চবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে হুমকির অভিযোগ
Why this classification
The incident is classified as political violence because the accused is a leader of the Chhatra Dal student wing and the conflict is linked to factional tensions within the university.
Killed
0
Injured
0
Summary
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন কর্তৃক শিক্ষার্থী রায়হানকে অপহরণ, শারীরিক হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে চবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘটেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 4
Perpetrator side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
চবিতে ঘুরতে এসে ছিনতাই-হেনস্তার শিকার দর্শনার্থী, আটক ২ রিকশাচালক
চবিতে ঘুরতে এসে ছিনতাই-হেনস্তার শিকার দর্শনার্থী, আটক ২ রিকশাচালক ফাইল ছবি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০:৪২ | আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১:১৬ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকায় ঘুরতে এসে ছিনতাই ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন একদল দর্শনার্থী। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই সহোদর রিকশাচালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আটকরা হলেন- মো. লোকমান আলী (৩২) ও মো. রাশেদ (৩০)। তারা স্থানীয় একটি চক্রের সদস্য বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, হাটহাজারী এলাকা থেকে চারজন তরুণ ও তিনজন তরুণী চবি ক্যাম্পাসে বেড়াতে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট থেকে জিরো পয়েন্টে যাওয়ার জন্য তারা লোকমান আলীর রিকশায় ওঠেন। তবে গন্তব্যে না নামিয়ে লোকমান কৌশলে তাদের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর লোকমান তার ভাই রাশেদকে ডেকে আনেন। দুই ভাই মিলে দর্শনার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেন এবং সঙ্গে থাকা তরুণীদের হেনস্তা করেন। এক পর্যায়ে তাদের আটকে রেখে ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। ভুক্তভোগী মো. সাকিব ও সায়েম উদ্দিন সিয়াম বলেন, আমরা বন্ধু-বান্ধবীরা মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘোরাঘুরির উদ্দেশ্য আসি। পথিমধ্যে ১নং গেইট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে আসার জন্য রিকশায় উঠেছিলাম। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় রিকশাওয়ালার সঙ্গে আমাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের দিকে নিয়ে গিয়ে রিকশাওয়ালা তার ভাইকে (মো. রাশেদ) ডেকে আনে। এবং আমাদের মোবাইল ও মানিব্যাগের সব টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নেয়। আমাদের সঙ্গে আসা মেয়েদেরকেও হেনস্তা করে। পরবর্তীতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের হাতে তুলে দিবে বলে হুমকি দেয় এবং দশ হাজার টাকা দাবি করে। অভিযুক্ত মো. লোকমান আলী বলেন, আমার রিকশাতে ছেলেমেয়েগুলো উঠার পর অশ্লীল কর্মকাণ্ড শুরু করে এবং সেটা আমি প্রথমে রিকশার লুকিং গ্লাসে লক্ষ্য করি। জিরো পয়েন্ট এলাকায় আসার পরে তাদের সাথের বন্ধুদের আসার তাগাদা দেই এবং আমি তাদের দুজনকে নিয়ে দক্ষিণ ক্যাম্পাসের দিকে যাই। তার পরিবারকে ঘটনা জানানোর উদ্দেশ্যে মোবাইল নিয়েছিলাম। তারা যে অভিযোগ তুলছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। নিরাপত্তা প্রহরী মো. দিদারুল ইসলাম এবং মো. সুমন জানায়, আমরা ২ জন বিকেলে টহলে বেরিয়েছিলাম। কাটা পাহাড়ের রাস্তার মাঝে লক্ষ্য করি দর্শনার্থী ৩ জন মেয়ে ও ৪ জন ছেলের সাথে দুইজন রিকশাওয়ালার বাকবিতণ্ডা চলছে। ঘটনা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হওয়ার তাদেরকে (দর্শনার্থী) আমাদের কাছে হস্তান্তর করতে বললে লোকমান (রিকশাওয়ালা) বলেন আপনারা কে? আপনাদের কাছে কেনো দেব? এবং একইসাথে লোকমান এবং রাশেদ আমাদের হুমকি দেয়। তখন কৌশলে আমরা অন্য একটি রিকশায় দর্শনার্থী ২ জনকে তুলে বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে জিরো পয়েন্ট হয়ে নিরাপত্তা দপ্তরে নিয়ে আসি। এসময় আমাদের সাথে দুই রিকশা চালককে আসতে বলি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, এ ধরণের একটি চক্র দ্বারা বিগত সময়ে দর্শনার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও হেনস্থার শিকার হয়েছে। আমরা অনেক দিন থেকে এই চক্রটাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছিলাম। