ঘেরের পানি সরাতে কাটা হলো বিদ্যালয়ের মাঠ
Why this classification
The article describes a destructive act (cutting the school field) ordered by Union Parishad member Shafiqul Islam Shobuj, without any political party clash or armed confrontation, so it is not classified as political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
গত রোববার বিকেলে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে শোটা শিবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ কাটা হয়, যাতে মাছের ঘেরের জমা পানি বের করা যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম সবুজের নির্দেশে কাজটি করা হয় এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঘেরের পানি সরাতে কাটা হলো বিদ্যালয়ের মাঠ
ঘেরের পানি সরাতে কাটা হলো বিদ্যালয়ের মাঠ পটুয়াখালীর গলাচিপায় কেটে দেওয়া ছোট শিবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ। ছবিটি গতকাল সোমবারের সমকাল গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬ | ০৮:১০ | প্রিন্ট সংস্করণ পটুয়াখালীর গলাচিপায় মাছের ঘেরে জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরাতে কাটা হয়েছে একটি বিদ্যালয়ের মাঠ। গত রোববার বিকেলে উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ছোট শিবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি কাটা হয়। এলাকাবাসীর ভাষ্য, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম সবুজের নির্দেশনায় এই কাজ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, চর শিবা গ্রামের ওই অংশ থেকে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য বেড়িবাঁধের নিচে পাইপ বসানো ছিল। সেই পাইপ দিয়েই পানি সরে যেত। কিন্তু ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম সবুজ কয়েক বছর আগে মাছের ঘের তৈরির সময় পাইপগুলো তুলে ফেলেন। এমনকি বন্ধ করে দেন একটি কালভার্টও। ফলে ওই এলাকায় পানি জমে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তির ভাষ্য, ওই এলাকার উত্তর পাশে ড্যানিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (ড্যানিডা) অর্থায়নে সড়ক নির্মাণের সময় ১২ ফুট বাই ২০ ফুটের কালভার্ট তৈরি করা হয়েছিল। এটি দিয়ে ২০২২ সাল পর্যন্ত পানি সরে যেত। কিন্তু ওই বছরই ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম সবুজের সহায়তায় কালভার্টটি বন্ধ করে রিয়াজ নামে এক ব্যক্তি পুকুর ও ঘের নির্মাণ করেন। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে ঘেরটি তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে রোববার বিকেলে পানি সরানোর জন্য ইউপি সদস্যের নির্দেশনায় বিদ্যালয়ের মাঠটি কেটে ফেলা হয়। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ঘেরের জমিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহাবুবেরও অংশ রয়েছে। মাছ বিক্রির লভ্যাংশ তিনিও পান। মাটি কাটার সময় কিছু লোক বাধা দিলে ইউপি সদস্য তাদের হুমকি-ধমকি দেন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তিশা বলল, ‘বিদ্যালয়ের মাঠ কেটে ফেলায় আমরা খেলাধুলা করতে পারছি না। এ ছাড়া স্কুল বিল্ডিং ঘেঁষে এমনভাবে কাটা হয়েছে, তাতে আমাদের চলাচলেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক শরীফ জানান, ১০-১৫ দিন আগে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদনও দেওয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানিয়েই ইউপি সদস্য মাঠটি কেটে ফেলেন। অন্য জায়গা দিয়েও পানি নামানো যেত বলে মনে করেন তিনি। বক্তব্য জানতে চরকাজল ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলাম সবুজের মোবাইল ফোনে কয়েক দফায় কল দিয়েও সংযোগ পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহাবুবের ভাষ্য, ‘ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় ওই ভবনে পাঠদান করা হচ্ছে না। তবে আমি বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট করার চেষ্টা করছি।’ এ ঘটনায় তিনি জড়িত কিনা প্রশ্ন করা হলে ‘ব্যস্ত আছি’ বলে সংযোগ কেটে দেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম ছগির জানান, এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক জড়িত আছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে থানার ওসিকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক। - বিষয় : - বিদ্যালয়
