কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত
Why this classification
This is a single, specific incident on 11 April 2026 in Daulatpur, Kushtia, where local residents beat a self-styled pir to death over alleged insults to Islam and then vandalised and set fire to his shrine. Seven of his followers were also injured, so it clearly involves physical violence with a death.
Killed
1
Injured
7
Summary
ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে ১১ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ফিলিপনগর ইউনিয়নে এলাকাবাসীর হামলায় কথিত পীর শামীম রেজা গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে মারা যান। এ সময় তার আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং তার অন্তত সাতজন অনুসারী আহত হন।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 7
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত
আস্তানায় হামলা-অগ্নিসংযোগ কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত Advertisement কুষ্টিয়া ও দৌলতপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম নিহত শামীম রেজার আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন এলাকাবাসী। ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত পীরের আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন এলাকাবাসী। এ সময় স্থানীয় জনতার পিটুনিতে কথিত পীর শামীম রেজা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শামীমের অন্তত সাতজন অনুসারী। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নিহত শামীম রেজা ‘ভণ্ড’ পীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন এলাকায়। আল্লাহ ও তার নবী-রাসুলদের নিয়ে নানান মিথ্যাচার করতেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল। স্থানীয়রা জানান, কথিত পীর শামীম ইসলামবিরোধী বক্তব্য প্রচার করে তার অনুসারীদের বিভ্রান্ত করতেন। তিনি নামাজ, রোজা, হজ ও যাকাতসহ ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলো অস্বীকার করে ভিন্নধর্মী মতবাদ প্রচার করতেন। এমনকি অনুসারীদের হজ পালনের জন্য মক্কায় না গিয়ে স্থানীয় একটি বাঁশ বাগানের দরবারে যাওয়ার নির্দেশ দিতেন। তার অনুসারীদের দাফনের সময় প্রচলিত ইসলামী বিধান উপেক্ষা করে ঢাকঢোল বাজানো, ‘হরে শামীম’ ধ্বনি দেওয়া এবং বিভিন্ন অস্বাভাবিক আচারের প্রচলনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, তিনি প্রকাশ্যে পবিত্র কুরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার দিন সকাল থেকেই শামীমের কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগেই ক্ষুব্ধ জনতা তার আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, ফিলিপনগর গ্রামের মৃত জেছের আলী মাস্টারের ছেলে শামীম রেজা ঢাকায় মাস্টার্স সম্পন্ন করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকায় ফিরে একটি আস্তানা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিত ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু করেন। এর আগেও ২০২১ সালের মে মাসে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়। সে সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. তৌহিদুল হাসান তুহিন। দৌলতপুর থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, এলাকাবাসীর হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় শামীম রেজা নিহত হয়েছেন। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
