দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ ছাত্রদল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে
Why this classification
This incident was classified as political violence in Chuadanga. It involved BNP against Locals. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
1
Summary
চুয়াডাঙ্গার সুমিরদিয়া নীলার মোড়ে এক মুদি দোকানিকে মারধর করে ১৪ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ২০ আগস্ট রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কাওছার আলী।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ ছাত্রদল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে
দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ ছাত্রদল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে Advertisement দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম ফাইল ছবি চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সুমিরদিয়া নীলার মোড়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে এক মুদি দোকানি ও বিকাশ এজেন্টকে মারধর করে ১৪ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, আগামী সোমবারের মধ্যে আরও এক লাখ টাকা দিতে চাপ এবং টাকা দিতে না পারলে এক লাখ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর অথবা মোটরসাইকেল নিয়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী কাওছার আলী। শনিবার বিকালে তার দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করা হলে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কাওছার আলী (৩২)। অভিযোগে ছাত্রদলের তপু, তিতাস, সজল, মুন্না, ইকবাল, সজীব ও আশার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৬-৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগে কাওছার আলী বলেন, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে তপু ও তিতাস তার দোকানে গিয়ে তাকে মারধর করেন। পরে জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে কেদারগঞ্জ আদর্শ স্কুলের মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নৈশপ্রহরী সাগরের উপস্থিতিতে তাকে আবারও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ১৪ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সদস্য ইকবাল। তিনি বলেন, এলাকার এক ছোট ভাইয়ের এনআইডি ব্যবহার করে অনলাইন ক্যাসিনোতে জুয়া খেলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। ওই ছোট ভাই ক্যাসিনোতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা বিকাশে পায়। টাকা তুলতে কাওছার তাকে এনআইডি কার্ড নিয়ে দোকানে আসতে বলেন। সে এনআইডি কার্ড নিয়ে দোকানে এলে কাওছার বলেন, তার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। কাওছারের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা নেওয়া, মারধর করা ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওটি দেখেছেন বলে জানান চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মমিন মালিতা। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে ঘটনাটি দেখেছেন তিনি। অভিযোগে যাদের নাম এসেছে, তাদের অনেকের ছাত্রদলের পদ-পদবি থাকলেও থাকতে পারে। তবে বিষয়টি যাচাই-বাছাই না করে এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তারা ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী বলেও জানান তিনি। মমিন মালিতা আরও বলেন, প্রকাশিত ভিডিওতে একজনকে মারধর করতে দেখা যাচ্ছে। তবে অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের অনেকেই ভিডিওতে উপস্থিত ছিলেন না। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
