কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে পুলিশ
Why this classification
A college student was allegedly lured to an under-construction building and thrown from the eighth floor into a lift shaft, which is a concrete murder incident on 12 April 2026. Police suspect a local gang led by Enayet Ullah and Aimon, but the case is still under investigation.
Killed
1
Injured
0
Summary
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় থাকা কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদকে ১২ এপ্রিল ডেকে নিয়ে মৌসুমি আবাসিক এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের আটতলা থেকে লিফটের গর্তে ফেলে হত্যা করা হয়, যা ১৬ এপ্রিল জানাজানি হয়। পুলিশের ধারণা, এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী এনায়েত উল্লাহ ও আইমনের দল এই হত্যায় জড়িত।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
88% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে পুলিশ
চট্টগ্রামে কলেজছাত্র সাজিদ হত্যা কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে পুলিশ সন্ত্রাসী এনায়েত-সাইমন এ ঘটনায় জড়িত বলে ধারণা তৌফিকুল ইসলাম বাবর, চট্টগ্রাম প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:০৬ | প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন ভবনের আটতলা থেকে লিফটের গর্তে ফেলে কলেজছাত্র আশফাক কবির সাজিদ হত্যায় জড়িতরা এলাকার চিহ্নিত ও দাগি সন্ত্রাসী। নগরীর বাকলিয়া ও চকবাজার থানার বিভিন্ন এলাকাকে তটস্থ করে রাখে তারা। সংঘবদ্ধ এই সন্ত্রাসী দলটির নেতৃত্বে রয়েছে এনায়েত উল্লাহ ও তার প্রধান সহযোগী আইমন। তাদের বাহিনীর রয়েছে একটি ‘কিশোর গ্যাং’। এই গ্যাংয়ের সদস্যদের ব্যবহার করে এলাকায় নির্বিচারে চাঁদাবাজি করে এনায়েত ও আইমন। এনায়েত উল্লাহ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, মাদক, চাঁদাবাজি, অস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ১৫ থেকে ১৬টি মামলা রয়েছে। আইমনের বিরুদ্ধেও রয়েছে একই ধরনের সাতটি মামলা। তবে সাজিদ কেন তাদের শিকারে পরিণত হলো, এ নিয়ে পরিষ্কার কিছু ধারণা দিতে পারছে না পুলিশ। চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায়। তবে লেখাপড়ার কারণে তিনি চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া ডিসি রোড কবরস্থানের পাশের একটি ব্যাচেলর বাসায় থাকতেন। কিন্তু গত ১২ এপ্রিল তাকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয় দেড় কিলোমিটার দূরের মৌসুমি আবাসিক এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে। তবে ঘটনাটি জানাজানি হয় গত বৃহস্পতিবার। কলেজছাত্র সাজিদ এনায়েত-আইমন গ্রুপের সদস্য নয়। ফলে অন্তর্কোন্দলের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। তাই পুলিশ ধারণা করছে, সাজিদের বাড়ি চকরিয়ায় হলেও লেখাপড়ার কারণে নগরীর ডিসি রোডের কবরস্থান এলাকার একটি ব্যাচেলর বাসায় থাকত। ফলে স্থানীয় কিশোর ও তরুণদের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাতে এনায়েত-আইমন গ্রুপের পথের কাঁটা হয়ে ওঠে সে। আর সেই কাঁটা দূর করতেই পরিকল্পিতভাবে সাজিদকে হত্যা করা হয়েছে। তবে আরও কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে খুনের ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলেই খুনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বাকলিয়া ডিসি রোড ও মৌসুমি আবাসিক এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এনায়েত ও আইমন শুধু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যই নয়, তারা দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীও। ৩০ থেকে ৩৫ জনের এই বাহিনীর বেশির ভাগের বয়সই কিশোর বয়সী। অনেক বখাটের পাশাপাশি স্কুল-কলেজ পড়ুয়াও রয়েছে এই বাহিনীতে। এলাকায় দল বেঁধে চলে তারা। - বিষয় : - হত্যা
