ভিডিও বিতর্কের মধ্যেই জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ
Why this classification
প্রতিবেদনটি স্পষ্টভাবে একটি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের (গাজী নজরুল ইসলাম) নির্দেশে সহকারীকে লাঠি দিয়ে আক্রমণ ও গুরুতর আঘাতের ঘটনা বর্ণনা করে, যা রাজনৈতিক প্রেরণার সঙ্গে যুক্ত, তাই এটি রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
1
Summary
১৪ জুলাই রাত ১১:৩০ টায় গাজী নজরুল ইসলামের গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুর রহমানকে তিনজন ব্যক্তি লাঠি দিয়ে আক্রমণ করে গুরুতর আহত করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন যে হামলার মূল হোতা ও নির্দেশদাতা সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
93% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ভিডিও বিতর্কের মধ্যেই জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যে এবার নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি আবেদনপত্রের কপি ঢাকা পোস্টের হাতে এসেছে, যেখানে ওবায়দুর রহমান নামে এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি গাজী নজরুল ইসলামের গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। আবেদনপত্রে তিনি অভিযোগ করেছেন, তার ওপর হামলার মূল হোতা ও নির্দেশদাতা সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। গত সোমবার (২০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর মাধ্যমে পাঠানো ওই আবেদনপত্রে ওবায়দুর রহমান নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান। আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ১৪ জুলাই রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে পল্লবী থানাধীন উত্তর কালশীর আলীনগরে অবস্থিত রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২-এর ডি-২ ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তিনজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা হলেন- আমিন (পিতা- জব্বার সরদার, (দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত পুলিশের এসআই), মাসুম বিল্লাহ এবং মোস্তাসিম বিল্লাহ (উভয়ের পিতা ইউনুস সরদার)। আবেদনপত্রে ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, একপর্যায়ে তার গোঙানির শব্দ ও মারধরের আওয়াজ শুনে পাশের কক্ষ থেকে তার মা ও ছোট বোন এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের সহযোগিতায় তিনি একটি সিএনজিযোগে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন। আবেদনপত্রে তিনি আরও দাবি করেন, আমি তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ছিলাম। সেই সুবাদে তার সকল প্রকার দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজের আমি চাক্ষুষ সাক্ষী। এ কারণেই তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আবেদনপত্রে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমি দখল, বালুমহল দখল, ঘুষ গ্রহণ, মব বাহিনী গঠন, নারীঘটিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগও তোলা হয়েছে। এছাড়া ২২ জুন, ৯ জুলাই এবং ১৩ জুলাই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এক তরুণীকে নিয়ে অবস্থানের দাবিও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে আবেদনপত্রে কোনো প্রামাণ্য নথি সংযুক্ত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আবেদনপত্রের শেষাংশে ওবায়দুর রহমান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধির ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইব্রাহিম খলিল/এসএইচএ
