এমপি আয়নুল ও আমির হামজার গাড়িতে হামলা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as political violence because it involves targeted attacks on the vehicles of two sitting Members of Parliament by rival political party members, resulting in physical clashes and property damage.

Reported by:JugantorProthom AloSamakalAjker PatrikaDhaka PostCorroborated · 5 sources
15/08/26•Dhangara Bazar, Sirajganj and Choy Rastar Mor, Kushtia

Killed

0

Injured

15

Summary

২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জে বিএনপি সংসদ সদস্য আয়নুল হক এবং কুষ্টিয়ায় জামায়াত সংসদ সদস্য আমির হামজার গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদ ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

JamaatNCPGono Odhikar Parishad

Victim side

BNPJamaat

Other actors

Ainul Haque (MP)Amir Hamza (MP)Abdul Khalek (Gono Odhikar Parishad)Toukir (Gono Odhikar Parishad)

Affected infrastructure

MP Ainul Haque's carMP Amir Hamza's carGono Odhikar Parishad district office

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 15

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jamaat, NCP, Gono Odhikar Parishad

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (6 sources)

Source 1: Samakal · 25/08/26open original ↗

এমপি আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

সারাদেশ এমপি আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার × গ্রেপ্তার তমাল সরকার ​সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬ | ১১:৪৫ | আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬ | ১১:৪৯ - অ + ​সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় প্রধান আসামি তমাল সরকারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তমাল ওই এলাকার মৃত সিরাজ সরকারের ছেলে। রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান তমাল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় ধানগড়া বাজারে প্রস্তাবিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) জায়গা নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন সংসদ সদস্য আয়নুল হক। সভা শেষে ফেরার পথে তাঁর গাড়িবহরে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সংসদ সদস্য অক্ষত থাকলেও তাঁর গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিকে, স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করে ঘটনার রাতেই রায়গঞ্জ থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। এর আগে এ মামলায় রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুক্তাদির ও স্থানীয় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালত তাদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। মামলার অপর চার আসামি বর্তমানে আগাম জামিনে থাকলেও বাকিরা পলাতক। ​অন্যদিকে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাকে আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম খানকে সদস্যসচিব করে ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি। প্রসঙ্গত, ওই দিন সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভও হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মতবিনিময় সভা শেষে সংসদ সদস্য আয়নুল হক গাড়িবহর নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তার গাড়িবহরে হামলা ও একটি গাড়ির পেছনের কাচ ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজিত একটি রাজনৈতিক পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে। তিনি নিজে হামলাকারীদের দেখেছেন দাবি করে বলেন, হামলায় তার গাড়ির পেছনের কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে।’ পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক লাইভ বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীদের হাতে অস্ত্র ছিল বলেও তিনি দাবি করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা পরিবেশ ও জলবায়ু কর্মী ফয়সাল বিশ্বাস অভিযোগ করেন, ‘জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির, এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা হামলায় জড়িত ছিলেন।’ তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর নেতারা। বিষয় : রায়গঞ্জ গাড়িবহরে হামলা গ্রেপ্তার পুলিশ সংশ্লিষ্ট খবর সিরাজগঞ্জে এমপির গাড়িবহরে হামলা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ-বিক্ষোভ আরও পড়ুন দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত চট্টগ্রামে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে চীনা-পাকিস্তানিসহ ৭০ জন আটক মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিয়ে আবার কারাগারে চিন্ময় লালমনিরহাট সীমান্তে গুলি ছুড়ে ৫ নৌকা নিয়ে গেল বিএসএফ সর্বশেষ ইউক্রেনে শপিং মলে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ৫, আহত ৬৭ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ প্রার্থী হলে সমস্যা নেই: মীর শাহে আলম দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত নারী সাংবাদিকদের পর্দা করে আসতে বললেন ফয়জুল করীম দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান নভেম্বরের আগে থামছে না যুদ্ধ, কমবে না তেলের দাম ৩২ ধরনের শিশুখাদ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট চট্টগ্রামে অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত সন্দেহে চীনা-পাকিস্তানিসহ ৭০ জন আটক আরও পড়ুন ×

Source 2: Ajker Patrika · 15/08/26open original ↗

রায়গঞ্জে এমপি আয়নুলের গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, অভিযোগ এনসিপি-শিবিরের বিরুদ্ধে

