রাজশাহী-নাটোর-পাবনা-কুষ্টিয়া সীমান্তের পদ্মার চর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article describes a specific shooting on the night of Monday, 18 May 2026, in which a gang of dacoits fired on Swapan Bepari and Jiaul after Swapan shone a torch at them, injuring both men. Swapan was then abducted and remains missing, so the incident is within the 14-day window and qualifies as an armed attack. The article also covers wider char gang activity, but it centres on this single incident.

Reported by:JugantorSamakalDhaka PostCorroborated · 3 sources
18/05/26•Kalidaskhali Char, Chakrajapur Union, Bagha

Killed

0

Injured

2

Summary

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কালিদাসখালি চরে (১৮ মে ২০২৬) গভীর রাতে ডাকাতদের গুলিতে স্বপন বেপারী ও জিয়াউল গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ জানিয়েছে, স্বপনকে গুলি করে অপহরণ করা হয়েছে এবং চারদিনেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Dacoit gang travelling by trawler (unidentified)Swapan Bepari (40), abductedJiaul, injured

Tags

RobberyGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 20/05/26open original ↗

পদ্মার চরে গভীর রাতে গোলাগুলি, রক্তের আলামত মিললেও নিখোঁজ স্বপন বেপারি

পদ্মার চরে গভীর রাতে গোলাগুলি, রক্তের আলামত মিললেও নিখোঁজ স্বপন বেপারি সংগৃহীত বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬ | ১৮:০৯ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে গভীর রাতে গোলাগুলি ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে স্বপন বেপারি (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে রক্তের আলামত পাওয়ায় স্থানীয়দের ধারণা, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর মৃত অথবা আহত অবস্থায় তাঁকে তুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পুরো চরাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার গভীর রাতে চকরাজাপুর ইউনিয়নের কালিদাসখালী চরে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ স্বপন বেপারি ওই গ্রামের সিদ্দিক বেপারির ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সশস্ত্র দল দুটি ট্রলারযোগে পদ্মার চর এলাকার কালিদাসখালী গ্রামে প্রবেশ করে। এ সময় তাদের গতিবিধি দেখে টর্চলাইটের আলো ফেলেন স্বপন বেপারি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুর্বৃত্তরা স্বপনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দ ও স্বপনের চিৎকার শুনে প্রতিবেশী জিয়াউল হক এগিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। পরে ঘটনাস্থলে স্বপনকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।  নিখোঁজ স্বপনের বাবা সিদ্দিক বেপারি বলেন, ‘ঘটনাস্থলে রক্তের আলামত পাওয়া গেছে। ধারণা করছি, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আমার ছেলেকে তুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।’ এদিকে ঘটনার পর থেকেই চর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই রাতের পর বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘রাতের বেলা হঠাৎ গুলির শব্দে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে বাইরে এসে রক্ত দেখতে পাই।’ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে স্বপন একটি মাদক মামলায় জামিনে কারামুক্ত হন। বাড়ির পাশে তাঁর একটি মুদি দোকান রয়েছে। তবে স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, স্বপন মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। হয়তো এ কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পদ্মার চরে বালুর ঘাটকে কেন্দ্র করে প্রায়ই দুষ্কৃতকারীদের তৎপরতা দেখা যায়। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আগেও গোলাগুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। ডাকাতির ঘটনাও একাধিকবার ঘটেছে।’ প্রতিবেশী জিয়াউল হক বলেন, ‘নদীপথে চলাচল করতে হয় বলে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না।’ চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীদের দাপটে চরাঞ্চলের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। আবারও গুলির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।’ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নৌ-পুলিশের চারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ স্বপনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।’ বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, ‘গুলির ঘটনার পর থেকে স্বপন বেপারি নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনাস্থলের আশপাশে রক্তের আলামত পাওয়া গেছে। স্বপনকে উদ্ধারে থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের অভিযান চলছে।’ তিনি আরও জানান, নিখোঁজ স্বপনের বাবা সিদ্দিক বেপারি বাদী হয়ে অজ্ঞাত দশ-বারোজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। এ বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগ করা হয় চারঘাট সার্কেল এএসপি খালেদ হুসাইনের সঙ্গে। তিনি জানান, মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। চরাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

