ফেনীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

এটি একটি নির্দিষ্ট সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা: ফেনীর ছাগলনাইয়ায় জোবায়ের হোসেন পারভেজকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি বাংলাদেশে ঘটেছে এবং ২৭ জুন তারিখের মধ্যে হওয়ায় সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostSingle source
27/06/26•নিজকুঞ্জরা গ্রামের নূর আহাম্মদ মাস্টারবাড়ি এলাকা, ছাগলনাইয়া

Killed

1

Injured

1

Summary

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার নিজকুঞ্জরা গ্রামে শুক্রবার রাত ২টার পর যুবলীগ কর্মী জোবায়ের হোসেন পারভেজকে প্রতিবেশী শাহাদাত ও মামুন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। শনিবার সকালে স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করলে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Awami League

Other actors

জোবায়ের হোসেন পারভেজ (যুবলীগ কর্মী, নিহত)শাহাদাত ও মামুন (অভিযুক্ত দুই সহোদর)সাব্বির হাসান শীতল (নিহতের ছোট ভাই)মো. আবু তাহের (ছাগলনাইয়া থানা ওসি)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 27/06/26open original ↗

ফেনীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

ফেনীর ছাগলনাইয়ার ঘোপালে জোবায়ের হোসেন পারভেজ (৩২) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী দুই সহোদরের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৭ জুন) সকালে উপজেলার নিজকুঞ্জরা গ্রামের নুর আহাম্মদ মাস্টারবাড়ি এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।   নিহত জোবায়ের হোসেন পারভেজ ওই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। অভিযুক্ত শাহাদাত ও মামুন একই এলাকার ছাদেক মিয়ার ছেলে। নিহতের ছোট ভাই সাব্বির হাসান শীতল বলেন, শুক্রবার পারভেজ তার দোকানে কাজের জন্য শাহাদাত ও মামুনের এক ছোট ভাইকে প্রস্তাব দেন এবং তাকে একটি মোবাইল ফোন দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামুন তার ছোট ভাইকে মারধর করেন। পরে রাত ১২টার দিকে মোবাইল দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে পারভেজের সঙ্গে মামুনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারভেজের হাতে থাকা চার্জলাইটের আঘাতে মামুন আহত হন। নিহতের বাবা আবু তাহের বলেন, চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পারভেজ ও মামুন দীর্ঘদিন ফেনী কারাগারে ছিলেন। ওই সময়ে নানা ধরনের ব্যয় পারভেজ বহন করলেও মামুন কোনো টাকা দেয়নি। দুইজন কারাগার থেকে মুক্তির পর স্থানীয় দোকান নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। সর্বশেষ শুক্রবার রাত ২টার পর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির পাশের পুকুরসংলগ্ন এলাকায় ওত পেতে থাকা মামুন ও শাহাদাত ধারালো অস্ত্র দিয়ে পারভেজকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। সকালে স্থানীয়রা বাড়ির রাস্তা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে ছাগলনাইয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। তারেক চৌধুরী/আরএআর