কামারখন্দে জামায়াতের প্রচারণা কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
Why this classification
A campaign centre belonging to Jamaat-e-Islami was set on fire in the early hours of Saturday 31 January 2026, destroying banners, leaflets and furniture, which counts as arson and vandalism. Jamaat blames BNP, but BNP denies it and police have not confirmed who was responsible, so the perpetrator is recorded as unknown.
Killed
0
Injured
0
Summary
সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের মধ্যপাড়ায় শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) ভোর রাতে জামায়াতের একটি নির্বাচনী প্রচারণা কেন্দ্রে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগুনে ব্যানার, লিফলেট ও কিছু আসবাবপত্র পুড়ে যায়, এবং জামায়াত বিএনপিকে দায়ী করলেও বিএনপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 31/01/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কামারখন্দে জামায়াতের প্রচারণা কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
সিরাজগঞ্জ-২ কামারখন্দে জামায়াতের প্রচারণা কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ছবি: সমকাল সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৪:২৭ সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্বাচনী প্রচারণা কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের দায়ী করা হলেও বিএনপি অভিযোগটি অস্বীকার করেছে। কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া এলাকায় শনিবার ভোর রাতে দুর্বৃত্তরা জামায়াতের একটি প্রচারণা কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ করা হয়। এতে নির্বাচনসংক্রান্ত ব্যানার, লিফলেট ও কিছু আসবাবপত্র পুড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার পর স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ইউসুফ আলী বলেন, ‘এটি বিএনপির পক্ষ থেকে পরিকল্পিত ও সন্ত্রাসী হামলা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’ জেলা জামায়াতের মুখপাত্র ও সহকারী সেক্রেটারি মো. শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘জামতৈল মধ্যপাড়ায় প্রচারণা কেন্দ্র উদ্বোধনের পর থেকেই এটি বিএনপির চক্ষুশূল হয়ে ওঠে। রাতের আধারে তারা কেন্দ্রটিতে আগুন দিয়েছে। আমাদেরও প্রতিরোধের সক্ষমতা আছে, তবে আচরণবিধি লঙ্ঘন এড়াতে আমরা এখনো শতভাগ সংযত রয়েছি।’ কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কামারখন্দ উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। জামায়াতের পক্ষ থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলার ছয়টি আসনে বিএনপি প্রার্থীদের প্রধান সমন্বয়ক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘আমরা কেন গন্ডগোল করব? জেলার সব আসনেই বিএনপি ইনশাআল্লাহ এমনিতেই জয়ী হবে। কামারখন্দে জামায়াতের লোকজন নিজেরাই নিজেদের অফিস পুড়িয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। বিএনপি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়, কিন্তু জামায়াত শুরু থেকেই নির্বাচন বানচালের নানা অপচেষ্টায় লিপ্ত।’ উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। - বিষয় : - সিরাজগঞ্জ
