শিক্ষক হেনস্তার ঘটনা ঘটেনি দাবি করে বিচারপতির পক্ষে জিডি

AI-classifiedconfidence 60%

Why this classification

Classmates allegedly slapped, kicked and physically humiliated the judge's son at school on April 17, 2026, and other students threatened to kill him. This is a concrete physical attack within the 14-day window, although it is based on a police diary filed by the judge's office and the exact date is inferred from the article's wording.

Reported by:Dhaka PostSingle source
16/04/26•উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ

Killed

0

Injured

0

Summary

ঢাকার উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল পরীক্ষা দিতে গেলে বিচারপতি মো. আলী রেজার ছেলে নাঈমকে সহপাঠী সানজিদ ও ফাহিম চড়-থাপ্পড় ও লাথি মেরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ সময় নাহিয়ান ও রোহানসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে জীবননাশের হুমকি দেয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

60% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

নাঈম রেজা (দশম শ্রেণির ছাত্র, বিচারপতির ছেলে)সানজিদ (সহপাঠী)ফাহিম (সহপাঠী)নাহিয়ান (শিক্ষার্থী)রোহান (শিক্ষার্থী)মো. আলী রেজা (হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি)দয়াল চন্দ্র পাল (শিক্ষক)

Tags

AttackBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 26/04/26open original ↗

শিক্ষক হেনস্তার ঘটনা ঘটেনি দাবি করে বিচারপতির পক্ষে জিডি

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আলী রেজা উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে বাসভবনে ডেকে অপমান করেছেন দাবি করে রোববার (২৬ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রধান বিচারপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। তবে বিচারপতির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উল্টো বিচারপতিকে সামাজিক মাধ্যমে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে রমনা থানায় জিডি করেছেন তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় এবং বিচারপতি আলী রেজার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ এবং বিচারপতির পক্ষে হওয়া জিডির অনুলিপি ঢাকা পোস্টের হাতে এসেছে। রমনা থানায় করা বিচারপতির ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমানের জিডিতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বিচারপতির ছেলেকে কোচিংয়ে না যাওয়ার কারণে মারধর করেন এবং এ নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। জিডির মাধ্যমে মূলত শিক্ষক হেনস্তার অভিযোগের বিষয়ে বিচারপতি আলী রেজা তার অবস্থান তুলে ধরেছেন। ঢাকা পোস্টের হাতে আসা জিডির অনুলিপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৩৬ মিনিটের দিকে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল বিচারপতি মো. আলী রেজাকে ফোন করেন। আলাপকালে ওই শিক্ষক বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি কি নাঈমের বাপ? আপনি স্কুলে আসেন। জবাবে বিচারপতি জানান যে, তিনি বর্তমানে হাইকোর্টে অবস্থান করছেন এবং কোর্ট চলাকালীন তার পক্ষে স্কুলে যাওয়া সম্ভব নয়। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতির সন্তান নাঈম রেজা উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল শ্রেণিকক্ষে সবার উপস্থিতিতে নাঈমকে মারধর করেন। আদালত শেষে বাসভবনে ফিরে ঘটনার বিস্তারিত জানতে বিচারপতি ওই শিক্ষককে সন্ধ্যায় পরপর চারবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে বিচারপতি প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আ ন ম শামসুল আলম খানকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং কোচিংয়ে না যাওয়ার কারণে তার ছেলেকে কেন মারধর করা হয়েছে তা জানতে চান। অধ্যক্ষ এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে অধ্যক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক দয়াল ও অন্য একজন শিক্ষককে নিজের বাসভবনে চায়ের আমন্ত্রণ জানান বিচারপতি। গত ১৮ এপ্রিল বিকেলে শিক্ষক দয়াল ও সহকারী শিক্ষক মো. নাসির বিচারপতির বাসভবনে যান। সেখানে তারা নিজেদের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বস্ত করেন। বিচারপতিও বিষয়টি সেখানেই সমাধান হয়েছে বলে ধরে নেন। এমনকি বিচারপতির ছেলে নাঈম শিক্ষকদের লিফট পর্যন্ত এগিয়ে দেয়। তবে ঘটনার পরদিন নাঈম স্কুলে পরীক্ষায় অংশ নিতে গেলে তার সহপাঠী সানজিদ ও ফাহিম তাকে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মেরে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ সময় নাহিয়ান ও রোহানসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে জীবননাশের হুমকি দেয়। সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবে ওই দিন বিকেলেই টিসির (ছাড়পত্র) জন্য অধ্যক্ষকে অনুরোধ জানান বিচারপতি আলী রেজা। পরে ২১ এপ্রিল ছেলেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান। এরপরও ২৩ এপ্রিল রাতে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও আইডি থেকে বিচারপতির বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট ও জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হলো। এমএইচডি/এমএন