বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ
Why this classification
The article reports a specific incident of rape of a child in Bhaluka, Mymensingh, on 14 June 2026. This is a violent crime and falls under gender-based violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহের ভালুকায় বিস্কুট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৯ বছরের এক শিশুকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে ইসমাইল হোসেন নামে এক যুবক। ঘটনাটি ১৪ জুন দুপুরে ঘটে এবং ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Individual
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Child
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
৫ বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর নদে ফেলে হত্যা, ৩ তরুণ আটক
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কংস নদ থেকে এক শিশুর (৫) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। কদম ফুল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে চার তরুণ মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ করে এবং পরে জীবিত অবস্থাতেই কংস নদে ফেলে হত্যা করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যেই পুলিশের কাছে অপরাধের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। আটককৃতরা হলেন- মারুফ হোসেন (২০), আরিফ হোসেন (১৮) ও রাকিব হাসান (১৯)। তারা সবাই ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের টাঙ্গাহাটি গ্রামের বাসিন্দা। শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে ধোবাউড়া উপজেলার নিজ বাড়ির পাশ থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে স্থানীয় লোকজন কংস নদের একটি বাঁকে শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত ও উদ্ধার করেন। রোববার রাতেই শিশুটির মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি হিসেবে গোসল করাতে নিয়ে যান স্বজনেরা। সে সময় শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে গভীর ক্ষত দেখতে পান তারা। এই অবস্থায় দাফনের প্রস্তুতি স্থগিত রেখে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সোমবার বিকেলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার স্পষ্ট আলামত পাওয়ায় এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে মারুফ, রাকিব ও আরিফকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ময়মনসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার (হালুয়াঘাট সার্কেল) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আটক হওয়া তিনজনের মধ্যে একজনের ভাষ্য অনুযায়ী চারজন মিলেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে। তবে বাকি দুজন এখনো মুখ খোলেনি। এই ঘটনায় মোট চারজন জড়িত ছিল। পলাতক অন্যজনকে আটকের চেষ্টা আমরা চালাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ছোট মেয়েটি সন্ধ্যার দিকে চিপস কিনে বাড়ি ফেরার পথে কদম ফুল দেওয়ার কথা বলে ওই চার তরুণ তাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে নদের পাড়ে জঙ্গলের মতো একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের ফলে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হলে, জীবিত অবস্থাতেই শিশুটিকে নদে ফেলে দেয় তারা। সাখাওয়াত সুমন/আরএআর
বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ
বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ Advertisement ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম ময়মনসিংহের ভালুকায় বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে মোবাইল টাওয়ারের নিচে নিয়ে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে ইসমাইল হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। রোববার (১৪ জুন) দুপুরে উপজেলার গোয়ারী নন্দীবাড়ি এলাকার বাবু নন্দীর মালিকানাধীন জঙ্গলে মোবাইল টাওয়ারের নিচে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেন নামে এক যুবককে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে ওই শিশু নন্দীবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি দোকানে যায়। এ সময় ওই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন বিস্কুট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে দোকানের পেছনে বাবু নন্দীর জঙ্গলে মোবাইল টাওয়ারের নিচে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে ঘটনাটি জানালে মা বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় ইসমাইল হোসেনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভালুকা মডেল থানার এসআই সোহেল রানা জানান, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় একজনকে আসামি করে মামলা হওয়ার পর ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
