চবিতে ছাত্রদল নেতা কর্তৃক শিক্ষার্থীকে হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ
Why this classification
The incident is classified as political violence because the accused is a leader of the Chhatra Dal student wing and the conflict is linked to factional tensions within the university.
Killed
0
Injured
0
Summary
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন কর্তৃক শিক্ষার্থী রায়হানকে অপহরণ, শারীরিক হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে চবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 4
Perpetrator side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে হুমকির অভিযোগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে হুমকি ও শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আল মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর কাছে এ ঘটনার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রায়হান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, গত ২৯ জুন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে সৃষ্ট পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের জেরে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আল মামুন ও তার সহযোগীরা তাকে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে ডেকে সুয়েজ গেট পেরিয়ে ব্রিকফিল্ড এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তার মোবাইল ফোন নিয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় এবং ছাত্রত্ব বাতিল, বহিষ্কার ও ‘মাটিতে পুঁতে ফেলার’ হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভবিষ্যতে তার ওপর কোনো ধরনের হামলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর দায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে অভিযোগকারী রায়হান বলেন, আমি আমার এক ফ্রেন্ডকে নিয়ে ক্যাম্পাসের সেন্ট্রাল ফিল্ডে ছিলাম। এমন সময় মামুন ভাই ও তার সঙ্গে থাকা পাঁচ-ছয় জন আমাকে দেখে ডাক দেন এবং একপাশে নিয়ে যান। পূর্বের খেলার বিরোধ নিয়ে মামুন ভাই আমাকে জেরা করতে থাকেন এবং জোরপূর্বক আমাকে নিয়ে প্রথমে সুয়েজ গেট, পরে ব্রিক ফিল্ড এলাকায় নিয়ে যান। তিনি বলেন, সেখানে চবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি ফাহিমকে নিয়ে পূর্বের ঝামেলার বিষয়ে জানতে চাচ্ছিল। সেদিনের ঝামেলায় তার ভূমিকা কী ছিল এবং আমি কেন ঘটনায় যুক্ত হয়েছিলাম এগুলো নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। এরপর বলে- ‘তোরা কেন মারামারি করলি, তোদের কে লিড দিয়েছে?’ একপর্যায়ে তারা আমাকে মারধর করে, ফোন ছিনিয়ে নেয়, ছাত্রত্ব বাতিল ও আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে জোরপূর্বকভাবে তারা আমার থেকে একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করে। অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আল মামুন বলেন, গত ৩০ জুন আমাকে স্টেশনে কয়েকজন মিলে মারধর করে। সেখানে রায়হানও ছিল। আমিসহ কয়েকজন আজ রায়হানকে সেন্ট্রাল ফিল্ডের ওখানে দেখি এবং তাকে ওইদিনের ঘটনার জন্য জিজ্ঞেস করি মাত্র। তবে তাকে মারধর বা হুমকি-ধামকির বিষয়টি মিথ্যা। এ ছাড়া জোরপূর্বক ভিডিও করার যে অভিযোগ করেছে সেটাও মিথ্যা। তাকে শুধু ওই বিষয়ে জিজ্ঞেস করার পর চলে যেতে বলি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, রায়হান নামের এক শিক্ষার্থী আমাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়েছে। একটি অভিযোগপত্রও দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৯ জুন (সোমবার) বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় মাঠে বসাকে কেন্দ্র করে চবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের ২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী ইফতেখারুল ইসলাম জিসান এবং ছাত্রদল নেতা আল মামুনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ৩০ জুন রাতে জিরো পয়েন্টে উভয়পক্ষের মধ্যে ফের বাগবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ হয়। এসএইচএ
