রুমমেটের দেহ ৭ টুকরো করে পাঁচ জায়গায় ফেলে আসেন শাহীন: পুলিশ
Why this classification
This is a single, concrete murder: one roommate, Shahin Alam, stabbed Mohammad Obaidullah with a chapati (cleaver) in Motijheel, Dhaka, after a late-night argument, and then dismembered the body. The killing happened on Friday night, which is within the recent window, and the body parts were found across several Dhaka locations, so it counts as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে মতিঝিলে রুমমেট মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শাহীন আলম। এরপর তিনি মরদেহ টুকরো করে নয়াপল্টন, গুলিস্তান, কমলাপুর ও আমিনবাজারে ফেলে আসেন এবং পরে গ্রেপ্তার হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রুমমেটের দেহ ৭ টুকরো করে পাঁচ জায়গায় ফেলে আসেন শাহীন: পুলিশ
রুমমেটের দেহ ৭ টুকরো করে পাঁচ জায়গায় ফেলে আসেন শাহীন: পুলিশ শাহীন আলম সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ | ২০:৪৫ রাজধানীর মতিঝিলে রুমমেট মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহকে খুনের পর সাত টুকরো করে কালো পলিথিনে ভরেন শাহীন আলম। এরপর রাত ১২টা থেকে পরদিন সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে ঢাকার পাঁচ জায়গায় মরদেহের খন্ডিত অংশ ফেলে আসেন। রুমমেটকে হত্যা করে স্বাভাবিক ছিলেন হোটেল কর্মচারী শাহীন। আজ রোববার রাজধানীর মিন্টোরোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলেন এ তথ্য জানান পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ। গতকাল শনিবার পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী সমকালকে জানান, শুক্রবার রাত ২টার দিকে প্রথমে নয়াপল্টনে স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তায় কালো পলিথিনে একটি কাঁটা পা পাওয়া যায়। এরপর শরীরের অন্য অংশগুলোর খোঁজ চালানো হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় গুলিস্তান স্টেডিয়ামের ১৩ নম্বর গেটের কাছে দুইটি কাটা হাত উদ্ধার করা হয়। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে কমলাপুর স্টেশনের প্লাটফর্মে আরও একটি পা পাওয়া যায়। পরে আঙুলের ছাপ থেকে তার পরিচয় শনাক্ত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপ-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ জানান, নিহত ব্যক্তির নাম ওবায়দুল্লাহ। একটি হোমিও ক্লিনিকে মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে। তার সূত্র ধরে দুপুরে অভিযান চালিয়ে শাহীনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, তিন মাস আগে হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে প্রথমে গুলিস্তানের একটি হোটেলে কাজ নেন। সেখানে ২০ দিন কাজ করার পর বেতন কম হওয়ায় চাকরিটি ছেড়ে দেন। এরপর বাল্যবন্ধু মারুফের কমলাপুরের বাসায় ওঠেন। মারুফ হবিগঞ্জে চলে গেলে শাহীন দুই মাস ধরে ওবায়দুল্লাহর সঙ্গে কবি জসীম উদ্দীন রোডের একটি বাড়ির ৬ তলায় থাকা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি মতিঝিলের হীরাঝিল হোটেলে কাজ নেন। উপ-কমিশনার বলেন, গত শুক্রবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে শাহীনকে ফোন করে ওবায়দুল্লাহ সিগারেট আনতে বলেন। শাহীন টাকা নেই জানান। ওবায়দুল্লাহ তাকে টাকা দিলে সিগারেট এনে দেন। কিছুক্ষণ পর ওবায়দুল্লাহ আবার তাকে দিয়ে রুটি ও কাবাব কিনে আনান। রমজান মাসে ইফতারের পর ছয় তলা থেকে বারবার ওঠানামা করায় শাহীন বিরক্ত হন। তিনি আরও জানান, রাতে শাহীন ঘুমানোর চেষ্টা করলে ওবায়দুল্লাহ উচ্চৈঃস্বরে ফোনে কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে শাহীন রান্নাঘর থেকে চাপাতি এনে ওবায়দুল্লাহকে কুপিয়ে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর শাহীন নিজেকে বাঁচানোর জন্য মরদেহ থেকে চার হাত পা ও মাথা বিচ্ছিন্ন করেন। কোমর থেকেও দুই টুকরো করা হয়। কালো পলিথিনে দেহের খণ্ডিত অংশ ঢোকান। রাত ১২টার পর সাইকেলে করে নয়াপল্টনে একটি কাটা পা, গুলিস্তান স্টেডিয়ামের গেটে দুটি হাত, কমলাপুর স্টেশনে একটি পা এবং কমলাপুরে ময়লার ডাস্টবিনে মাথা ফেলে আসেন। শনিবার সকালে দেহের দুটি খণ্ডিত অংশ বালতিতে নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে আমিনবাজারের সালেহপুর ব্রিজের নিচে ফেলে আসেন তিনি। তিনি আরও জানান, শুক্রবার রাত ২টায় নয়াপল্টনে স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে একটি কাটা পা, পরদিন সকালে গুলিস্তানে স্টেডিয়ামের ১৩ নম্বর গেটে দুটি কাটা হাত, রাতে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে একটি পা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে শনিবার দুপুরে শাহীনকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যে কমলাপুরে ময়লার ডাস্টবিনে কাটা মাথা উদ্ধারে যায় পুলিশ। কিন্তু এর আগেই ওই ডাস্টবিন মাতুয়াইলে সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ভাগাড়ে নিয়ে যায় কর্মীরা। পরে ভাগাড়ে ময়লার ভেতর থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়। গতকাল আমিনবাজারের সালেহপুর ব্রিজের নিচ থেকে কোমরের অংশ উদ্ধার করা হয়। বুকের অংশ এখনও পাওয়া যায়নি। শাহীনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় হত্যা মামলা হয়েছে বলে জানান পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ। - বিষয় : - রাজধানী
