ছাত্রদল নেতা শান্তর শাস্তি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article describes a specific armed attack on Saturday, 4 April 2026, in which Chhatra Dal and Jubo Dal (both BNP wings) members used sticks, bricks, knives, hatchets and iron rods, leaving three people seriously injured. The incident is recent and in Dhaka, so it qualifies as a concrete violent incident.

Reported by:SamakalSingle source
04/04/26•হলান এলাকা, দক্ষিণখান থানা

Killed

0

Injured

3

Summary

অভিযোগ অনুযায়ী, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) দক্ষিণখান থানার হলান এলাকায় অবৈধভাবে মাটি বিক্রি নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সেক্রেটারি আল আমিন হোসেন শান্ত ও তার লোকজন বাঁশের লাঠি, ইট, ছুরি, চাপাতি ও লোহার রড দিয়ে যুবদল কর্মী রাসেল সরকারসহ তিনজনকে হামলা করে গুরুতর আহত করে। ঘটনার পর রাসেল দক্ষিণখান থানায় মামলা করেন এবং শান্তর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জমা দেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

Al Amin Hossain Shanto (Secretary, Airport Thana Chhatra Dal)Rasel Sarkar (Jubo Dal worker, victim and complainant)Shanto's associates (unnamed)Salahuddin Ahmed (President, Dhaka Mahanagar North Chhatra Dal; named in the complaint as an alleged patron, not as a participant in the attack)

Tags

Party ClashLand DisputeExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 09/04/26open original ↗

ছাত্রদল নেতা শান্তর শাস্তি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন

ছাত্রদল নেতা শান্তর শাস্তি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন আল আমিন হোসেন শান্ত সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০২:৩১ | আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৩:২৭ রাজধানীর বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সেক্রেটারি আল আমিন হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। বুধবার একই ইউনিটের যুবদল কর্মী রাসেল সরকার তাকে মারধরের অভিযোগে শান্তর শাস্তি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তেজগাঁওয়ে এই আবেদন জমা দেন। আবেদনে বলা হয়, ‘আল আমিন হোসেন শান্ত এখন রাজধানীর বৃহত্তর উত্তরার ত্রাসে পরিণত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। বৃহত্তর উত্তরা এলাকায় অর্থ লুট, চাঁদাবাজি, দখল, মারামারি থেকে শুরু করে সব ধরনের অপরাধে তার নাম জড়িত। ৫ আগস্টের পর থেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি একের পর আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের পর আরও বেপরোয়া হয়েছেন শান্ত।’ রাসেল সরকার বলেন, ‘শান্তর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে মারধর করার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ভবন, বিভিন্ন মালামালের গাড়ি ও স্থানীয় দোকানপাট থেকে চাঁদা তোলার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। শুধু দিনে না; রাতেও দক্ষিণখান বাজার দিয়ে মালামাল নিয়ে গাড়ি গেলে চাঁদা দিতে হয় তাকে।’ অভিযোগে বলা হয়, বিমানবন্দরের ডিএল তেলের পাম্পের স্টাফদের মারধর করে পাম্পের ক্যাশ থেকে ৯০ হাজার টাকা লুট করায় গত ৭ মার্চ উত্তরা পূর্ব থানায় আল আমিন হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণখানে স্যুয়ারেজ লাইনের সরকারি মাটি বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতা রাসেলসহ সংগঠনটির তিন নেতাকে মারধর করায় দক্ষিণখান থানায় ৪ এপ্রিল আরেকটি মামলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরাবর দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, একের পর এক সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার পরেও শান্তর বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। সংগঠনের একটি মহলের ছত্রছায়ায় এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সেক্রেটারি আল আমিন হোসেন শান্ত। পরপর দুই থানায় মামলা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত করেনি ছাত্রদল। জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়নি তাকে। এমনকি কারণ দর্শানোর নোটিশ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে এলাকাবাসী হতাশা প্রকাশ করেছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে; তার খুঁটির জোর কোথায়? কারা তাকে আশ্রয়—প্রশ্রয় দিচ্ছে? বিমানবন্দর ইউনিটের যুবদলের এই কর্মী জানান, শান্তর অপকর্মের পেছনে শেল্টারদাতা হিসেবে কাজ করছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার আশকারা পেয়েই এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন শান্ত। যখনই তিনি অন্যায় করেন; তখনই ঢাল হয়ে দাঁড়ান ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি। বিমানবন্দরের তেলের পাম্পের স্টাফদের মারধর করে পাম্পের ক্যাশ থেকে টাকা লুটের ঘটনায় যদি ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতো; তাহলে তার হাতে যুবদল নেতাদের মার খেতে হতো না। তাই, বর্তমান সরকার ও বিএনপির ভাবমূর্তি রক্ষায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সেক্রেটারির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর মর্জি কামনা করেন যুবদল কর্মী রাসেল। প্রসঙ্গত, দক্ষিণখান থানার হলান এলাকায় রাস্তার সুয়ারেজ লাইনের (ড্রেন) উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য মাটি খোড়া হয়। খনন করা মাটি রাস্তার পাশে ঢিবি করে রাখা ছিল। এসব মাটি অবৈধভাবে বিক্রি করছিলেন বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সেক্রেটারি আল আমিন শান্ত। শনিবার (৪ এপ্রিল) গর্ত থাকায় পাশের রাস্তায় শান্তকে কিছু মাটি দিতে বলেন রাসেল। কিন্তু আল আমিন রাস্তা মেরামতের জন্য মাটি দিতে অস্বীকার করেন। এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে আল আমিন ও তার লোকজন বাঁশের লাঠিসোটা, ইট, ধারালো ছুরি, ধারালো চাপাতি, লোহার রড নিয়ে নিয়ে রাসেলের ওপর হামলা করেন। এ সময় যু্বদল নেতা রাসেলসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আটজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩০/৩৫ জনের বিরুদ্ধে দক্ষিণখান থানায় মামলা করেন রাসেল সরকার।