জানাজার আগে মাথায় রক্তাক্ত দাগ দেখে দাফনে বাধা, লাশ উদ্ধার করল পুলিশ

AI-classifiedconfidence 72%

Why this classification

This is a single, specific incident in which a 66-year-old man was found dead with head wounds that locals describe as hack marks, and police recovered the body for post-mortem examination. The family says the death was natural, so the cause is not yet confirmed, but a possibly violent death is a reportable event.

Reported by:JugantorSingle source
07/06/26•মধ্যম আধারমানিক গ্রাম, ননা হাজী তালুকদার বাড়ি (পূর্ব গুজরা ইউপি, ৪ নম্বর ওয়ার্ড)

Killed

1

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের রাউজানে ৬৬ বছর বয়সী সিরাজদৌলা প্রকাশ দুলালের মৃত্যুর পর তাঁর মাথায় রক্তাক্ত চিহ্ন দেখে স্থানীয়রা জানাজা ও দাফনে বাধা দেন এবং পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরিবার স্বাভাবিক মৃত্যুর দাবি করলেও স্থানীয়দের দাবি, তাঁর মাথায় কোপের দাগ রয়েছে এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

72% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

সিরাজদৌলা প্রকাশ দুলাল (৬৬), মৃত ব্যক্তিজাহেদা বেগম, মৃতের বর্তমান স্ত্রীনুরুল আবছার, স্থানীয় ব্যক্তিএসআই মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, পূর্ব গুজরা ফাঁড়ি (তদন্ত কেন্দ্র)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 08/06/26open original ↗

জানাজার আগে মাথায় রক্তাক্ত দাগ দেখে দাফনে বাধা, লাশ উদ্ধার করল পুলিশ

জানাজার আগে মাথায় রক্তাক্ত দাগ দেখে দাফনে বাধা, লাশ উদ্ধার করল পুলিশ Advertisement রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম সিরাজদৌলা চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ১০ নম্বর পূর্ব গুজরা ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম আধারমানিক গ্রামের ননা হাজী তালুকদার বাড়িতে সিরাজদৌলা প্রকাশ দুলাল (৬৬) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানাজার আগমুহূর্তে ওই ব্যক্তির মাথায় রক্তাক্ত চিহ্ন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দাফন ও জানাজায় বাধা দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। মৃত দুলাল প্রয়াত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর মোহাম্মদপুর এলাকায় তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরে বিকাল ৫টায় জানাজা ও দাফনের লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি ননা হাজী তালুকদার বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। তবে জানাজার আগমুহূর্তে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা দুলালের মাথায় রক্তাক্ত চিহ্ন দেখতে পান। এ ঘটনায় তাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হলে দাফন ও জানাজার প্রস্তুতি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি প্রতিবেশী ও উপস্থিত লোকজন থানা পুলিশকে জানান। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুলাল প্রায় ২০ বছর আগে দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন। প্রথম সংসারে তার এক প্রতিবন্ধী ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে, যাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিল না। দ্বিতীয় সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্থানীয় নুরুল আবছার বলেন, জানাজার আধঘণ্টা আগে লাশ বাড়িতে নিয়ে আসে শহর থেকে। এরপর প্রতিবেশীরা তার লাশ দেখতে চাইলে পরিবারের লোকজন বাধা দেন। পরে দেখা যায় দুলালের মাথায় দাগ ও রক্তাক্ত চিহ্ন রয়েছে। এরপর আমরা জানাজা না পড়ে থানা পুলিশকে খবর দেই। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। মৃতের বর্তমান স্ত্রী জাহেদা বেগম বলেন, আমার স্বামীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এলাকার মানুষ বিষয়টিকে শত্রুতাবশত ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এদিকে স্থানীয় কয়েকটি সূত্রে জানা যায়, মারা যাওয়া দুলালের মাথায় কোপের দাগ রয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম শহরের মোহাম্মদপুর এলাকায় স্বজনদের বাসায় থাকতেন। স্থানীয় পূর্ব গুজরা ফাঁড়ির (তদন্ত কেন্দ্র) এসআই মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, এলাকার মানুষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ঘটনাস্থলে এসে লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। পরে রাত ৮টার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলে জানা গেছে।