বংশ পরম্পরায় ভোগ করা দোকানের বরাদ্দ বাতিল, পরে দখল

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

লাঠি ও দেশি অস্ত্র নিয়ে দোকানের তালা ভেঙে জোরপূর্বক দখল করার একটি নির্দিষ্ট ঘটনা এতে বর্ণিত হয়েছে, যা সম্পদের জোরপূর্বক দখল ও ভাঙচুর হিসেবে সহিংস ঘটনার সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

Reported by:SamakalSingle source
04/07/26•বাগমারা বাজার, জমজম মার্কেট, নবাবগঞ্জ

Killed

0

Injured

0

Summary

(৪ জুলাই) সকাল ১১টায় আরিফ খান ও তার লোকজন বাগমারা বাজারে সুভাষ চন্দ্র পালের দোকানের তালা ভেঙে দখল করে নেয়। লাঠি ও দেশি অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়; ভুক্তভোগী জেলা প্রশাসক ও থানায় অভিযোগ করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আরিফ খানসুভাষ চন্দ্র পালমো. আসিফ রহমান (সহকারী কমিশনার, ভূমি)

Affected infrastructure

দোকানশাটারের তালা

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 05/07/26open original ↗

বংশ পরম্পরায় ভোগ করা দোকানের বরাদ্দ বাতিল, পরে দখল

বংশ পরম্পরায় ভোগ করা দোকানের বরাদ্দ বাতিল, পরে দখল দখল হওয়া দোকান সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬ | ০২:২৫ | আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ | ১১:৫৯ ঢাকার নবাবগঞ্জের বাগমারা বাজারের জমজম মার্কেট সংলগ্ন অর্পিত সম্পত্তির এক শতাংশ জমির ওপর নির্মিত একটি দোকান বংশ পরম্পরায় ভোগ করে আসছিলেন স্থানীয় সুভাষ চন্দ্র পাল। কারসাজি করে সম্প্রতি তার সেই দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে আরিফ খান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তার নামে থাকা বরাদ্দ বাতিল করে আরিফ খানকে সাব লিজ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। আরিফ খান এলাকার কিছু লোকের সহায়তায় টাকার বিনিময়ে ভূমি অফিস ম্যানেজ করে আগের বরাদ্দ বাতিল এবং নিজের নামে বরাদ্দ নিয়েছেন। সুভাষ চন্দ্র সমকালকে বলেন, ‘অন্যায়ভাবে আমার নামে বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। এক্ষেত্রে মোটা অংকের অর্থ লেনদেন হয়েছে। আমরা অসহায়, পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই।‘ তিনি জানান, আরিফ খান শনিবার তার দোকানটি দখল করে নিয়েছেন। এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসিফ রহমানের কাছে জানতে চাইলে সমকালকে তিনি বলেন, ‘সুভাষ চন্দ্র দোকানটি আরিফ খানের কাছে ভাড়া দেওয়ায় লিজের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে।‘ বরাদ্দ বাতিলের ব্যাপারে তাকে নোটিশ দেওয়া হয়নি বলে স্বীকার করেন সহকারী কমিশনার। নতুন বরাদ্দ পাওয়া আরিফ খান বলেন, ‘দোকানটি সুভাষ চন্দ্র পালের নামেই লিজ ছিল। ভাড়া নিয়ে সেখানে ব্যবসা করতাম। এক পর্যায়ে উপজেলা ভূমি অফিসে লিজ মানি পরিশোধ করে দোকানটি বরাদ্দ নিয়েছি।‘ ভূমি অফিস থেকে গত ২৫ জুন তার নামে ১৪৩২ সালের ডিসিআর কাটা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। সুভাষ চন্দ্রের দাবি, সরকারকে লিজ মানি দিয়ে ৬০/৭০ বছর ধরে ওই জমি ও দোকান ভোগ করে আসছে তার পরিবার। সবশেষ ২০২৪ সালের ২৩ মে তিনি ১৯ হাজার ১১৮ টাকা লিজ মানি পরিশোধ করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ৩০ জুন ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেন সুভাষ চন্দ্র। তারও আগে গত ২৬ জুন তিনি নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে একটি আবেদনপত্র দেন। শনিবার তালা ভেঙে আরিফ খান দোকানটি দখলে নেওয়ার পর আবারও থানায় অভিযোগ জানান। জেলা প্রশাসককে দেওয়া আবেদনে সুভাষ চন্দ্র উল্লেখ করেন, বাগমারা মৌজার ৩৮, ৯৯ এসএ খতিয়ানের ৩৯, ৪৩ দাগের ০.০১০০ শতাংশ 'ক' তালিকাভুক্ত অর্পিত সম্পত্তির জায়গা সরকারের কাছে লিজ নিয়ে টিনশেড দোকান নির্মাণ করে বংশ পরম্পরায় তিনি ভোগ করে আসছেন। নিয়মিত লিজ মানি পরিশোধ করছেন। কিন্তু হঠাৎ করে দোকান থেকে তাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। উপজেলার বড় বলমস্তচরের (ইউপি-বাহা) আরিফ খান দোকানটি দখল করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। শনিবার সকাল ১১টার দিকে আরিফ খান ও তার লোকজন শাটারের তালা ভেঙ্গে দোকানটি দখল করেছেন বলে নবাবগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিয়েছেন সুভাষ চন্দ্র। অভিযোগপত্রে তিনি বলেন, তাদের হাতে লাঠি ও দেশি অস্ত্র ছিল। দোকানের মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় বাঁধা দিলে অস্ত্রের ভয় দেখানো হয়। দোকানটি রক্ষায় পুলিশের সহায়তা চান তিনি।