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি এনসিপি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও শিবিরকে দায়ী করেছেন।আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান আয়নুল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘হামলায় সংসদ সদস্য আহত হননি। তবে তাঁর গাড়ির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’জেলা বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ও ধানগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম খান বলেন, ‘ধানগড়া বাজারে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন-সংক্রান্ত একটি জরুরি মতবিনিময় সভা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। তিনি (এমপি) তখন ঘটনাস্থলে ছিলেন না; খবর পেয়ে রায়গঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন।’ ফেসবুকে লাইভে এসে এমপি ভিপি আয়নুল হক হামলা ও ভাঙচুরের কথা জানান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়াফেসবুকে লাইভে ভিপি আয়নুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘দুষ্কৃতকারী যারা দেশের ক্ষতি করে, দেশের ও দেশের মানুষের ক্ষতি করে। জান মালের নিরাপদ নাই আমাদের। আমরা সরকারি দল হওয়ার পরেও আমরা সুন্দর করে কথা বলেছি। জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার জন্য কাজ করছি। কিন্তু জামায়াত শিবির, এনসিপি আক্রমণ করে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। আমার গাড়িতে ঢিল ছুড়েছে। অস্ত্রসহ আমার ওপর হামলা করেছে। প্রশাসনের কাছে আমি দ্রুত দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এদের আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) হযরত আলী উসমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের উপজেলা পর্যায়ে যুবশক্তি ও এনসিপির কোনো কমিটি নেই। আর এটার সঙ্গে আমাদের কেউ জড়িত নয়।’ হযরত আলী উসমান আরও বলেন, ‘চান্দাইকোনা-ধানগড়ারে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আজকে একটি সভা হয়। চান্দাইকোনা এমপির এলাকা হওয়ায় সেখানে নেওয়ার চেষ্টা করে। অপর দিকে ধানগড়ার স্থানীয়রা সেখানে রাখার চেষ্টা করে। এটা নিয়ে সেখানকার স্থানীয়রা এমপির গাড়ির সামনে শুয়েও পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে এটা নিয়ে ঝামেলার বিষয়টি শুনেছি।’ রায়গঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির গোলাম মর্তুজা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘কোনো হামলার ঘটনাই ঘটেনি। এমপি আয়নুল হক একটা সিনক্রিয়েট করছেন। গাড়ির গ্লাস কীভাবে ভাঙল, সেটা তাঁরাই বলতে পারবেন।’গোলাম মর্তুজা আরও বলেন, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের জন্য অনেক আগেই রায়গঞ্জ পৌরসভার কাছে দেড় একর জায়গায় স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বরাদ্দ আসার পর এমপি আয়নুল হক সেটি চান্দাইকোনা এলাকায় নিতে চাইছিলেন। কিন্তু ধানগড়ার লোকজন, যারা বিএনপি করে, তারাও এটা মেনে নিতে পারেনি। সে জন্য আজকে একটি মতবিনিময় সভা করতে এসেছেন, কিন্তু কেউ তাঁর কথা শোনেনি। পরে এমপি আয়নুল হক যাওয়ার সময় লোকজনের ওপর গাড়ি তুলে দিয়েছেন।

Source 3: Dhaka Post · 24/08/26open original ↗

সিরাজগঞ্জে এমপির গাড়িতে হামলা, ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) ভিপি আয়নুল হকের ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা বিএনপি। সোমবার (২৪ আগস্ট) জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর অনুমোদনে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাকে আহ্বায়ক এবং সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক ভিপি শামীম খানকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ সুইট, দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ, সহ-প্রচার সম্পাদক রেজাউল করিম খান, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এম. দুলাল উদ্দিন আহমেদ, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলামিন খান, সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদ এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মিলন হক রঞ্জু। তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লিখিত সুপারিশ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ১৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই রাতেই রায়গঞ্জ থানায় স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার ঘটনায় পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মো. গোলাম মুক্তাদীর ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর আদালত তাদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। হামলার ঘটনায় এমপি আয়নুল হক জামায়াত-শিবির ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের দায়ী করলেও অভিযোগ অস্বীকার করেছে জামায়াত ও এনসিপি। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। মো. নাজমুল হাসান/এসএইচএ

Source 4: Jugantor · 25/08/26open original ↗

এমপি আয়নুলের গাড়িতে হামলার প্রধান আসামি তমাল গ্রেফতার

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের গাড়ি ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি তমাল সরকারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে রায়গঞ্জ থানার ওসি আহসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তমাল সরকার উপজেলার ধানগড়া বাগানবাড়ী এলাকার মৃত সিরাজ সরকারের ছেলে। ওসি জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তমাল সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ১৫ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার ধানগড়া বাজারে সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) স্থাপনের জায়গা নির্ধারণ সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা থেকে বের হওয়ার সময় এমপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এমপি অক্ষত থাকলেও গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওইদিন রাতেই স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়। পরে রায়গঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ও রায়গঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুক্তাদির এবং রায়গঞ্জ পৌরসভার রনতিথা মহল্লার বাবলু মিয়ার ছেলে ও হোটেল ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কারাগারে থাকা দুই আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত প্রত্যেকের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ মামলায় বর্তমানে চারজন আসামি আগাম জামিনে রয়েছেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন। এদিকে, সোমবার দুপুরে হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাকে আহ্বায়ক এবং সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ভিপি শামীম খানকে সদস্যসচিব করে নয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা বিএনপি।

