পুলিশের হাত থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন এলাকাবাসী

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is classified as political violence because it involved a physical altercation between a crowd and the police specifically to rescue a political figure from the Jubo League.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
08/08/26•Kagmairpara Stadium, Bera

Killed

0

Injured

0

Summary

পাবনার বেড়ায় পুলিশের হাত থেকে সাবেক যুবলীগ নেতা মো. সোহেল রানাকে ছিনিয়ে নিয়েছেন এলাকাবাসী। এই ঘটনার সময় পুলিশের সাথে স্থানীয়দের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Law Enforcement

Other actors

Md. Sohel RanaASI Sohel RanaSI RashedOC Noyon Kumar

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 21/04/26open original ↗

পুলিশের ওপর হামলা করে আ.লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন স্বজনরা

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের মুন্সিরচর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কবির খান (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। গ্রেপ্তারের পর তাকে হাতকড়া পরিয়ে মোটরসাইকেলে তোলার সময় তার স্বজন ও অনুসারীরা পুলিশের কাজে বাধা দেয়। একপর্যায়ে ১০-১৫ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুজ্জামানসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে তারা চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার কিছুক্ষণ পর কবির খানকে হাতকড়া ছাড়াই এলাকায় দেখা যায়। পরে একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে হাতকড়া উদ্ধার করে পুলিশ। চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন বলেন, হামলার পর স্থানীয়দের সহায়তায় হাতকড়াটি উদ্ধার করে থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। চরভদ্রাসন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় অভিযুক্ত কবির খানকে গ্রেপ্তারের সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলার প্রস্তুতি চলছে। হাতকড়া বা পুলিশের কিছু খোয়া যায়নি দাবি করে ওসি বলেন, পুলিশের কিছুই খোয়া যায়নি। শুধুমাত্র মোটরসাইকেলে তোলার সময় আসামি দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। জহির হোসেন/আরএআর

Source 2: Jugantor · 09/08/26open original ↗

পুলিশের হাত থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন এলাকাবাসী

পুলিশের হাত থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন এলাকাবাসী Advertisement পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫২ এএম পাবনার বেড়ায় পরোয়ানাভুক্ত আসামী যুবলীগ নেতা মো. সোহেল রানাকে গ্রেফতারের পর পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন এলাকাবাসী। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বেড়া পৌর এলাকার কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছিনিয়ে নেওয়া সোহেল রানা বেড়া পৌরসভার শম্ভুপুর কাগমাইর এলাকার মৃত খন্দকার আইনুল হকের ছেলে। তিনি বেড়া পৌর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে বেড়া মডেল থানার থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানা ও উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদ থানার অদুরে কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহেলকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় একদল লোক পুলিশকে ঘেরাও করে বাগ্বিতন্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এর সুযোগ নিয়ে উপস্থিত জনতা জোরপূর্বক পুলিশের কাছ থেকে আসামি সোহেল রানাকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, ‘সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তিনি স্টেডিয়াম এলাকায় অবস্থান করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু গেফতারের পর স্থানীয় বেশ কয়েকজন লোক একত্রিত হয়ে পুলিশি কাজে বাধা দেয় এবং তাকে ছিনিয়ে নেয়।’ ওসি আরও জানান, আসামিকে পুনরায় গ্রেফতার করতে এলাকা জুড়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রত আইনের আওতায় আনা হবে।