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা দপ্তর বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে এবং ভুক্তভোগীদের (দর্শনার্থী) মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলমান। অভিযুক্ত ২ জনকে ফাঁড়ি পুলিশের মারফতে হাটহাজারী থানায় পাঠানো হয়েছে। হাটহাজারী থানা সাব ইন্সপেক্টর মো. শামীম উদ্দিন সমকালকে জানায়, আমরা আসামিদের থানায় নিয়ে এসেছি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আগামীকাল সকালে তাদেরকে কোর্টে চালান করা হবে।
চবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে হুমকির অভিযোগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে হুমকি ও শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আল মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর কাছে এ ঘটনার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রায়হান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, গত ২৯ জুন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে সৃষ্ট পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের জেরে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আল মামুন ও তার সহযোগীরা তাকে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে ডেকে সুয়েজ গেট পেরিয়ে ব্রিকফিল্ড এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তার মোবাইল ফোন নিয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় এবং ছাত্রত্ব বাতিল, বহিষ্কার ও ‘মাটিতে পুঁতে ফেলার’ হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভবিষ্যতে তার ওপর কোনো ধরনের হামলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর দায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে অভিযোগকারী রায়হান বলেন, আমি আমার এক ফ্রেন্ডকে নিয়ে ক্যাম্পাসের সেন্ট্রাল ফিল্ডে ছিলাম। এমন সময় মামুন ভাই ও তার সঙ্গে থাকা পাঁচ-ছয় জন আমাকে দেখে ডাক দেন এবং একপাশে নিয়ে যান। পূর্বের খেলার বিরোধ নিয়ে মামুন ভাই আমাকে জেরা করতে থাকেন এবং জোরপূর্বক আমাকে নিয়ে প্রথমে সুয়েজ গেট, পরে ব্রিক ফিল্ড এলাকায় নিয়ে যান। তিনি বলেন, সেখানে চবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি ফাহিমকে নিয়ে পূর্বের ঝামেলার বিষয়ে জানতে চাচ্ছিল। সেদিনের ঝামেলায় তার ভূমিকা কী ছিল এবং আমি কেন ঘটনায় যুক্ত হয়েছিলাম এগুলো নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। এরপর বলে- ‘তোরা কেন মারামারি করলি, তোদের কে লিড দিয়েছে?’ একপর্যায়ে তারা আমাকে মারধর করে, ফোন ছিনিয়ে নেয়, ছাত্রত্ব বাতিল ও আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে জোরপূর্বকভাবে তারা আমার থেকে একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করে। অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আল মামুন বলেন, গত ৩০ জুন আমাকে স্টেশনে কয়েকজন মিলে মারধর করে। সেখানে রায়হানও ছিল। আমিসহ কয়েকজন আজ রায়হানকে সেন্ট্রাল ফিল্ডের ওখানে দেখি এবং তাকে ওইদিনের ঘটনার জন্য জিজ্ঞেস করি মাত্র। তবে তাকে মারধর বা হুমকি-ধামকির বিষয়টি মিথ্যা। এ ছাড়া জোরপূর্বক ভিডিও করার যে অভিযোগ করেছে সেটাও মিথ্যা। তাকে শুধু ওই বিষয়ে জিজ্ঞেস করার পর চলে যেতে বলি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, রায়হান নামের এক শিক্ষার্থী আমাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়েছে। একটি অভিযোগপত্রও দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৯ জুন (সোমবার) বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় মাঠে বসাকে কেন্দ্র করে চবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের ২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী ইফতেখারুল ইসলাম জিসান এবং ছাত্রদল নেতা আল মামুনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ৩০ জুন রাতে জিরো পয়েন্টে উভয়পক্ষের মধ্যে ফের বাগবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ হয়। এসএইচএ
