মেহেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে দুই গৃহবধূর আত্মহত্যা
Why this classification
A 19-year-old married woman died in Mujibnagar, Meherpur, and her father alleges her husband strangled and beat her two days earlier; the husband has fled and police are investigating. The death is officially reported as hanging, so the allegation is unconfirmed, but it is a specific report of a physical attack linked to a death, so it is recorded as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামে ১৯ বছর বয়সী গৃহবধূ উর্মি খাতুন ২০২৬ সালের ১০ মে (রোববার) সকালে গলায় ফাঁস নিয়ে মারা যান। তাঁর বাবার অভিযোগ, (৮ মে) স্বামী সোহেল বিশ্বাস গলা টিপে ও মারধর করেছেন, যিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন এবং পুলিশের তদন্ত চলছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
60% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মেহেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে দুই গৃহবধূর আত্মহত্যা
মেহেরপুরের গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (১০ মে) সকালে মুজিবনগর উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামে এবং শনিবার রাতের দিকে গাংনী উপজেলার গজাড়িয়া-হেমায়েতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মুজিবনগর উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামের সোহেল বিশ্বাসের স্ত্রী উর্মি খাতুন (১৯) এবং গাংনী উপজেলার গজাড়িয়া-হেমায়েতপুর গ্রামের আনসার ব্যাটালিয়নে কর্মরত ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী সুইটি খাতুন (২৭)। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌতম কুমার ও গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, রোববার সকালে উর্মি খাতুন নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে উর্মির শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় উর্মি নিজ কক্ষে গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। পরে অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের পেছনের দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। তবে, উর্মির বাবা ভাসান আলীর অভিযোগ, গত শুক্রবার ছাগলকে ভুট্টা খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে উর্মির সঙ্গে তার স্বামী সোহেল বিশ্বাসের ঝগড়া হয়। খবর পেয়ে তিনি মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে আসেন এবং মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলে সোহেল বাধা দেন। একপর্যায়ে সোহেল উর্মিকে গলা টিপে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর থেকেই সোহেল বিশ্বাস পলাতক রয়েছেন। এদিকে, গাংনী উপজেলার গজাড়িয়া-হেমায়েতপুর গ্রামের সুইটি খাতুনও গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ অতুল জানান, সুইটির স্বামী ইসমাইল হোসেন আনসার ব্যাটালিয়নে কর্মরত এবং বর্তমানে চট্টগ্রামে কর্মরত আছেন। স্ত্রীকে পরকীয়ার সন্দেহ করতেন তিনি। এ কারণে সুইটিকে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতে বাধা দেওয়া হয়। এছাড়া পরিবারের সদস্যদেরও তার বাড়িতে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। এসব বিষয় নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে সুইটি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাদুটির তদন্ত চলছে। মাহাবুল ইসলাম/এসএইচএ
