সিলেটে হামলা চালিয়ে বাউলগানের আসর পণ্ড

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as terrorism / extremist attacks in Sylhet. Parties reported: Local Religious Extremists, Baul Devotees. Reported by 2 sources.

Reported by:Ajker PatrikaJugantorSamakalCorroborated · 3 sources
22/03/26•Sreepur, Bishwanath

Killed

0

Injured

0

Summary

২০২৬ সালের ২২ মার্চ সিলেটের বিশ্বনাথের শ্রীপুর গ্রামে ইব্রাহিম শাহ মাজারে বাউলগানের আসরে একদল লোক ধর্মীয় স্লোগান দিয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে বাদ্যযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শতবর্ষী এই অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।

AI analysis

Category

Terrorism / Extremist Attacks

Confidence

74% · severity 4

Parties involved

Local Religious ExtremistsBaul Devotees

Tags

Extremist ViolenceMinority AttackVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 25/03/26open original ↗

বিশ্বনাথে মাজারে হামলা, ওরস ও গানের প্যান্ডেল ভাঙচুর

বিশ্বনাথে মাজারে হামলা, ওরস ও গানের প্যান্ডেল ভাঙচুর পাল্টা হামলায় উত্তেজনা, পুলিশ মোতায়েন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে গত রোববার বাউলগানের আসরে হামলা চালিয়ে পণ্ড করে দেয় একদল মানুষ সমকাল বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬ | ০৮:৫৫ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ | ০৮:৫৬ | প্রিন্ট সংস্করণ সিলেটের বিশ্বনাথের শ্রীপুর গ্রামে ইব্রাহিম মাস্তান ওরফে ইবই শাহ্র মাজারে ওরস চলার সময় হামলা হয়েছে। গত রোববার শুরু হওয়া ওই ওরসে মাজার ভক্তরা প্যান্ডেল তৈরি করে গানের আসর বসান। উচ্চস্বরে বাউল গান করা ও মাদক সেবনের অভিযোগ তুলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মিছিল নিয়ে হামলা চালিয়ে গানসহ ওরস বন্ধ করে দেয় স্থানীয়রা। এর প্রতিবাদে সোমবার ভোরে গ্রামের মসজিদের মুয়াজ্জিনকে ধাওয়া করে অবরুদ্ধ করেন মাজারের ভক্তরা। এ সময় মসজিদের জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করায় গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তিন দিনব্যাপী ওরস গতকাল মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ওরস শুরু করা হয়। রোববার রাতে স্থানীয় ইসলামী সংগঠন ‘আল-ইকরা তাফসিরুল কোরআন’-এর কর্মী এবং রামপাশা মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা হামলা চালান। তারা মঞ্চে উঠে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন। এ সময় গান এবং ওরস বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে সোমবার ভোরে মাজারের খাদেম দুদু মিয়ার অনুসারী কাপ্তান মিয়া ও তাঁর ছেলে সাহেল মিয়ার নেতৃত্বে ভক্তরা মাজারের সামনে কাচা মিয়া নামে এক ব্যবসায়ীকে মারধর করেন। তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরপর তারা স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন মুহিবুর রহমান মাশকুরকে ধাওয়া করে মসজিদে অবরুদ্ধ এবং জানালার কাচ ভাঙচুর করেন। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার বিকেলে পুলিশ গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। আহত কাচা মিয়া জানান, তার ভাই-ভাতিজারা গান-বাজনা বন্ধের মিছিলে থাকায় মাজার ভক্তরা তাঁকে মারধর করে এবং টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। মাজারের খাদেম দুদু মিয়া বলেন, শতাধিক বছর ধরে এই মাজারে ওরস চলে আসছে। অন্যান্য বারের মতো প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ওরসের আয়োজন করা হয়। এবারই প্রথম নানা অভিযোগ এনে হামলা চালানো হয়েছে। মসজিদে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান সমকালকে বলেন, দু’পক্ষই ভুল স্বীকার করেছে এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান করা হবে।    - বিষয় : - হামলা