Source 2: Dhaka Post · 19/05/26open original ↗

পদ্মার চরে দুইজন গুলিবিদ্ধ, সন্ধান মিলছে না একজনের

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের কালিদাসখালিতে গোলাগুলিতে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সোমবার (১৮ মে) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ দুইজন হলেন- স্বপন বেপারী (৪০) এবং জিয়াউল হক (৩৫)। তবে ঘটনাস্থলে আশপাশে রক্তপাতের আলামত থাকলেও গুলিবিদ্ধ স্বপনের সন্ধান মিলছে না। পুলিশের ধারণা, গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বপন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ স্বপন বেপারী কালিদাসখালির সিদ্দিক বেপারীর ছেলে। আর আহত জিয়াউল হক নিচপলাসীর শুকুর আলীর ছেলে। জিয়াউল হক পদ্মা নদীতে মাছ শিকার করে বাড়ি ফিরছিলো। এলাকাবাসীর চিৎকার শুনে এগিয়ে গিয়ে তিনিও গুলিতে আহত হন। জিয়াউলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে গেছে- সোমবার (১৮ মে) রাত ১২ টার দিকে কালিদাসখালিতে চরে একদল ডাকাত নৌকা বা ট্রলার যোগে আসছিল। এই সময় স্বপন নামের এক ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে টর্চলাইটের আলো ফেলায়। এতে ডাকাতরা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বপনকে গুলি ছোড়ে। গুলিতে স্বপন ও জিয়াউল আহত হন। তবে আহত স্বপনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরে রাতের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রক্তাক্ত অবস্থায় পাই পুলিশ। এসময় পুলিশ জানায়, কিছু রক্তের আলামত পাওয়া গেছে। স্বপনের বাবা সিদ্দিক বেপারী বলেন, রাত ১২টার দিকে দুইটা ট্রলারে ১৫ থেকে ১৬ জন আসেন। এ সময় তারা এলোপাথাড়ি গুলি করতে থাকে। গুলির শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যায়। বাড়ির বাইরে এসে দেখি আমাকে তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছে। এসময় তারা বাড়ির সামনে আমার ছেলে স্বপনকে ধরে ফেলে। তাকেও গালাগালির একপর্যায়ে গুলি করে তাদের ট্রলারে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। রাতে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গেছে। চক রাজাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের (কালিদাসখালি) সাবেক মেম্বর শহিদুল ইসলাম বলেন, এখানে বালুরঘাট রয়েছে। বালুরঘাটকে কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় হামলার ঘটনা ঘটে। গতরাতে আসলে কি ঘটনা ঘটেছিল সেটি এখনো ভালোভাবে জানা যায়নি। তবে স্বপন এবং জিয়াউর নামে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। জিয়াউরকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে স্বপনকে পাওয়া যাচ্ছে না। সিদ্দিক বেপারী আরও বলেন, আমার সামনে গুলিবিদ্ধ আহত স্বপনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সে কোথায় আছে, কেমন আছে, কিভাবে আছে এ বিষয়ে এখনো কেউ জানে না। ঘটনাস্থলে পুলিশের লোকজন আছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আর আহত জিয়াউলকে স্বজনরা নিয়ে গেছে। এটা এলাকার মানুষ দেখেছে। রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, সোমবার গভীর রাতে ১০ থেকে ১২ দুষ্কৃতকারী হামলা চালিয়ে স্বপনকে গুলিতে হত্যা করে। তারাই ট্রলারে করে স্বপনের লাশ নিয়ে গেছে বলে পুলিশের ধারণা। তার সন্ধানে পুলিশের অভিযান চলছে। তিনি আরও বলেন, রাত থেকে পুলিশ চরাঞ্চলে অভিযানে আছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। শাহিনুল আশিক/আরকে

Source 3: Jugantor · 21/05/26open original ↗

রাজশাহী-নাটোর-পাবনা-কুষ্টিয়া সীমান্তের পদ্মার চর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য

