স্কুলমাঠে খেলার সময় পাশের বাড়ির রান্নাঘরে লাগে ফুটবল, তিন ছাত্রকে মারধর
Why this classification
A woman beat three schoolchildren with a stick and threw pieces of brick at them after a football hit the wall of her kitchen, leaving all three injured and treated at hospital. This is a concrete physical attack on specific people at a specific time and place, so it counts as violence.
Killed
0
Injured
3
Summary
পঞ্চগড় পৌরসভার জালাসী এলাকায় শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল বাড়ির রান্নাঘরের টিনের বেড়ায় লাগার জেরে ২০২৬ সালের ১১ জুন, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক গৃহবধূ তিন শিক্ষার্থীকে লাঠি দিয়ে পেটান এবং ইটের টুকরা ছুড়ে মারেন। এতে তিন ছাত্র আহত হয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়, এবং পুলিশ জানিয়েছে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
স্কুলমাঠে খেলার সময় পাশের বাড়ির রান্নাঘরে লাগে ফুটবল, তিন ছাত্রকে মারধর
পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল খেলার সময় পাশের বাড়ির রান্নাঘরের টিনের বেড়ায় গিয়ে লাগে ফুটবল। এ ঘটনায় ওই বাড়ির গৃহবধূর বিরুদ্ধে তিন স্কুলছাত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় পৌরসভার জালাসী এলাকায় শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। ওই তিন ছাত্র পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। পরে বিকেলে তারা বাড়ি ফিরেছে। আহত ছাত্ররা হলো শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রেজওয়ান খান ও মিম হোসেন এবং চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র তৌহিদ হাসান। মারধরের শিকার শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয়ের টিফিন বিরতির সময় শিক্ষার্থীরা মাঠে ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে বলটি বিদ্যালয়সংলগ্ন একটি বাড়ির রান্নাঘরের টিনের বেড়ায় গিয়ে লাগে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির মালিকের স্ত্রী জয়তুন বেগম ওই তিন ছাত্রকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এ ছাড়া শিশুদের লক্ষ করে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করেন। এতে ওই তিন স্কুলছাত্র আহত হলে অভিভাবকদের সহায়তায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্কুলছাত্র তৌহিদ হাসান বলে, ‘আমরা বল খেলতেছিলাম। এ সময় বলটা ওদের ঘরের বেড়ায় লাগে। আমি দাঁড়ায় আছি। তখন উনি আমার পায়ের এখানে মারল। আমার অ্যাবেন্টিসাইটের (অ্যাপেন্ডিসাইটিস) অপারেশন করা ছিল, ওখানেও মারছে। এখন ব্যথা করতেছে।’ তৌহিদ হাসানের মা সানজিদা আক্তার তাঁর ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘আমার ছেলে তৌহিদ হাসান গুরুতরভাবে আহত। আমার ছেলে শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। স্কুল টিফিন টাইমে বাচ্চারা সবাই ফুটবল খেলছিল। স্কুলমাঠে অবৈধভাবে একজন বসবাস করেন। বাচ্চারা খেলতে খেলতে হঠাৎ বল উনার ঘরের বেড়ায় লাগাতে উনি বেধড়ক মারধর করেন বাচ্চাদের।’ শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজেদা জান্নাতুল পারভীন বলেন, ‘বাচ্চারা আঘাত পেয়ে খুবই কান্নাকাটি করছিল। একজন তো ভালোভাবে হাঁটতেই পারছিল না। বাচ্চারা আমাদের জানায়, মারধরের পাশাপাশি তাদের ইটের টুকরা ছুড়ে মারা হয়েছে। তুচ্ছ ঘটনায় তিনি (অভিযুক্ত নারী) যদি এভাবে ডিস্টার্ব (বিরক্ত) করেন, তাহলে তো আমাদের বাচ্চারা খেলাধুলা করতে পারবে না।’ অভিযুক্ত জয়তুন বেগমের স্বামী হাছান আলী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় আমি কাজে গিয়েছিলাম। ঘটনা শুনে বাড়িতে এসে জানতে পারি, আমার স্ত্রী ভাত রান্না করছিলেন। এ সময় ফুটবল জোরে এসে টিনের বেড়ায় লেগে বেড়া ফেটে ভাতের পাতিল উল্টে গেছে। এতে আমার স্ত্রী রেগে গিয়ে একটা লাঠি দিয়ে তাদের ঝাঁটা (ছুড়ে মারা) দেয়। এ সময় ওই লাঠি একজনকে লাগে, তারপর আরেকজনকে লাগে। রাগের মাথায় আমার স্ত্রী না বুঝে ভুল করেছে। এ জন্য প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিকে বিষয়টা সমাধান করে দেওয়ার অনুরোধ করেছি।’ পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুলছাত্রদের মারধরের ঘটনা শুনেছি। কেউ লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
