অভয়নগরে কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর চাঁদা দাবি
Why this classification
This is a single, recent incident in which a shop owner was beaten with local weapons and robbed of 40,000 taka after refusing to pay an extortion demand. The accused deny the allegations, and the article does not confirm their party affiliation.
Killed
0
Injured
1
Summary
যশোরের অভয়নগরে শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) রাতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির পর 'মাহী ফ্যাশন' দোকানের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ভৈরব নদীর তীরের ওয়াকওয়েতে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে তাঁর ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। অভিযুক্তরা থানা বিএনপির এক নেতার নাম ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে, তবে অভিযুক্ত এফএম রাব্বি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
অভয়নগরে কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর চাঁদা দাবি
বিএনপির নেতার প্রভাব অভয়নগরে কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর চাঁদা দাবি Advertisement অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ অভয়নগরে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ‘মাহী ফ্যাশন’ নামে একটি কাপড়ের দোকানের মালিককে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে রোববার বাজারের কাপুড়িয়া পট্টির নওয়াপাড়া সুপার মার্কেটে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি তারা সকাল-সন্ধ্যা মার্কেটের ৩২টি দোকান বন্ধ রাখেন। জানা যায়, শনিবার রাতে উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের এফএম রাব্বিসহ ৪-৫ জন মাহী ফ্যাশনে প্রবেশ করে। তারা দোকানের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আওয়ামী লীগের সমর্থক উল্লেখ করে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে থানা বিএনপির এক নেতার নাম ব্যবহার করে তারা মামুনকে দোকান থেকে ডেকে ভৈরব নদীর তীরবর্তী পৌরসভার ওয়াকওয়েতে নিয়ে যায়। সেখানে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করা হয় এবং নগদ ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বিষয়টি পুলিশকে জানালে খুন করে লাশ গুমের হুমকি দিয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পর শনিবার দোকানের মালিক হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত এফএম রাব্বি বলেন, মারধর ও চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি ব্যবসায়ীরা প্রমাণ দিতে পারবে না। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। ওসি এসএম নুরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।
