মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে
Why this classification
The killing of Majida Begum by Md. Joni in Hanirpar, Matlab Uttar, Chandpur, is classified as criminal violence because the motive was a family grievance. No political sides or political actors were recorded as being involved in the incident, which resulted in one fatality. This report is based on one corroborating source.
Killed
1
Injured
0
Summary
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় পারিবারিক ক্ষোভের জেরে মা মজিদা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে ছেলে মো. জনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে গত ২৫ জুন একটি কলাবাগান থেকে নিহতের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 7
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে
সারাদেশ মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে × মো. জনি চাঁদপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬ | ১৩:৩৯ - অ + চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের একটি নির্জন কলাবাগান থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে নিহতের ছেলে মো. জনিকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত এবং নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। জনি ও নিহত মজিদা বেগমের বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌর এলাকার মুল্লুক মাঝির কান্দি গ্রামে। শুক্রবার মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, গ্রেপ্তার জনি এখনো পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের হানিরপাড় এলাকার একটি নির্জন কলাবাগান থেকে আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় মরদেহের মাথার খুলির চুল খসে যায়। এছাড়া বাম হাত এবং হাঁটুর নিচ থেকে বাম পায়ের অংশ শিয়াল খেয়ে ফেলায় মরদেহটি বিকৃত হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডির সদস্যরা কাজ শুরু করলেও তখন নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মামলাটি সম্পূর্ণ ক্লুলেস হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীবের নেতৃত্বে এবং মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসানের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তদন্তের প্রতিটি ধাপ নিয়মিত মনিটরিং করা হয় এবং প্রতিদিন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লোকেশন বিশ্লেষণ, ম্যানুয়াল সোর্সিং এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে একপর্যায়ে মো. জনির ওপর সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জনি পুলিশকে জানান, তিনি ঢাকার উত্তরা এলাকায় ফল বিক্রি করেন। ছোটবেলা থেকেই পারিবারিক নানা কারণে মায়ের প্রতি তার ক্ষোভ ছিল। তার দাবি, মা একাধিক বিয়ে করায় তিনি বাবা-মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হন এবং মামার বাড়িতে অবহেলা ও কষ্টের মধ্যে বড় হন। পুলিশ জানায়, সেই ক্ষোভ থেকেই গত ১৭ জুন জনি তার মা মজিদা বেগমকে ছেংগারচর বাজার থেকে অটোরিকশাযোগে কলাকান্দা ইউনিয়নের ওই কলাবাগানে নিয়ে যান। সেখানে কলাবাগানের দুই আইলের মাঝখানে জমে থাকা পানিতে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন। পরে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি দূরের একটি পুকুরে ফেলে দেন। জনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত এবং নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে। মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, 'ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ ক্লুলেস। কোনো পরিচয় ছিল না, কোনো প্রত্যক্ষদর্শীও ছিল না। তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও মাঠপর্যায়ের নিরলস তদন্তের মাধ্যমে আমরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি।' সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীব বলেন, 'মামলাটি আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দিন-রাত পরিশ্রম করে প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের সমন্বয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। পুলিশের পেশাদারিত্ব ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই প্রকৃত আসামিকে গ্রেপ্তার করা গেছে।' বিষয় : চাঁদপুর মরদেহ উদ্ধার আরও পড়ুন মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-পথসভা চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় প্রাণনাশের হুমকি পাংশায় সন্তানকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ অযত্নে শতবর্ষী সুরেশ চন্দ্র লাইব্রেরি সর্বশেষ গুম প্রতিরোধে আলাদা আইন করছে সরকার আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এখন ক্রিপ্টো জগতে পেসমেকারসহ তিন ধরনের সরঞ্জামের দাম কমলো বর্ষায় কমছে বৃষ্টি, বাড়ছে গরম এল নিনো চলে এসেছে, চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি কক্সবাজারে হামের পর এবার বাড়ছে ডেঙ্গু আরও পড়ুন ×
