ইবিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কক্ষে ছাত্রদলের ভাঙচুর ও হেনস্তা
Why this classification
[ { "justification": "This incident at the Islamic University in Kushtia on August 16, 2026, is classified as political violence because activists from the BNP-affiliated student wing, Chhatradol, targeted offices associated with Awami League-aligned teachers and officials over a political posting issue. During the confrontation, the perpetrators carried out attacks, vandalism, and physical assaults that resulted in three injuries. The specific perpetrator and victim sides are not officially recorded in the database metrics beyond the political affiliations of the groups involved, and no infrastructure damage was formally documented. Three independent sources corroborate the details of this event." } ]
Killed
0
Injured
3
Summary
২০২৬ সালের ১৬ আগস্ট ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ আগস্টের পোস্টকে কেন্দ্র করে আওয়ামীপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষে হামলা ও ভাঙচুর চালায় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এ সময় কয়েকজনকে মারধর ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ইবিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কক্ষে ছাত্রদলের ভাঙচুর ও হেনস্তা
সারাদেশ ইবিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কক্ষে ছাত্রদলের ভাঙচুর ও হেনস্তা × ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল আওয়ামীপন্থি কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তার অফিস কক্ষে হামলা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ০৯:৩৪ - অ + বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ১৫ আগস্ট ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীপন্থি কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তার অফিস কক্ষে হামলা, ভাঙচুর এবং তাদের শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে ছাত্রদল। গতকাল রোববার দুপুরে প্রশাসন ভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, টিএসসিসি ও কয়েকটি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ক্যাম্পাসে না আসতে হুমকি দেওয়া হয়। জানা গেছে, দুজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মকর্তার অফিস কক্ষে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। প্রথমে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসন ভবনের সংস্থাপন শাখার সাব-রেজিস্ট্রার ইব্রাহিম হোসেন সোনার কক্ষে যান ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এ সময় কক্ষ ভাঙচুর ও তাঁকে হেনস্তা এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শাখা কর্মকর্তা টিটুল আহমেদকে হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করা হয়। পরে টিএসসিসির অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার বিপুল আহমেদকে মারধর ও তাঁর টেবিল ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা। এরপর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতির কক্ষে গিয়ে বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলামকে হুমকি-ধমকি দেন তারা। ফেরার পথে বিভাগটির ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়। সর্বশেষ তারা ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের কক্ষে গিয়ে তাঁকে হেনস্তা ও বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করেন। তাঁর কক্ষে আলমারিতে থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ছবিও ভাঙচুর করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসব ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তরা হলেন– শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদ তৌফিক ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদস্য রেজাউল ইসলাম রাকিব, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শাহরিয়ার রশিদ নিলয় ও খালেদ সাইফুল্লাহ এবং কর্মী রাহি, সাবিক, উল্লাস মাহমুদ, নাঈম, সিজান, সাগর আলী ও কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তাদির আহমেদসহ ২৫ জন নেতাকর্মী। ঘটনার বিষয়ে অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর যেহেতু এই বিভাগের এবং প্রক্টর আমার ছাত্র। বিষয়টি তিনিই ভালো বলতে পারবেন। সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, অফিসে বসেছিলাম। কিছু ছেলেপেলে এসে বলে ‘আপনি শেখ মুজিবকে নিয়ে পোস্ট দিছেন, কালকে থেকে আসবেন না।’ এ সময় তারা আমাকে গালাগাল করে এবং হুমকি-ধমকি দেয়। চলে যাওয়ার সময় আমার ছাত্রদেরকেও তারা মারধর করেছে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শাখা কর্মকর্তা টিটুল আহমেদ বলেন, দুপুরে আমি অফিসে বসে ছিলাম। তারা হঠাৎ এসে বলে তুই শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক জানিয়ে পোস্ট দিছিস কেন? তুই আর এখন থেকে ক্যাম্পাসে আসবি না। তারা আমার দিকে একটা প্লেট ছুড়ে মারে এবং মারতে উদ্যত হয়। হামলা-ভাঙচুরের বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগকে নিয়ে পোস্ট করে ক্যাম্পাসকে অশান্ত করার চেষ্টা করেছেন। তারা এখনও আওয়ামী লীগকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চান, ফ্যাসিজম কায়েম করতে চান। তা দমাতেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন অফিসে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। যাদের বিষয় নজরে এসেছে, আমরা তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। ফ্যাসিস্টদের বিষয়ে প্রয়োজনে আমরা আইন হাতে তুলে নেব। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় তবে আমাদেরই আইন হাতে তুলে নিতে হবে। প্রক্টর ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, যেসব ঘটনা ঘটেছে প্রক্টরিয়াল বডি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সেগুলো সামাল দিয়েছে। উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, কোনো ব্যক্তি বা ছাত্র সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তার ওপর চড়াও হতে পারে না। সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠনকে ডেকে কথা বলেছি। তারা ভুল স্বীকার করেছে। আশা করছি তারা ভবিষ্যতে আর এ ধরনের কাজ করবে না। আর ফ্যাসিস্টদের বিষয়ে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। কমিটি আরও ১৫ দিন সময় চেয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন জমা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয় : বঙ্গবন্ধু আরও পড়ুন হাটহাজারীতে যুবককে ধাওয়া করে গুলি মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে অস্ত্র হাতে সাবেক ছাত্রদল নেতার মহড়া এমপির গাড়িতে হামলার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে অভিযুক্তকে সাতবার কান ধরে উঠবস সর্বশেষ ডেমরায় উদ্ধার বোমা ছিল ‘ডেটো বোমা’ মিয়ানমারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালেন রোহিঙ্গারা দুদকের নতুন চেয়ারম্যান সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ককরোচ আন্দোলনে বিজেপি কি বদলাবে হাটহাজারীতে যুবককে ধাওয়া করে গুলি মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে অস্ত্র হাতে সাবেক ছাত্রদল নেতার মহড়া ইউএন গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফোরামে বাংলাদেশের টেকসই উৎপাদনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরল উর্মি গ্রুপ সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে নাট্যোৎসব আরও পড়ুন ×
বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে পোস্ট: ইবিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের হেনস্তা ও কক্ষ ভাঙচুর ছাত্রদলের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক-কর্মকর্তাদের হেনস্তা, মারধরের চেষ্টা ও কক্ষ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাঁচ শিক্ষক-কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা ফেসবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাখা ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসন ভবনের উপ-রেজিস্ট্রার ইব্রাহিম হোসেন সোনার কক্ষ ভাঙচুর ও তাকে হেনস্তা করেন। পরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কর্মকর্তা টিটুল আহমেদকে হুমকি ও মারধরের চেষ্টা এবং টিএসসিসির সহকারী রেজিস্ট্রার বিপুল আহমেদকে হুমকি ও তার টেবিল ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ছাড়া হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলামকে হুমকি, একই বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হেনস্তা এবং ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানকে হুমকি, হেনস্তা ও তাঁর কক্ষে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়। সংশ্লিষ্টদের ক্যাম্পাসে না আসার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদ তৌফিক ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদস্য রেজাউল ইসলাম রাকিব, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শাহরিয়ার রশিদ নিলয় ও খালেদ সাইফুল্লাহ এবং কর্মী রাহি, সাবিক, উল্লাস মাহমুদ, নাঈম, সিজান ও সাগর আলী ও কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মুক্তাদির আহমেদসহ প্রায় ২৫ জন নেতা-কর্মী। এ বিষয়ে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. উম্মে সালমা লুনা বলেন, ‘আমার কক্ষে এসে এ ঘটনা ঘটানো কোনোভাবেই কাম্য নয়। যাওয়ার সময় তারা কয়েকজন শিক্ষার্থীকেও মারধর করেছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি।’ কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শাখা কর্মকর্তা টিটুল আহমেদ বলেন, “দুপুরের সময় আমি অফিসে বসে ছিলাম। তারা হঠাৎ এসে বলে, ‘তুই মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক জানিয়ে পোস্ট দিয়েছিস কেন? তুই আর এখন থেকে ক্যাম্পাসে আসবি না।’ এরপর তারা আমার দিকে একটি প্লেট ছুড়ে মারে এবং মারতে উদ্যত হয়। হুমকি-ধমকি দিয়ে তারা চলে যায়। ” অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর যেহেতু এই বিভাগের এবং তিনি আমার ছাত্র, সেহেতু তিনিই এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।’ তবে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, ‘১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগকে নিয়ে পোস্ট করে শান্ত ক্যাম্পাসকে অশান্ত করার চেষ্টা করেছেন। তা রুখে দিতে ছাত্রদল প্রস্তুত ছিল। যেগুলো আমাদের নজরে এসেছে, আমরা সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। আজ ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা যারা আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে তাদের সঙ্গে কথা বলেছে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমাদেরই আইন হাতে তুলে নিতে হবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে মিটিং করছি। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট ছাত্রসংগঠনকে ডেকে কথা বলেছি। তারা বিষয়টিতে ভুল স্বীকার করেছে। আমি আশা করছি, তারা ভবিষ্যতে আর এ ধরনের কাজ করবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য আইন রয়েছে। কেউ আইন লঙ্ঘন করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। কোনো ব্যক্তি বা ছাত্রসংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তার ওপর চড়াও হতে পারে না।’
ইবিতে শিক্ষকদের কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনা তদন্তে কমিটি
ইবিতে শিক্ষকদের কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনা তদন্তে কমিটি Advertisement ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ছাত্রদলের নেতাকর্মী কর্তৃক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীপন্থি কয়েক শিক্ষক-কর্মকর্তার অফিস কক্ষে ভাঙচুর ও হেনস্তার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামানকে আহ্বায়ক এবং উপ-রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) জামিরুল ইসলামকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। সদস্য হিসাবে রয়েছেন ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আসাদ-উদ-দৌলা। কমিটিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণসহ সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ১৫ আগস্ট ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ও তিন কর্মকর্তার অফিস কক্ষে হামলা, ভাঙচুর ও তাদের শারীরিকভাবে হেনস্তা করে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ওই শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ক্যাম্পাসে না আসতেও হুমকি দেওয়া হয়। এদিকে সারা দেশে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সোমবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রদল। মিছিলে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন, সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ ও সাবেক সম্পাদক রাশেদুল ইসলামসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
