স্কুলছাত্রীকে লাথি: অভিযুক্ত কিশোর পরিবারের জিম্মায়, কিশোরীকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Narayanganj. Parties reported: Accused Teenager, Victim Schoolgirl. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
1
Summary
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নদীপাড়ের ওয়াকওয়েতে এক স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে পুলিশ। ভুক্তভোগী পরিবার মামলা না করায় তাকে সমাজসেবা কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
74% · severity 2
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
স্কুলছাত্রীকে লাথি: অভিযুক্ত কিশোর পরিবারের জিম্মায়, কিশোরীকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়েতে স্কুলড্রেস পরা এক ছাত্রীকে পেছন থেকে লাথি মারছে একটি ছেলেছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্কুলছাত্রীকে লাথি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরকে সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিবারের জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকেলে ওই কিশোরকে তার রংপুরের বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় আনা হয়। পরে সেখানে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী ও অভিযুক্ত কিশোরের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্কুলছাত্রীর পরিবার মামলা না করায় সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন, সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক প্রসঙ্গত, ওই কিশোরের বাড়ি রংপুরে হলেও মা–বাবার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকে। এদিকে লাথির শিকার স্কুলছাত্রীকে টিসি দেওয়ার বিষয়ে পরিবারের অভিযোগের পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন। সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ওই কিশোরকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তার পরিবার এবং স্কুলছাত্রীর পরিবারকে নিয়ে থানায় বসা হয়েছিল। স্কুলছাত্রীর পরিবার মামলা না করায় সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। স্কুলছাত্রীকে লাথি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরকে তার মা–বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানা। আগামী ছয় মাস তাকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। এ সময় তাঁর মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনবার প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে হাজিরা দিতে হবে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী ও তাঁর পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। আগামী ছয় মাস তাকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। এ সময় তাঁর মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনবার প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে হাজিরা দিতে হবে। গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলের পোশাক পরা এক ছাত্রী শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। এ সময় পেছন থেকে এক কিশোর তাকে লাথি মারছে। ছাত্রীটি প্রতিবাদ করলে আবারও তাকে লাথি মারা হয়। পরে ভিডিওটি ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত কিশোরকে ধরে নিয়ে সালিস করেন। সেখানে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। স্কুলছাত্রীকে টিসি দেওয়ার বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, টিসি দেওয়ার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিন প্রধান বলেন, ‘ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়া এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, এলাকাবাসী আমরা সবাই বসে ছাত্রীর পরিবারকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছি।’ আরও পড়ুন স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দিল বিদ্যালয় ০৭ আগস্ট ২০২৬ টিসি দেওয়ার বিষয়ে পরিবারের দাবির প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, তাদের চাপে রাখতে এটা বলা হয়েছিল। এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ, এলাকার লোকজন বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নির্যাতনঢাকা বিভাগনারায়ণগঞ্জসোনারগাঁঅভিযোগ