Source 2: Ajker Patrika · 24/03/26open original ↗

সিলেটে হামলা চালিয়ে বাউলগানের আসর পণ্ড

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় হামলা চালিয়ে বাউলগানের আসর পণ্ড করার ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার রাতে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে ইব্রাহিম শাহ মাজারের পাশে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলাকারীরা ‘নারায়ে তকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘ইসলামের শত্রুরা, হুশিয়ার সাবধান’ স্লোগান দিয়ে হামলা চালায়। তাদের কয়েকজনের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল। তারা অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর শুরু করে। মঞ্চে থাকা বাদ্যযন্ত্র ও সাউন্ড সিস্টেম ভেঙে ফেলে হামলাকারীরা। আচমকা আক্রমণে ভয়ে অনুষ্ঠানস্থল থেকে পালিয়ে যান আয়োজক ও মাজারের ভক্তরা। এতে অনুষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে পণ্ড হয়ে যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাঙচুর চালানোর পর হামলাকারীরা মিছিল করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে। আয়োজকদের ভাষ্য, ইব্রাহিম শাহ মাজারকে কেন্দ্র করে প্রায় ১০০ বছর ধরে নির্দিষ্ট একটি সময়ে বাউলগানের আসর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলের ভক্ত-দর্শনার্থীরা অংশ নেন। এর ধারাবাহিকতায় এবারও তিন দিনব্যাপী বাউলগানের আসরের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন রোববার রাতে হঠাৎ শতাধিক লোক সংঘবদ্ধ হয়ে সেখানে হামলা চালিয়ে বাউলগানের আসর পণ্ড করে দেয়। ঘটনার পর মাজারের খাদেম দুদু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘১০০ বছর ধরে মাজারকে ঘিরে ওরস অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। এতে প্রতিবছরই সিলেটের বিভিন্ন এলাকার ভক্তরা আসেন। রোববার রাতে হঠাৎ এক ব্যক্তি তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গ ও আত্মীয়স্বজন নিয়ে এসে গানের আসরে হামলা চালান। হামলাকারীরা ঘটনার আগে কোনো অভিযোগ মাজার কর্তৃপক্ষকে করেননি। পরে হামলাকারীরা ঘটনাটি ভিন্ন দিকে নিয়ে যেতে গতকাল ভোরে পাশের মসজিদের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে মাজারের ভক্তদের এই ঘটনায় দোষারোপ করেন।’আজ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি মাজারের ভেতরে নয়। মাজারের মূল ভেন্যুর বাইরে গ্রামের পাশে তৈরি করা একটি মঞ্চে গানবাজনা হচ্ছিল। তাদের তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান ছিল। রাতে স্পিকারে বেশি সাউন্ড দিয়ে গান বাজানোয় স্থানীয় মানুষের ঘুমে ব্যাঘাত হচ্ছিল; তারা এসে গান বন্ধ করে দিয়েছে। এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে সমাধান হয়ে গেছে।’ ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। মাজারের মূল ভেন্যুতে কিছু হয়নি। তাদের তিন দিনের অনুষ্ঠান যেটা, সেটা চলেছে।’

Source 3: Jugantor · 24/08/26open original ↗

বিশ্বনাথে আসামি জামায়াত শিবিরসহ দলীয় নেতা

আ.লীগের নামে বিএনপি নেতার মামলা বিশ্বনাথে আসামি জামায়াত শিবিরসহ দলীয় নেতা Advertisement বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলার তিন দিনের ভেতর এবার উপজেলা আ.লীগের ৯২ নেতাকর্মীর নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছেন এক বিএনপি নেতা। গত ২০ আগস্ট রাত পৌনে ১টার দিকে থানায় এ মামলাটি করেন অলংকারি ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ইরন মিয়া। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৬০-৭০ জনকে। মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় আসামিরা রামপাশা ইউনিয়নের বিশ্বনাথ লামাকাজী পাকা সড়কে গাড়ির টায়ারে অগ্নিসংযোগ যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দেশবিরোধী স্লোগান দেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করাসহ অস্থিতিশীলতা তৈরি করেন। এতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এ মামলাটি দায়ের করেছেন বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন। তবে এ মামলায় জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতাদেরও আসামি করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন-অলংকারি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক এখলাছ মিয়া, রামপাশা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে জামায়াত সমর্থক রেনু মিয়া ও খাজাঞ্চি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রশিবির সভাপতি রনি মিয়া। ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক এখলাছ মিয়া বলেন, তিনি বিএনপি করলেও আ.লীগের সঙ্গে প্রতিহিংসামূলকভাবে তাকে ৬৮নং আসামি করা হয়েছে। জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, তার দলের কর্মী রেনু মিয়া ও ছাত্রশিবির সভাপতি রনি মিয়াকে এ মামলায় মিথ্যা আসামি করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের এ মামলায় আসামি করার বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া ও থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। তারা দুজনই আশ্বস্ত করেছেন, তদন্তের পর তাদের নাম বাদ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে মামলার বাদী ইরন মিয়া বলেন, মামলায় জামায়াত, শিবির ও বিএনপি নেতা আসামি হওয়ার বিষয়ে তিনি জানবেন তো দূরের কথা, মামলার বাদী হওয়ার হিসাবেও তিনি কিছুই জানেন না। তবে একটি কাগজে তিনি স্বাক্ষর করেছেন বলে স্বীকার করেন।