ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a recent (within 14 days) attempted rape by a local political figure, which is a concrete violent act but not related to any political party clash, so it is classified as gender‑based violence rather than political violence.

Reported by:JugantorSingle source
27/07/26•চিলারং গ্রাম

Killed

0

Injured

0

Summary

থাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং গ্রামে ইউপি সদস্য মো. আলাউদ্দীন ফ্যামিলি কার্ডের নামে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। কিশোরীর গলায় আঁচড়ের দাগ দেখা যায় এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মো. আলাউদ্দীন (ইউপি সদস্য)ভুক্তভোগীর বাবাথানার ওসি মো. শাহজাহান আলী

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 29/07/26open original ↗

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ঘরে ঢুকে (১৫) এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করেছেন। এর আগে সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিলারং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের নাম মো.আলাউদ্দীন (৫৬)। তিনি ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাবা পেশায় দিনমজুর। সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে ডাক্তার দেখানোর জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান। একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশে বাইরে বের হলে ১৫ বছর বয়সি ছোট মেয়ে ঘরে একা অবস্থান করছিল। দুপুর দেড়টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে এসে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চান। কিশোরী ফটোকপি দিলে তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে খোঁজ নেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ঘরের ভেতরে ঢুকে কিশোরীর গায়ে হাত দেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। কিশোরী আত্মরক্ষার্থে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে এবং সুযোগ বুঝে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার শুরু করে। কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সুকৌশলে পালিয়ে যান। পরে দিনাজপুর থেকে কিশোরীর বাবা ফিরে এসে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগসহ শারীরিক অসুস্থতা দেখে তাকে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ঠাকুরগাঁওয়ে ভর্তি করান। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন কোনো কথা না শুনে উলটো দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ আসামি আলাউদ্দীনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

Source 2: Jugantor · 30/07/26open original ↗

ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভন ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে Advertisement ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ঘরে ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মঙ্গলবার বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। এর আগে গত সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চিলারং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের নাম মো. আলাউদ্দীন। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য। জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। গত সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে ডাক্তার দেখানোর জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান। একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশে বাইরে বের হলে তাদের কিশোরী মেয়ে ঘরে একা অবস্থান করছিল। বেলা দেড়টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে এসে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চান। কিশোরী ফটোকপি দিলে তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে খোঁজ নেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ঘরে ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য কৌশলে পালিয়ে যান। পরে দিনাজপুর থেকে বাবা ফিরে এসে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগসহ শারীরিক অসুস্থতা দেখে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী বলেন, পুলিশ আসামি আলাউদ্দীনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।