নিখোঁজের দুই দিন পর মাছের ঘের থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Satkhira. Parties reported: Unknown. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 2 sources.
Killed
1
Injured
0
Summary
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুলপোতায় নিখোঁজের দুই দিন পর শুক্রবার আব্দুর রহমান নামে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
87% · severity 7
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সাতক্ষীরায় ডোবা থেকে মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
সারাদেশ সাতক্ষীরায় ডোবা থেকে মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার × প্রতীকী ছবি কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬ | ১২:২৩ - অ + সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মেহেদী হাসান (৩২) নামে এক মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে একটি মোবাইল ফোন টাওয়ারসংলগ্ন ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তার স্ত্রী ও চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোহরা খাতুনের বোন সালেহা খাতুন ময়লা ফেলতে গিয়ে ডোবায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, 'আমার ছেলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। আমরা ভেবেছিলাম হয়তো পাশের আলাইপুর গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে গেছে। সকালে লোকজন এসে জানায়, কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করে জালালাবাদ এলাকায় ফেলে রেখে গেছে।' খবর পেয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন, কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়। কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, 'প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মেহেদী হাসানকে হত্যা করে মরদেহ ডোবায় ফেলে রেখে গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' বিষয় : সাতক্ষীরা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার আরও পড়ুন ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা: যা বললেন এমপি মনির আইএমইআই পরিবর্তন করে মোবাইল-ল্যাপটপ বিক্রি করতেন তারা: সিএমপি সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, আরিফুল বাবরসহ খালাস ৯ ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সাজা সর্বশেষ ভেনেজুয়েলায় নিহত ছাড়াল ১৬০, আহত হাজার এক বছরে সেবা খাতে ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন: টিআইবি সমকালের জাহিদসহ ৯ সাংবাদিক পেলেন কৃষি মিডিয়া পুরস্কার ইমাম ও মুয়াজ্জিনের সংখ্যা জানা নেই: সংসদে ধর্মমন্ত্রী ৩৬ দিনের কর্মসূচি দিল ১১ দলীয় জোট জামায়াতের কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের নিন্দা দেশের নদীর সংখ্যা ১৪১৫, অবৈধ দখলদার ২১ হাজার ৯৮৮: সংসদে নৌপরিবহনমন্ত্রী বাজেটের বড় দুর্বলতা উচ্চ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা: ড. মোস্তাফিজুর আরও পড়ুন × ×
নিখোঁজের দুই দিন পর মাছের ঘের থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুলপোতা এলাকায় নিখোঁজের দুই দিন পর আব্দুর রহমান (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সরকারি আবাসন প্রকল্পে তাদের বসতঘরের পেছনের একটি মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আব্দুর রহমান কুলপোতা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। সে কুলপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। পরিবারটি সরকারি আবাসন প্রকল্পে বসবাস করত। স্থানীয় বাসিন্দা আখলাকুর রহমান জানান, গত বুধবার থেকে আব্দুর রহমান নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজন সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। আজ বেলা ১১টার দিকে সরকারি আবাসন প্রকল্পে তাদের বসতঘরের পেছনে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। জানা যায়, আব্দুর রহমানের ৫ বছর বয়সে তার মা-বাবার ছাড়াছাড়ি হয়। পরে তার মা অন্যত্র বিয়ে করেন। এরপর থেকে সে তার খালার কাছে বড় হতে থাকে। খালা শেফালি খাতুন বলেন, `গত বুধবার আমি ও আমার স্বামী সাতক্ষীরায় ডাক্তারের কাছে যাই। ফিরে এসে আব্দুর রহমানের খোঁজ পাচ্ছিলাম না। আর আজকে তারে মৃত অবস্থায় পাইলাম।' সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মরদেহের কয়েকটি স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে সুরতহাল প্রতিবেদনে।ওসি আরও জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
