ইউএনওর বিরুদ্ধে বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ
Why this classification
This is a single, specific incident on 1 April 2026 in which the victim says he was taken from outside the land office, verbally abused, hit by a paperweight and beaten by officials at the upazila executive officer's office, and was treated at a health complex. The upazila executive officer and the district administrator deny any assault, so the allegation is unverified, but it describes a concrete physical attack and is therefore classified as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
নওগাঁর বদলগাছীতে ১ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার) জমির খাজনা নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করার সময় হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে (৬২) তুলে নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে গালিগালাজ, মারধর ও পেপারওয়েট ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ইউএনও ইসরাত জাহান ছনি এবং নওগাঁর জেলা প্রশাসক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
55% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ইউএনওর বিরুদ্ধে বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ
ইউএনওর বিরুদ্ধে বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ Advertisement নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম জমির খাজনা দেওয়ার নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে মাইকিং করায় হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (টুটুল) নামের এক ব্যক্তিকে উঠিয়ে নিয়ে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে। বুধবার বিকালে বদলগাছী উপজেলার ইউএনও অফিসে এ ঘটনা ঘটে। হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (৬২) উপজেলার কয়াভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে রজনীগন্ধা ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বলে পরিচয় দেন। হোসাইন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, আমার নামে ৫ কাঠা জমি আছে। আমি আমার অংশের খাজনা দিতে চাই। কিন্তু ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন- আমার জমি যে খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ওই খতিয়ানে থাকা সব দাগের (মোট ৯ একর) খাজনা নাকি আমাকে দিতে হবে। আমি এর প্রতিবাদ করায় আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জমির খাজনা দেওয়ার এই কালাকানুন পরিবর্তন করার জন্য এবং মানুষকে সচেতন করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে একটি ভ্যানের উপর চড়ে মাইকে বক্তব্য রাখছিলাম। তখন ভূমি অফিসের লোকজন আমাকে তুলে নিয়ে ইউএনও অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার একপর্যায়ে ইউএনও আমাকে লক্ষ্য করে পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপার ওয়েটটি আমার বুকে এসে লাগে। ইউএনওর রুমে থাকা অন্যান্য লোকজন আমাকে মারধর করে। পরে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছি। ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান বলেন, একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যদি ওয়েটপেপার ছুড়ে মেরে আহত করেন, আমি হতবাক হই। আমার চোখে লাগলে কী হতো? ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আমি এর বিচার চাই। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বদলগাছীর ইউএনও ইসরাত জাহান ছনি মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাকে আমার অফিসে ডেকে আনা হয়েছিল জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। তিনি কার প্ররোচনায় মাইকিং করছিলেন সেটি জানার জন্য। তিনি যে আইনের ভুক্তভোগী সেটা তো ইউএনও বা এসিল্যান্ড তৈরি করেননি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তার গায়ে পেপারওয়েট ছুড়ে মারা বা মারধর করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি নিজে খোঁজখবর নিয়েছি। কিন্তু এর সত্যতা পাইনি। কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে একজন নাগরিককে ইউএনওর মারধরের প্রশ্নই আসে না। আমি এর কোনো সত্যতা পাইনি। আপনারা ভালো করে খোঁজখবর নিয়ে দেখতে পারেন। এদিকে বুধবার বিকালে খাজনা দেওয়ার নিয়ম পরিবর্তনের দাবিতে আসাদুজ্জামান যে মাইকিং করছিলেন তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। খাজনা দেওয়ার এই আইনের সংশোধনের জন্য মাইকিং করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তার প্রশংসা করছেন এবং তাকে তুলে নিয়ে মারধর করায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ওই ভিডিওতে আসাদুজ্জামানকে উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে একটি ভ্যানের ওপর বসে মাইকে সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে কথা বলতে দেখা যায়। সেখানে তিনি বলেন, নিজেরা ইচ্ছামতো আইন করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। তারই প্রতিবাদে রজনীগন্ধা ফাউন্ডেশন ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি প্রেরণ করবে। স্মারকলিপির বিষয়বস্তু, বাংলাদেশের ভূমি আইনে যেকোনো জমির একটি খতিয়ান নম্বর থাকে। সেই খতিয়ানে অনেকগুলো দাগ নাম্বার থাকে এবং এই দাগ নাম্বারে অনেকগুলো জমির সমষ্টি থাকে। ধরে নিন ৮২ নাম্বার খতিয়ানে ৩০২ নাম্বার দাগে আমার পাঁচ কাঠা জমি আছে। এই পাঁচ কাঠা জমি যেকোনো কারণেই হোক আমি যদি বিক্রি করতে যাই। তাহলে ভূমি অফিসকে ওই ৮২ নম্বর খতিয়ানের সব জমির খাজনা দিতে হবে। যেটা একজন সাধারণ মানুষের কাছে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। আমি পাঁচ কাঠা জমির মালিক হয়ে কেন সব জমির খাজনা দিতে যাব। এটা কোন আইনের বলে কাদের প্ররোচনায় সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে মোট খতিয়ানের জমির টাকা আদায় করা হয়। মাইকে এসব কথা বলার সময় কিছু লোক তাকে সেখান থেকে একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায়। সাদেকুল ইসলাম উজ্জ্বল নামে প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বলেন, ওই বৃদ্ধ লোকটি ভূমি অফিসের সামনে ভ্যানের উপর মাইক ঝুলিয়ে জমির খাজনার আইন পরিবর্তনের জন্য মাইকিং করছিলেন। লোকটি ভালোই কথা বলছিলেন; কিন্তু পরে ভূমি অফিসের লোকজন তাকে ইউএনও অফিসে তুলে নিয়ে যায় ভ্যান-মাইকসহ। পরে শুনলাম তাকে নাকি মারধর করা হয়েছে।
