লৌহজংয়ে ঘরে উঁকি দেওয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা
Why this classification
A 64-year-old man named Niyasha Chandra Das was beaten by his brother-in-law Mahadev and an accomplice, Mahbub, after being accused of peeping into a house, and he died in hospital on 31 March 2026. The death is a concrete, recent killing in Munshiganj district, so it qualifies as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের কলমা গ্রামে প্রবাসী অসীম দাসের স্ত্রীর ঘরে উঁকি দেওয়ার অভিযোগে দেবর মহাদেব সোমবার (৩০ মার্চ, ২০২৬) রাতে নিয়াশা চন্দ্র দাসকে মারধর করেন, এবং তার সহযোগী মাহবুব থাপ্পড় দিলে তিনি সড়কে লুটিয়ে পড়েন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ, ২০২৬) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
লৌহজংয়ে ঘরে উঁকি দেওয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা
লৌহজংয়ে ঘরে উঁকি দেওয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা Advertisement মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ লৌহজংয়ের কলমা গ্রামে ঘরে উঁকি দেওয়ার অভিযোগে নিয়াশা চন্দ্র দাস নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত নিয়াশা চন্দ্র দাস কলমা ইউনিয়নের দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা। জানা যায়, প্রবাসী অসীম দাসের স্ত্রীর ঘরে উঁকি দেওয়ার অভিযোগে তার দেবর মহাদেব সোমবার রাতে নিয়াশা চন্দ্র দাসকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। পরে রাতে তাকে দাসপাড়া হরি সভা মন্দিরের সামনে নিয়ে আসা হয়। এ সময় মহাদেবের সহযোগী মাহবুব তাকে থাপ্পড় দিলে তিনি পাকা সড়কে লুটিয়ে পড়েন। এতে তার নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী মহাদেবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে মাহবুব ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। মেয়ে উর্মিলা মণ্ডল বলেন, আমার বাবাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। আমি খুনিদের ফাঁসি চাই। ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
