দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a valid, recent incident: unidentified attackers on a motorcycle shot a man named Yasin Khan Palash in Rampura, Dhaka, on Friday 12 June 2026. He was hit by bullets in the head and stomach and is in serious condition, so it is a shooting attack and counts as violence.

Reported by:SamakalDhaka PostCorroborated · 2 sources
12/06/26•রামপুরা, বিটিভি ভবনের উল্টো দিকে

Killed

0

Injured

1

Summary

শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর রামপুরায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের গুলিতে 'শীর্ষ সন্ত্রাসী' ইয়াসিন খান পলাশ মাথা ও পেটসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

ইয়াসিন খান পলাশ (আহত ব্যক্তি)অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত (গুলি চালনাকারী)মোটরসাইকেল চালক দুর্বৃত্তইব্রাহিম মিয়া (ভুক্তভোগীর বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী)ওসি মো. আসাদুজ্জামান (হাতিরঝিল থানা)

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 13/06/26open original ↗

দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ

দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ প্রতীকী ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬ | ১৮:৫৯ রাজধানীর রামপুরায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াসিন খান পলাশ আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে তার বাসার কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এক মাস আগেই তিনি জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হন। তার নাম একসময় পুলিশের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’র তালিকায় ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। পলাশের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাস্থলটি রামপুরা ও হাতিরঝিল থানার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় পড়েছে। হাতিরঝিল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান সমকালকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জুমার নামাজ পড়ে বাসায় ফিরছিলেন পলাশ। দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের উল্টো দিকে বাসার কাছেই তাকে গুলি করা হয়। পলাশের মাথা ও পেটসহ বিভিন্ন অংশে জখম হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা একটি মোটরসাইকেল নিয়ে এসেছিলেন। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে ওই মোটরসাইকেল বা আরোহীদের ছবি এখনও পাওয়া যায়নি। গুলির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। এদিকে স্থানীয় সূত্র বলছে, একটি মোটরসাইকেলে দুজন এসেছিলেন। তাদের একজন মোটরসাইকেল চালান, অপরজন নেমে গুলি ছোড়েন। পলাশের শরীরে দুটি গুলি লাগে। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যান। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীর বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী ইব্রাহিম মিয়া সাংবাদিকদের জানান, পলাশের মাথায় গুলি করার পর একজন কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি মোটরসাইকেলে গিয়ে ওঠেন। এরপর ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান দুর্বৃত্তরা। হামলাকারীদের তারা চিনতে পারেননি। পুলিশ সূত্র জানায়, পশ্চিম রামপুরার বাসায় থাকেন পলাশ। তিনি হাতিরঝিল-রামপুরা এলাকার ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যাসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। মিজান হত্যা মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করা হলে সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ আসে। দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক তিনি কারাগারে ছিলেন। মাসখানেক আগে তিনি জামিন পান। - বিষয় : - গুলি - রামপুরা - শীর্ষ সন্ত্রাসী

Source 2: Dhaka Post · 28/04/26open original ↗

নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ টিটন নিহত

রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন; পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে যিনি একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মেজবাহ নামে একজন জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের গেটের সামনে দুই যুবক মোটরসাইকেলে করে এসে টিটনের মাথায় ৩ রাউন্ড, বাম হাতে ১ রাউন্ড ও বাম হাতের বগলের নিচে ১ রাউন্ড গুলি করে। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা। তিনি বলেন, পরে আমরা লোকটাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। জেল থেকে বের হওয়ার পর তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের সঙ্গে যোগ দেন। তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ক্যাপ্টেন ইমনের স্ত্রী নীলার বড় ভাই। শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় ক্যাপ্টেন ইমনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। নিহত নাঈম আহমেদ টিটন আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফের ভাই টিপু হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। টিটনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। তার বাসা হাজারীবাগ থানার সুলতানগঞ্জ এলাকায়। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিউমার্কেট এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টিটনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসএএ/এনএফ