বাজারের পূর্ব মাথায় মাংসের দোকান সংলগ্ন এলাকায়। ছবি: সমকাল পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭:৫৪ বরগুনার পাথরঘাটায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি পানের গুদামের কিছু অংশ ভেঙে মালপত্রসহ পুকুরে ফেলে দেয় হামলাকারীরা। তাদের বাধা দিতে এলে নারী ও কিশোরেরা মরিচের গুঁড়া ছিটায় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলায় আহত উভয়পক্ষের ব্যক্তিরা হলেন– মিজানুর রহমান, তাঁর ভাবি হাফিজা বেগম, মো. সোহাগ, মুছা, রকি, তাছলিমা ও খাদিজা। আহত মিজানুর রহমানের ভাষ্য, তারা পাথরঘাটা বাজারের পূর্ব মাথায় মাংসের দোকান সংলগ্ন এলাকায় কেনা এক শতাংশ জমিতে ৫২ বছর ধরে ঘর তুলে বসবাস করছেন। ঘরের সামনের অংশ পানের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তাঁর প্রতিবেশী মৃত হামেজ খানের ছেলেমেয়েরা ঘরটি দখলের পাঁয়তারা শুরু করেন। এ নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, শনিবার সকালে তারা ঘরটির চালা মেরামত শুরু করেন। তখন প্রতিপক্ষ পরিবারের একদল নারী ও কিশোর তাদের শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটাতে থাকেন। এ সময় তাদের মারধর করে ঘরটির একাংশ ভেঙে পুকুরে ফেলে দেয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিপক্ষ পরিবারের মৃত হামেজ খানের মেয়ে তাছলিমার দাবি, ‘ওই জায়গা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। ওরা জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। প্রশাসনের কাছে গিয়েও আমরা পাত্তা পাইনা। সেই জায়গা উদ্ধারে গেলে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়।’ পাথরঘাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সালাম বলেন, এই বিষয়টা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ঝামেলা চলছে। হামেজ খানের ছেলেমেয়েরা একের পর এক অন্যের জমি দখল করে আসছে। একইভাবে মিজানের জমিও দখল করতে চেয়েছিলেন তারা। এ নিয়েই সমস্যাটি হয়েছে। তারা অনেকবার সালিশ করেছেন। তবে বিষয়টি একপক্ষ না মানায় বারবার ঝামেলার সৃষ্টি হচ্ছে। বক্তব্য জানতে পাথরঘাটা থানার ওসি এনামুল হকের মোবাইল ফোনে কয়েক দফায় কল দিলেও ধরেননি। ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৌরভ বলেন, ঘর দখলের খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উভয়পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলেছেন। সেখানেই বিষয়টির সমাধান হবে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় আহত হাফিজা বেগম একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে হামলা আহত ৭
পাথরঘাটায় জমি নিয়ে বিরোধ মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে হামলা আহত ৭ Advertisement পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পাথরঘাটায় জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে নারীদের বিরুদ্ধে একটি পানের গুদামে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে সাতজনকে আহত করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটা বাজারের পূর্ব মাথায় একটি মাংসের দোকানসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা গুদামের সামনের অংশ ভাঙচুর করে পুকুরে ফেলে দেয়। এ সময় প্রতিপক্ষ বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে মারধর করা হয়। আহতরা হলো মিজানুর রহমান, মো. সোহাগ, মুছা, রকি, হাফিজা বেগম, তাছলিমা ও খাদিজা। এর মধ্যে মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী হাফিজা বেগমকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহত মিজানুর রহমান জানান, প্রায় ৫২ বছর আগে ক্রয় করা এক শতাংশ জমির ওপর তারা বসবাস করছেন। ঘরের সামনের অংশ পানের গুদাম হিসাবে ব্যবহার করেন। তার অভিযোগ, প্রতিবেশী মৃত হামেজ খানের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জমিটি দখলের চেষ্টা করছে। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে। শনিবার ঘরের চালা মেরামতের সময় একদল নারী এসে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে তাদের মারধর করে এবং ঘর ভাঙচুর করে। অন্যদিকে মৃত হামেজ খানের মেয়ে তাছলিমা দাবি করেন, জায়গাটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। তারা সেটি উদ্ধারে গেলে প্রতিপক্ষ তাদের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সালাম বলেন, বিষয়টি দীর্ঘদিনের বিরোধ। একাধিকবার সালিশি বৈঠক হলেও কোনো পক্ষ সমাধানে রাজি না হওয়ায় বারবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।
