ব্রাজিলের খেলাকে কেন্দ্র করে আদাবরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
Why this classification
The incident is classified as political violence because the victims were identified as specific BNP unit leaders and the attack occurred amidst local political/factional disputes.
Killed
1
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ১ জুলাই রাতে আদাবরের নবোদয় কাচাবাজার এলাকায় একটি সালিশ বৈঠক শেষে বিএনপি নেতা আবুল বাসার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই হামলায় ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত হয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ব্রাজিলের খেলাকে কেন্দ্র করে আদাবরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীর আদাবর থানা নবোদয় কাচা বাজার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সালিশ বৈঠক শেষে আবুল বাসার বাদশাকে (৩০) নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইউনিট-বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদাবাদ থানার নবোদয় কাচাবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১১টায় মারা যান তিনি। নিহত আবুল বাসার বাদশা ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার গফুর মিয়ার ছেলে। বর্তমানে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের বি ব্লকে থাকতেন। তিনি নবোদয় ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা। তিনি বলেন, গত ২৯ তারিখ ব্রাজিল বনাম জাপান খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার এক দিন পর আবারও এই বিষয়টি নিয়ে মারামারি হয়। পরবর্তীতে আজ রাত ৮টার দিকে নবোদয় বাজারের পাশে একটি সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকের এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আবুল বাশার বাদশা ও সাদ্দাম নামে দুই বিএনপি নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দুইজনকেই শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আবুল বাসার বাদশাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আমাদের পুলিশের একাধিক টিম ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন নবোদয় হাউজিং এলাকায় ব্রাজিল ও জাপান ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক বাঁশি বাজিয়ে হইচই করেন। এ সময় আদাবর থানা বিএনপির সদস্য হাবিব নবোদয় বাজারের ব্যবসায়ী মজনুর ছেলে নীরবকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর একই স্থানে নীরবের ভাই রিপন ও ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন মুখোমুখি হলে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে নবোদয় বাজারে ওই বিরোধ মীমাংসার জন্য একটি বিচার-সালিশ বসে। সালিশ শেষে মাসুম, রবিন, নাহিদ, রিপন, নিরব, পারভেজ, মজনু, সুমন ও শহিদসহ কয়েকজন ধারালো ছুরি ও চাপাতি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় তারা হাবিবের পক্ষের লোকজনসহ নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার বাদশাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। হামলার পর উপস্থিত লোকজন আহত দুই নেতাকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে বাদশার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়। আহত সাদ্দাম বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রিপন, নীরব, পারভেজ, মাসুম কিশোর গ্যাং সদস্য এবং স্থানীয় ১০০নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মিরাজের অনুসারী। এসএএ/এএমকে
