নবীনবরণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ চারজনকে পুলিশে সোপর্দ
Why this classification
Local BNP leaders and workers allegedly picked up four students, including a Chhatra League leader, from the college and a mosque and beat them at the BNP office on Friday, 9 October 2026. This is a physical attack between rival political groups, so it counts as violence, and the students were later handed to police and charged.
Killed
0
Injured
4
Summary
বরগুনার আমতলীতে ২০২৬ সালের ৯ অক্টোবর (শুক্রবার) দুপুরে বিএনপি ও তার অনুসারী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল কাজীসহ চার শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে রাতে তাঁদের আমতলী থানায় সোপর্দ করা হয় এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 4
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নবীনবরণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ চারজনকে পুলিশে সোপর্দ
কারাগারপ্রতীকী ছবি বরগুনার আমতলী উপজেলার ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাসহ চার শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরে তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। শুক্রবার দুপুরে এই চারজনকে তুলে নিয়ে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে মারধর করা হয় বলে তাঁদের পরিবার অভিযোগ করেছে। পরে রাত ৯টার দিকে তাঁদের আমতলী থানায় সোপর্দ করা হয়। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার আমতলী উপজেলার মহিষকাটার ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন ফকির। প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষ হতে না হতেই কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার দুপুরে কলেজের সামনে থেকে গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন, কুকুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম ও আমতলী উপজেলা যুবদলের সভাপতি পদপ্রত্যাশী ফাহাদ ফকিরসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা ইউনুস আলী খাঁন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল কাজী ও নবীন শিক্ষার্থী সুজাকে আমতলী বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান। জুমার নামাজ শেষে চুনাখালী মসজিদের সামনে থেকে মো. আসিফ ও মো. তামিম নামের দুই শিক্ষার্থীকেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা ধরে নিয়ে যান বলে নাম না প্রকাশ করার শর্তে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান। বিএনপির কার্যালয়ে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন ফকিরের উপস্থিতিতে তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছে আসিফের পরিবার। নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, কলেজ ও মসজিদের সামনে থেকে ছাত্রদের তুলে নেওয়া হয়। পুলিশের সামনে এসব ঘটনা ঘটলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল কাজীর বাবা মো. মাহবুব কাজী বলেন, ‘আমার ছেলেকে বিএনপির কিছু নেতা–কর্মী মহিষকাটা থেকে তুলে নিয়েছে। এখন বিএনপির পার্টি অফিসে আছে। তবে শুনেছি, তাদের থানায় দেওয়া হবে।’ ইউনুস আলী খাঁন কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকারিয়া বলেন, ‘বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন, মাহবুব আলম ও জালাল ফকিরের ছেলে ফাহাদ ফকিরের নেতৃত্বে নেতা–কর্মীরা সাইফুল কাজী ও সুজা নামের দুই ছাত্রকে তুলে নিয়েছেন। তাঁদের থানায় না দিয়ে কোথায় রাখা হয়েছে বা তাঁদের সঙ্গে কী করা হয়েছে, তা আমি জানি না।’ আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন ফকির ছাত্রদের নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, দলীয় নেতা–কর্মীরা তাদের এনে ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না এবং কাদের ইন্ধনে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, চারজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। শনিবার তাঁদের আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশআমতলীশিক্ষার্থীবরগুনাগ্রেপ্তারবিএনপিমারধরনবীনবরণমামলাছাত্রলীগবিএনপি সরকার
