কুষ্টিয়ায় বিএনপির ২ দলের নেতাকর্মীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ২ নেতার সদস্যপদ স্থগিত

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a specific, recent incident on 13 February 2026 in which BNP factions chased each other in Kushtia, and at least three leaders were beaten, with plastic chairs at a tea stall damaged. The physical attacks and vandalism make it a violent incident, and the article is a report of the event itself, not commentary.

Reported by:SamakalSingle source
13/02/26•কোর্টপাড়া (কোর্ট স্টেশন), জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে

Killed

0

Injured

3

Summary

১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে কুষ্টিয়া কোর্টপাড়ায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে, যাতে অন্তত তিন নেতা মারধরের শিকার হন। ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দুই নেতার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

ইমতিয়াজ দিবস (কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব)আবদুস সালাম (জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক)সাগীর কোরাইশী (সাবেক ছাত্রদল নেতা)আরিফুর রহমান সুমন (জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক)নুরুল ইসলাম (জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব)ইসমাইল হোসেন মুরাদ (কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি)কুতুব উদ্দিন আহমেদ (জেলা বিএনপির আহ্বায়ক)জাকির হোসেন সরকার (জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের পরাজিত প্রার্থী)কবির হোসেন (কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি)

Affected infrastructure

চায়ের দোকানের প্লাস্টিকের চেয়ার

Tags

Election ViolenceParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 15/02/26open original ↗

কুষ্টিয়ায় বিএনপির ২ দলের নেতাকর্মীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ২ নেতার সদস্যপদ স্থগিত

কুষ্টিয়ায় বিএনপির ২ দলের নেতাকর্মীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ২ নেতার সদস্যপদ স্থগিত কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৮:১৩ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের পরাজয়ের জেরে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের দুইপক্ষের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে উঠেছে। গতকাল শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়া কোর্টপাড়া এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন নেতা মারধরের শিকার হয়েছেন। এদিকে এঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দুই নেতার পদ স্থগিত করেছে সংগঠনটি। আজ শনিবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক শাহারিয়া ইমন স্বক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক কুষ্টিয়া জেলা স্বেছাসেবক দলের যুগ্ন সম্পাদক আবদুস সালাম ও কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ দিবসের পদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে পরাজয়ের পর নিজ এলাকায় সন্তোষজনক ফল না হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কোর্টস্টেশনের প্লাটফর্মে দুই গ্রুপের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ দিবস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম ও সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগীর কোরাইশীর নেতৃত্বে থাকা গ্রুপটি জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সুমন, সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন মুরাদকে লক্ষ্য করে ধাওয়া দেয়। এতে সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আরিফুর রহমান সুমনের সমর্থকরা পাল্টা মিছিল করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে কোর্ট স্টেশনের প্লাটফর্মের ওপর চায়ের দোকানে থাকা কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করেন। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ধাওয়া করে সড়ক ফাঁকা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত ১০টার দিকে মজমপুর রেলগেটের রাজ্জাক তেল পাম্পের পাশে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো ফলপ্রসূ সমাধান না হওয়ায় সেখানে আবারও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবাইকে স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করে। জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী জাকির হোসেন সরকার বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় কয়েকজন নেতাদের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে। সেগুলো নিরসনের চেষ্টা চলছে। সবার সঙ্গে কথা কলে বিষয়টি সমাধান করা হবে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি লক্ষ্য করে উভয় পক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।