চোর সন্দেহে প্রতিবন্ধীকে মারধর, প্রতিবাদে রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

The article describes one specific incident: on 12 May a crowd severely beat and mentally abused a disabled student suspected of theft in Rangpur. The main content is the protest and reactions, but the beating itself is reported with date, place and victim, so it counts as a mob attack with no deaths reported.

Reported by:Dhaka PostSingle source
12/05/26•জিএল রায় রোড, দর্জিবাড়ি শো-রুমের সামনে, রংপুর মহানগরী

Killed

0

Injured

1

Summary

রংপুর মহানগরীর জিএল রায় রোডে ১২ মে (মঙ্গলবার) সকালে দর্জিবাড়ি শো-রুমের সামনে চোর সন্দেহে মানসিক প্রতিবন্ধী ফেরদৌস হাসানকে উপস্থিত লোকজন এলোপাতাড়ি মারধর ও মানসিক নির্যাতন করে। ঘটনার প্রতিবাদে ১৩ মে বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দারা রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক প্রায় আধাঘণ্টা অবরোধ করেন এবং পুলিশ জানিয়েছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

80% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

উপস্থিত লোকজন (unidentified crowd)ফেরদৌস হাসান (victim, mentally disabled student)আজাদ রহমান, acting OC, Rangpur Metropolitan Kotwali Police Station

Affected infrastructure

রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক (blocked for about 30 minutes)

Tags

LynchingThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 13/05/26open original ↗

চোর সন্দেহে প্রতিবন্ধীকে মারধর, প্রতিবাদে রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

রংপুর মহানগরীতে চোর সন্দেহে এক মানসিক ভারসাম্যহীন রোগীকে মারধর ও মানসিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়। বুধবার (১৩ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর তাজহাট মোড়-সংলগ্ন রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে মহাসড়কে প্রায় আধাঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে মেট্রোপলিটন তাজহাট থানা-পুলিশের কর্মকর্তাদের আশ্বাসে আধাঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে নগরীর জিএল রায় রোডে দর্জিবাড়ি শো-রুমের সামনে চোর সন্দেহে মানসিক প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফেরদৌস হাসানকে উপস্থিত লোকজন এলোপাতাড়ি মারধর ও মানসিক নির্যাতন করে। এ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় গ্রামবাসী সংক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন। চোর অপবাদ দিয়ে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন শিক্ষার্থীকে মারধর করায় মহানগরীর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেলে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে অটিজম বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় অটিজম বিদ্যালয়ের সহসভাপতি আব্দুর রহমান বাবু নেতৃত্ব দেন। অবরোধ চলাকালে তাজহাট পুরাতন মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন, পেশ ইমাম মাওলানা রাশিদুল ইসলাম, অটিজম বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুকাদ্দেস সরকার মুকুলসহ স্থানীয় বাসিন্দারা বক্তব্য দেন। এ সময় তারা মারধরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের সিসিটিভি এবং ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তাজহাট এলাকার বাসিন্দা মুকুল বলেন, একজন অসহায় ও প্রতিবন্ধীকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অমানবিক। তার বাবা-মাও প্রতিবন্ধী। কোনো তদন্ত বা যাচাই ছাড়াই তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী খুরশীদ আলম প্রধান বলেন, চুরির অভিযোগ উঠলেই এখন মব তৈরি করে মানুষকে মারধর করা হচ্ছে। ফেরদৌসের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আগে সত্যতা যাচাই করা দরকার ছিল। আমরা মব সংস্কৃতির অবসান চাই। ফেরদৌসের মামা শরীফ মিয়া বলেন, আমার ভাগিনা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। সে নিজেই ঠিকভাবে মোটরসাইকেল চালাতে পারে না। অথচ তাকে চোর আখ্যা দিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি। অটিজম বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় অটিজম বিদ্যালয়ের সহসভাপতি আব্দুর রহমান বাবু বলেন, একজন প্রতিবন্ধীর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। কাউকে চোর সন্দেহ হলেই মারধর করার নামে এভাবে মব সৃষ্টি করতে দেওয়াটা অন্যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা কমে আসছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে মানুষ এখন অন্যায়-অবিচার করার সাহস পাচ্ছে। মানসিক ভারসাম্যহীন ফেরদৌসকে যারা মারধর করেছে, আমরা তাদের বিচার চাই। এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান জানান, প্রতিবন্ধী ফেরদৌসের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত-পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ## ফরহাদুজ্জামান ফারুক/এএমকে