Source 5: Jugantor · 16/08/26open original ↗

এমপি আয়নুল ও আমির হামজার গাড়িতে হামলা

রায়গঞ্জ ও কুষ্টিয়া এমপি আয়নুল ও আমির হামজার গাড়িতে হামলা Advertisement সিরাজগঞ্জ ও কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে শনিবার সন্ধ্যায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। এদিকে এদিন সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য আমির হামজার গাড়িতে হামলা হয়েছে। হামলার জের ধরে জামায়াত-গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভাঙচুর করা হয় আমির হামজার গাড়ি। পাশাপাশি হামলা চালানো হয় গণঅধিকার পরিষদের জেলা কার্যালয়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশকে নির্বিকার বসে থাকতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক বিকালে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজারে একটি সভায় অংশ নিয়ে ফেরার পথে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সংসদ সদস্যের গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি এ ঘটনার জন্য জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিকে দায়ী করেছে। হামলার প্রতিবাদ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচার চেয়ে মিছিল করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। হামলার খবরে উপজেলার চান্দাইকোনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আলী মর্তুজা বলেন, কোনো কিছু হলেই জামায়াতের ওপর দোষ চাপানো বিএনপির পুরোনো অভ্যাস। অন্যদিকে সংসদ সদস্য আয়নুল হক তার গাড়িতে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়িতে হামলার বিষয়ে জানা গেছে, ‘গণঅধিকার পরিষদ দুজনের দল’-সম্প্রতি আমির হামজার এমন বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে তার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক। বিকাল ৫টা থেকে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এই সমাবেশস্থলের অদূরে আমির হামজার বাসভবন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সমাবেশের শেষের দিকে আমির হামজা পুলিশ প্রটোকল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আমির হামজার গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুপক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পরে শিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে শহরের হাইস্কুল মার্কেটে গণঅধিকার পরিষদের জেলা কার্যালয়ে হামলা চালান। এরপর গণঅধিকার পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল খালেকের অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালান। আমির হামজা বলেন, গণঅধিকারের খালেক ও তৌকির আমার গাড়িতে হামলা করেন। ইটের আঘাতে গাড়ি ভেঙে আমার চাচার পা কেটে গেছে। আমিও কপালে আঘাত পেয়েছি। আমার দলের সাতজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে গণঅধিকারের কুষ্টিয়া শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে এমপির সমর্থকরাই অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। দলের অন্তত ৮-১০ জন আহত হয়েছেন।

Source 6: Prothom Alo · 15/08/26open original ↗

রায়গঞ্জে বিএনপির এমপির গাড়িতে হামলা

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িছবি: প্রথম আলো সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আজ শনিবার বিকেলে বিএনপির সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা হয়েছে। তিনি উপজেলার ধানগড়া বাজারে একটি সভায় অংশ নিয়ে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটেছে। হামলায় সংসদ সদস্যের গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি এ ঘটনার জন্য জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিকে দায়ী করেছে। হামলার প্রতিবাদ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচার চেয়ে মিছিল করেছেন বিএনপির নেতা–কর্মীরা। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার পর তাঁর কর্মী–সমর্থকেরা গাড়িটি ঘিরে ধরেন। আজ বিকেলে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানগড়া এলাকায়ছবি: প্রথম আলো আয়নুল হক সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য। সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আলী মর্তুজা প্রথম আলোকে বলেন, কোনো কিছু হলেই জামায়াতের ওপর দোষ চাপানো বিএনপির পুরোনো অভ্যাস। সেই অভ্যাসের কারণেই আজকের ঘটনার জন্য মিথ্যা দোষারোপ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে দলের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হবে। বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করা নিয়ে বিকেলে সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার ধানগড়া বাজারে সভা ছিল। এই সভায় বক্তব্য দেওয়ার পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সংসদ সদস্য আয়নুল হক চলে যাওয়ার সময় তাঁর গাড়ি আটকে দেন ধানগড়ার কিছু বাসিন্দা। এ সময় হঠাৎ দুর্বৃত্তদের ঢিলে তাঁর গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। পুলিশ ও দলের নেতা-কর্মীদের সহায়তায় তিনি গাড়ি নিয়ে চান্দাইকোনার দিকে চলে যান। এ ঘটনার পর ফয়সাল আহমেদ (সংসদ সদস্যের সফরসঙ্গী) নামের এক তরুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি এ হামলার জন্য জামায়াত-শিবির ও এনসিপিকে দায়ী করেন। সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার খবরে উপজেলা চান্দাইকোনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। একই সময় ধানগড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে তাঁদের এলাকায় টিটিসি নির্মাণের দাবিতে মিছিল করেন। গাড়িতে হামলার পর এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হক। এ সময় তিনি তাঁর নেতা–কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। আজ সন্ধ্যায় রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা এলাকায়ছবি: সংগৃহীত সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি আজ সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এদিকে সংসদ সদস্য আয়নুল হক তাঁর গাড়িতে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান আজ রাত নয়টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রাজশাহী বিভাগরায়গঞ্জসিরাজগঞ্জসংসদ সদস্যহামলাগাড়িভাঙচুর