বিএনপি কর্মীকে ধাওয়া করে কোপাল দুর্বৃত্তরা
Why this classification
This is a single concrete incident in Shyamnagar, Satkhira, on 12 January 2026, in which about 17 to 18 men with sharp weapons chased and stabbed a BNP activist, and his driver and a worker were also hurt. The article names the Awami League-linked leaders accused of leading the attack, and the victim was hospitalised in serious condition.
Killed
0
Injured
3
Summary
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কৈখালী ইউনিয়নে ১২ জানুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) সকালে চিংড়ি ঘেরে ঘর নির্মাণের সময় যুবলীগ ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ নেতাদের নেতৃত্বে ১৭-১৮ জন দুর্বৃত্ত বিএনপি কর্মী শেখ আব্দুর রহমানকে ধাওয়া করে ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর গাড়িচালক ও এক শ্রমিকও আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/01/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিএনপি কর্মীকে ধাওয়া করে কোপাল দুর্বৃত্তরা
বিএনপি কর্মীকে ধাওয়া করে কোপাল দুর্বৃত্তরা ছবি: সমকাল শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | ২০:৩৩ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নিজ চিংড়ি ঘেরে ঘর নির্মাণের সময় শেখ আব্দুর রহমান (৫০) নামে এক বিএনপি কর্মীকে ধাওয়া করে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের জয়াখালী এলাকায় এ হামলা হয়। শেখ আব্দুর রহমানকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছেন তাঁর গাড়িচালক গোলাম মোস্তফা ও শ্রমিক ইস্রাফিল হোসেন। স্বজনেরা জানিয়েছেন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল হোসেন মোল্যা ও উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় সাত-আটজনের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আহত শেখ আব্দুর রহমানের ছেলে মামুন হোসেনের ভাষ্য, তাঁর বাবা সোমবার সকালে চিংড়ি ঘেরে ঘর নির্মাণের কাজ তদারকি করছিলেন। হঠাৎ আবুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, হাফিজুর ও বাবলুর নেতৃত্বে ১৭-১৮ জন দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালায়। প্রাণভয়ে তাঁর বাবা দৌড়ে বাড়ির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। হামলাকারীরা ধাওয়া করে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে গাড়িচালক মোস্তফা ও শ্রমিক ইস্রাফিলও হামলার শিকার হন। বক্তব্য জানতে যুবলীগ নেতা আবুল হোসেনের মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও ধরেননি। সৈনিক লীগের নেতা আলমগীর হোসেনের দাবি, তাদের জমিতে বাসা নির্মাণের চেষ্টা চলছিল। এ সময় বাবলু মোল্যা, মিজান মোড়ল ও রাকিবরা বাধা দেন। এতে সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। আহত শেখ আব্দুর রহমানের শরীরের আঘাত গুরুতর বলে জানিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকির হোসেন। তিনি বলেন, আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আবদুর রহমানের মাথা, হাত, পেটসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ভয়াবহ ক্ষত হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমানের ভাষ্য, তারা লিখিত এজাহার পেয়েছেন। পুলিশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছে। শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