রাজশাহী-নাটোর-পাবনা-কুষ্টিয়া সীমান্তের পদ্মার চর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য Advertisement আমানুল হক, বাঘা (রাজশাহী) প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম পদ্মার চরে ছিনতাই হওয়া ১৭৬টি গরু উদ্ধার করে পুলিশ রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলার সীমান্তের পদ্মার চরে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে উঠেছে। এই সীমান্তে কারণে-অকারণে গুলির শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয়রা জানান। রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে সোমবার গভীর রাতে গোলাগুলিতে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের কালিদাসখালি চরে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ দুজনের একজন স্বপন বেপারী (৪০), অন্যজনের নাম জিয়াউল। পুলিশ বলছে, স্বপন বেপারীকে গুলি করে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা। চারদিনেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পদ্মার বিশাল চরটি রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলার সীমান্ত এলাকায়। এই চরের নিয়ন্ত্রণে গড়ে উঠেছে কাঁকন বাহিনীসহ ১১টি বাহিনী। গত বছর ২৭ অক্টোবর এই চরে গোলাগুলিতে নিহত হন তিনজন। পরে ৭ নভেম্বর রাতে পুলিশ, র্যাব, নৌবাহিনী, এপিবিএনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর এক হাজার ২০০ সদস্য এই চরে অভিযান চালায়। অপারেশন ‘ফার্স্ট লাইট’ নামে ওই অভিযানে ৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়; কিন্তু এরপরও সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপট কমেনি। উল্টো তৎপরতা ফের বেড়ে গেছে। বিশেষ করে কাঁকন বাহিনীর তাণ্ডব ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গত ১১ মে বাঘার পদ্মার মধ্য চকরাজাপুর চরের আলতাফ খামরু, কামাল হোসেন খামরু, জামাল উদ্দিন, আসাদুল হক, বাবলু হোসেন ও আনারুল ইসলাম ১৭৬টি গরু নিয়ে পলাশি-ফতেপুর মাঠে চরাতে যান। এ সময় কাঁকন বাহিনীর ছয়-সাতজন সন্ত্রাসী ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে রাখালরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সন্ত্রাসীরা তাদের গুলি করে হত্যার হুমকি দিলে প্রাণভয়ে তারা গরু রেখে চলে আসেন। পুলিশ বিজিবির অভিযানে পরে লুট হওয়া গরুগুলো উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ গত সোমবার রাতে গুলি করে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় স্বপন বেপারীকে। ওই রাত ১২টার দিকে পদ্মা নদী হয়ে ট্রলারযোগে কালিদাসখালি চরের দিকে আসছিল একদল ডাকাত। ওই সময় স্বপন বেপারী তাদের লক্ষ্য করে টর্চলাইট মারে। এতে ডাকাতরা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বপনকে গুলি করে। গুলিতে স্বপন ও জিয়াউল আহত হন; কিন্তু পরে আর আহত স্বপনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্বপনকে উদ্ধারে পুলিশ বুধবার সকালেও চরে অভিযান চালিয়েছে। চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, এখানে বালুরঘাট রয়েছে। এ ঘাটকে কেন্দ্র করে চরের দখল নিয়ে বিভিন্ন সময় হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি জানান, চকরাজাপুর ইউনিয়নের বিশাল চরের পূর্বপাশে নাটোর জেলার লালপুর, পাবনা জেলার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর এবং ভেড়ামারা উপজেলার কয়েকটি চর রয়েছে। এই চরগুলো নিয়ন্ত্রণ করে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী রোকনুজ্জামান কাঁকন ওরফে ইঞ্জিনিয়ার কাঁকন। তার বাহিনী এই চরের অধিকাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। এর বাইরে রয়েছে মণ্ডল বাহিনী, টুকু বাহিনী, সাঈদ বাহিনী, লালচাঁদ বাহিনী, রাখি বাহিনী, শরীফ কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বাহিনী, চল্লিশ বাহিনী, বাহান্ন বাহিনী, সুখচাঁদ ও নাহারুল বাহিনীসহ ১১টি বাহিনী। এই বাহিনীগুলো বাঘা ও কুষ্টিয়ার বালুঘাট, চরের বালু, চরের খড়, ফসল, গরু, চরের জমি দখল, চাঁদাবাজি, খেয়াঘাট সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। একটি সূত্র জানায়, কাঁকন বাহিনীর অন্তত ৬শ সক্রিয় সদস্য রয়েছে। এরা পুরো চর নিয়ন্ত্রণ করে। চাঁদাবাজি, লুট, খুন থেকে শুরু করে সব অপকর্মের অন্যতম হোতা কাঁকন বাহিনী। এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, সর্বশেষ গত সোমবারের ঘটনায় রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কিন্তু এখনো স্বপনের খোঁজ মেলেনি। তাকে গুলি করা হয়েছে। তবে কী কারণে গুলি করা হয়েছে সেটি এখনো জানা যায়নি। এই চর চারটি জেলার মধ্যে পড়েছে। এটি একটি দুর্গম এলাকা। ফলে অপরাধীরা সহজে অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। তারা একের পর এক অপকর্ম করে দুর্গম এলাকায় চলে যায়। এ কারণে তাদের চিহ্নিত করা সহজ না।