দুই দিনব্যাপী সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a real, recent physical clash in Habiganj's Madhabpur upazila, where two sides fought with sticks, local weapons and bricks during and after a mediation meeting, injuring more than 50 people. Police had to fire rubber bullets to disperse the crowds, so it clearly qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
02/06/26•খড়কি গ্রাম, জগদীশপুর ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

50

Summary

হবিগঞ্জের মাধবপুরের খড়কি গ্রামে পাওনা টাকার বিরোধ মীমাংসার জন্য আয়োজিত সালিশ বৈঠকে দু'পক্ষের মধ্যে ২ জুন ২০২৬ (মঙ্গলবার) থেকে ৩ জুন ২০২৬ (বুধবার) পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এতে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আহম্মদ মিয়াতোফাজ্জুল মিয়ামাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা

Tags

ClashBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 50

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 04/06/26open original ↗

দুই দিনব্যাপী সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

সালিশ বৈঠকে উত্তেজনা দুই দিনব্যাপী সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ০৮:০৫ | প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের খড়কি গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে একটি সালিশ বৈঠক। পাওনা টাকা আদায় নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে চলমান বিরোধের মীমাংসার লক্ষ্যে এই সালিশের আয়োজন করা হয়। জানা গেছে, সালিশ বৈঠকে বিরোধী পক্ষের মাঝে শুরু হওয়া সংঘর্ষ চলেছে দুই দিনব্যাপী। এ সময় দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করতে হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি থমে থমে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে গ্রামটিতে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খড়কি গ্রামের আহম্মদ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের তোফাজ্জুল মিয়ার পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে গত মঙ্গলবার বিকেলে খড়কি বাজারে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশ চলাকালে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। শুরুতে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও পরে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় চারদিকে অন্ধকার নেমে আসে। এ সুযোগে টর্চলাইটের আলো জ্বেলে বিরোধী দু’পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। রাতভর বিভিন্ন স্থানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে বহু মানুষ আহত হন এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার আগেই বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে আবারও শুরু হয় সংঘর্ষ। দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ দফায় দফায় চলতে থাকে দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত। সংঘর্ষের সময় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। সংঘর্ষে লিপ্ত দু’পক্ষের লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে ঘটনাস্থলে। মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। - বিষয় : - সালিশ