সালিশ বৈঠকে চোর সাব্যস্ত, অপমানে নারীর ‘আত্মহত্যা’

AI-classifiedconfidence 78%

Why this classification

A 50-year-old woman was found dead after allegedly being beaten and threatened by local men at a village arbitration meeting over a theft accusation, so this is a concrete incident with a body found. Police have not yet confirmed the cause of death, and the family says she took gas tablets, but the alleged beating and coercion make it a violent incident rather than a plain suicide.

Reported by:SamakalSingle source
23/03/26•উত্তর চরখালী গ্রাম, সদর ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

0

Summary

পটুয়াখালীর গলাচিপায় সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) সালিশ বৈঠকে চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ে মারধর ও ভয়ভীতির অভিযোগের পর সেলিনা বেগম (৫০) গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে মারা গেছেন বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ প্রতিবেদনের পর জানা যাবে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

78% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সেলিনা বেগম (মৃত নারী)ইফাজুল ইসলাম (ছেলে)সিরাজুল সিকদার (সালিশকারী)জসিম খানরিয়াজ খাননিউজ সিকদারমিজান সিকদারশামীম সিকদারআলমগীর মাস্টার (গহনার মালিক)

Tags

Vigilante JusticeThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 25/03/26open original ↗

সালিশ বৈঠকে চোর সাব্যস্ত, অপমানে নারীর ‘আত্মহত্যা’

সালিশ বৈঠকে চোর সাব্যস্ত, অপমানে নারীর ‘আত্মহত্যা’ প্রতীকী ছবি গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৬ | ২২:৩৫ পটুয়াখালীর গলাচিপায় চুরির অপবাদ সইতে না পেরে সেলিনা বেগম (৫০) নামে এক নারী গ্যাস ট্যাবলেট (চাষাবাদে ব্যবহৃত কীটনাশক) খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। সোমবার সকালে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর চরখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। সেলিনা বেগমের স্বজন ও এলাকাবাসী জানায়, স্বামী পরিত্যক্তা সেলিনা দীর্ঘদিন যাবত পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধে ঘর তুলে ছেলে ও ছেলে বউকে নিয়ে বসবাস করত। মাস দুয়েক আগে বেড়িবাঁধের সংস্কার কাজের জন্য তাদের ঘরটি উচ্ছেদ করা হয়। এরপর সেলিনার পরিবার বাঁধের পাশে অস্থায়ী ঝুপড়িঘর তুলে বসবাস করছিল। কয়েকদিন ধরে তারা রাতে স্থানীয় আলমগীর মাস্টারের ঘরের বারান্দায় ঘুমাত। গত ১৭ মার্চ গৃহকর্তার ঘর থেকে ১২ আনা স্বর্ণ ও ৪ ভরি ওজনের রৌপ্যলংকার চুরি হয়। এ ঘটনায় আলমগীরের পরিবার সেলিনা বেগমকে সন্দেহ করে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন স্থানীয় সিরাজুল সিকদারের বাড়িতে সালিশ বৈঠকে বসে। সালিশ বৈঠকে শারীরিক-মানসিক নির্যাতন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ‘চাল পড়া’ খাইয়ে সেলিনাকে চোর সাব্যস্ত করা হয়। সেলিনার ছেলে ইফাজুল ইসলাম (২২) অভিযোগ করে বলেন, সালিশ বৈঠকে জসিম খান, রিয়াজ খান, নিউজ সিকদার, মিজান সিকদার, শামীম সিকদারসহ ৫-৬ জন তাঁর মাকে মারধর করে ‘চালপড়া’ খাইয়ে স্বীকারোক্তি নেয়। এ স্বীকারোক্তির বিষয়ে তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে তাঁর মা, তাঁর স্ত্রী ও তাঁর স্বাক্ষর নেয়। ইফাজুলের স্ত্রী সারমিন আক্তার জানায়, ঘটনার রাতে তারা পাশের বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোর পৌনে ৬টার দিকে তাঁর শাশুড়ি তাঁর স্বামীর ফোনে মিস কল দেয়। ফোনে টাকা না থাকায় তারা তখন কলব্যাক করতে পারেনি। পরে ঘরে এসে দেখেন তাঁর শাশুড়ি মারা গেছে। এ সময় তাঁর মরদেহের পাশেই গ্যাস ট্যাবলেটের প্যাকেট পাওয়া যায়। তিনি বলেন, সালিশদারদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ (সোমবার) তাদের চুরি হওয়া স্বর্ণ ও রৌপ্যলংকার দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর শাশুড়ি চুরির মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী নূরজাহান বেগমের ভাষ্য, সিকদার বাড়ির লোকজন সেলিনাকে মারধর ও প্লাস দিয়ে হাতের নখ উপড়ে ফেলার ভয় দেখায়। স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ মুন্সি (৫৫) জানান, সেলিনা দীর্ঘদিন ধরে অন্যের বাড়িতে কাজকর্ম করে ছেলেকে নিয়ে সংসার পরিচালনা করছে। এলাকাবাসী কখনও সেলিনাকে নিয়ে চুরির অভিযোগ শোনেনি। সেলিনার পরিবারের কাছ থেকে তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে চুরির স্বীকারোক্তি লিখে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেন সালিশকারী সিরাজুল সিকদার। তবে স্বীকারোক্তি আদায়ে সেলিনাকে কোনো নির্যাতন করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। চুরি হওয়া স্বর্ণ ও রৌপ্যলংকারের মালিক আলমগীর মাস্টার জানায়, গত ১৭ মার্চ তাঁর স্ত্রীর কিছু গহনা হারিয়েছে। স্থানীয় লোকজনকে চুরির বিষয়টি জানালে তারা সেলিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সালিশ বৈঠকে সেলিনা চুরির বিষয় স্বীকার করে। আজকে (গত সোমবার) তাঁর চুরির মালপত্র ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। গলাচিপা থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) ঝিলন সিকদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।