চুয়েট ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ
চুয়েট ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ Advertisement চুয়েট প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ছাত্রদলের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) শাখার সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ভুক্তভোগী চুয়েটের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়ে আগের দিন সোমবার চুয়েটের প্রধান ফটকে চুয়েট ছাত্রদলের পক্ষ থেকে একটি ব্যানার টাঙাচ্ছিলেন সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকর্মী। সে সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী টিউশন থেকে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। ছাত্ররাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নামে রাজনৈতিক ব্যানার দেখে তিনি দাঁড়িয়ে যান ও ব্যানার টাঙানো সম্পন্ন হলে ছবি তোলার ইচ্ছা পোষণ করেন। এ ব্যাপারে অন্য নেতাকর্মীরা দ্বিমত না করলেও ওয়াসিফ রাশেদ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি তাকে গালাগাল করতে থাকেন ও তার কলার চেপে ধরেন। ব্যানার লাগানোর জন্যে তাকে জোরাজুরি করতে থাকেন। থাপ্পড় দেওয়ার হুমকি দেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, যখন আমাকে কলার ধরে ব্যানার লাগাতে বলা হয় তখন আমি বলি এই কাজটা না করানো হয়। পরিস্থিতি খারাপ দেখে উপস্থিত অন্যরা আমাকে সরিয়ে নিয়ে আসেন। হলে চলে এলেও ঘটনাটি আমার মনের ওপর বাজেভাবে প্রভাব ফেলে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ওয়াসিফ রাশেদ অসুস্থতার অজুহাতে কথা বলেননি। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ করেন এবং বিবৃতির মাধ্যমে এ ঘটনার নিন্দা ও দোষীর শাস্তির দাবি তোলেন। তারা বলেন, যে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতিই নিষিদ্ধ সেখানে একটি রাজনৈতিক দলের নেতার এই আচরণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এ ব্যাপারে চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মুক্তার হোসাইন বলেন, আমরা ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করব ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
চুয়েটে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)ফাইল ছবি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতির বিরুদ্ধে এক ছাত্রকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সোমবার বেলা দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ছাত্রদলের ব্যানার টানাচ্ছিলেন সংগঠনটির কয়েকজন নেতা–কর্মী। ওই সময় টিউশনি শেষে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে চান। এতে ছাত্রদলের শাখা সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ তাঁকে জেরা করেন ও শার্টের কলার ধরে টানাটানি করেন। একপর্যায়ে তাঁকে দিয়ে ব্যানার টানানোর চেষ্টা করেন। পরে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে আনেন। ভুক্তভোগী ছাত্র বলেন, ‘ঘটনাটি আমার মধ্যে মানসিকভাবে প্রভাব ফেলেছে। তাই বিষয়টি সামনে আনতে বাধ্য হয়েছি।’ এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘শারীরিক লাঞ্ছনার বিষয়টি পুরোপুরি অবান্তর। ব্যানার টানানোর সময় সেখানে তাঁর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সত্য নয়। তাঁকে বকাঝকাও করা হয়নি।’ এ ব্যাপারে চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মুক্তার হোসাইন প্রথম আলোকে জানান, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। দোষী হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। শিক্ষার্থীদের মতে, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ক্যাম্পাসে এ ধরনের আচরণ উদ্বেগজনক। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানছাত্রদলছাত্র রাজনীতিচুয়েটচট্টগ্রাম বিভাগ
